হ্যালো আমার প্রিয় বন্ধুরা,
আশা করি সবাই খুব ভাল আছেন।
আল্লাহর রহমতে আমিও খুব ভালো আছি।
গল্পটা আমি ভূত FM থেকে শুনেছি। সেই গল্পটা হলো একটি হাসপাতালকে নিয়ে। আর সেই হাসপাতালটি কোনো সাধারণ হাসপাতাল নয়। সেই হাসপাতালটি বৃটিশ আমলের হাসপাতাল। কিন্তু সেখানে যে ঘটনা ঘটেছে সেটা কাউকে হয়রানি করার জন্য নয়। বরং , সেই আত্মাটিকে সাহায্য করার জন্য । এই হাসপাতালটি প্রায় ৪০-৫০ বছর ধরে বন্ধ। তার আসে পশে কেউ থাকে না। কিন্তু তার পশে একটি সরকারি কোয়াটার রয়েছে। যেটা খালি। কোয়াটার মানে হলো, যারা সরকারি চাকরি করে তাদেরকে কমটাকার বিনিময়ে একটা বড় ফ্লাট বা ওই রকমই কিছু একটা দেওয়া হয়।
গল্পের শুরুতে বলা হয় , একটি পরিবার সেই হাসপাতালের পাশের কোয়াটার এ থাকার জন্য এসেছে। সেখানে তাদের তিন সন্তানও রয়েছে। একজন বড় ছেলে আর আরেকজন ছোট ছেলে, আর আরেক টা কোলের বাচ্চা । তারা কিছু দিন আগে সেখানে শিফট করেছে। তাদের বাবা একজন সরকারি ডাক্তার। তাই তারা সেই কোয়াটার টি পেয়েছে। তারা যখন আসে তখন , অনেক মানুষ বলেছে ছোট বাচ্চাকে সাথে নিয়ে তাদের এখানে আসা ঠিক হয়নি। কিন্তু তারা এসবে বিশ্বাসী ছিলোনা। তারা প্রায় ১০- ১২ দিন ধরে থাকছে। কিন্তু এমন কিছু হয়নি , যাতে তারা ভয় পাবে। কিন্তু কিছু দিন পর , তাদের দুই ছেলে , কেমন আজব আজব সপ্ন দেখতো। বড় ছেলে যে স্বপ্ন গুলো দেখতো সেটা সে একটুও মানে রাখতে পারতো না। আবার মাঝে মাঝে সে তাদের কোয়াটার এর সামনের কাঁঠাল গাছের সামনে বসে থাকতো তাও আবার রাতে একা একা ঘুমে। তাদের বাবা যখন সকাল ফজর এর নামাজ এ যায় , তখন দেখে তার বড় ছেলে কাঁঠাল গাছে নিচে ঘুমিয়ে আছে ।
এ তো গেল বড় ছেলের কথা , অন্যদিকে ছোট ছেলে সব স্বপ্ন মনে করতে পারতো। সে দেখতো তাদের পাশের হাসপাতালে সে শুয়ে আছে। মানে সে , প্রায় ৪০-৫০ বছর আগে চলে গেছে। সেই দেখে সে হাসপাতালের বিছানায় শোয়ে আছে , এবং একটি নার্স তাকে মেডিসিনে দেয়ার জন্য এগিয়ে আসছে। তার পর হটাৎ করে তার ঘুম থেকে লাফিয়ে উঠে দেখে তার বড় ভাই তাকে ডাকছে। এম অনেক দিন ধরে সে এই স্বপ্ন দেখছিলো।
কিছু দিন পর তারা হাসপাতালের E .C .I রোমে একটি ফ্রিজ ইনস্টল করে। সেখানে সেটা বলা হয় নি , যে তারা তাদের বাসা রেখে হাসপাতালের E .C .I রোমে কেন ফ্রিজ ইনস্টল করলো। যাক , তারপর একদিন তাদের বাবা তাদেরকে ফ্রিজ থেকে কিছু আনতে পাঠায়। কিন্তু তার বড় ভাই আগে চলে যায় , কিন্তু যখন ছোট ভাই সেই রাস্তাটা পার হচ্ছিলো তখন দেখল যে সেই কাঁঠাল গাছ থেকে সেই স্বপ্নের নার্স টি ওকে ডাকছে . কিন্তু সেটা দেখে সে , দৌড় দিয়া বাড়িতে চলে গেল এবং , সে সেন্সলেস হয়ে গেল। তার পর তার বাবা তাকে তাদের নানা বাড়িতে মানে দিনাজপুর এ পাঠিয়ে দিলেন। তার কিছু দিনপর তার বাবাও ট্রান্সফর্ম হয়ে দিনাজপুরএ চলে আসেন।
প্রায় ১০ - ১২ বছর কেটে গেল। তার পর হঠাৎ তাদের সেই কোয়াটার এ যাওয়ার প্রয়োজন পড়লো।তারপর তাদের সেখানকার গাছটি দেখার জন্যও একটু মনে চায়। তাই তারা সেখানে চলে গেলো তারপর তারা যখন গেলো তখন দেখল সব কিছু বদলে গেছে। তার পর তারা তাদের সেখানকার একটা ফ্রেন্ড কে জিজ্ঞেস করলো কাঁঠাল গাছটা কোথায় , তার ফ্রেন্ড বললো যে , সেই কাঁঠাল গাছটা কেটে ফেলা হয়েছে , কিন্তু তার নিচে একটা কঙ্কাল পাওয়া গেছে। তারা জানতে পারে যে সেটা একটা মহিলার কঙ্কাল। তার পর সেই ছেলেটা বুঝতে পারে যে, সেই মহিলাটি তার কাছে সাহায্যের জন্য এসেছে। কিন্তু সে সেটা না বুঝতে পাড়ায় তাকে আরো ১০-১২ বছর কষ্ট করতে হয়েছে। তাই সে অনেক অনুতপ্ত হয়েছিল। আসলে ,এটা ও না শুধু, আমরাও সেই ঘটনাকে ভয় পেতাম। এর থেকেই বোঝা যায় , সেই নার্সটিকে কেউ হত্যা করেছিল। তাই সে ওই ছেলেদের কে সাহায্যের জন্য ডেকেছিল ।
সবাই ভালো থাকবেন সুস্থ থাকবেন , সবার সুসাস্থ কামনা করছি , সবাইকে অনেক ধন্যবাদ।