একটি দিনের খণ্ডাংশ
জীবনে চলার পথে আমাদের যেমন হাজারো রকমের বাধা আসে তেমনি এমন এমন মুহূর্ত আসে যেগুলা ভুলা অনেক কঠিন তাই আজকে আমার জীবনের সেই এমন একটা গল্প নিয়েই হাজির হয়েছি। আসলে আমিতো সব সময়ই বলি যে আমার পড়ালেখার কারণে তেমন একটা বেশি সময় পাইনা। যদি এখনার কথানা এটা , এটা প্রায় আরো ১মাস আগের কথা , আর তখন কিন্তু আমাদের স্কুল খুলে দিয়েছিলো তাই সত্যি বলতে ঐদিনের ঘুরতে যাওয়াটা স্বাভাবিক ছিলনা। কারণ মাথায় শুধু স্কুল এর কথাই মনে হচ্ছিলো।
আচ্ছা যাই হোক , ওই দিন আমরা সবাই মিলে আব্বুর অফিস থেকে পিকনিক এ গিয়েছিলাম। আসলে ওই বার আব্বুর অফিস থেকে বলা হয়েছিল যে ১ জনের সাথে আরো ৪-৫ জন যেতে পারবে। আর এটা কারণ কি ছিল জানেন ? ওই বার আমাদের পিকনিক এ তেমন বেশি একটা মানুষ ছিল না। তাই আমাদের বলা হয়েছিল আমাদের পরিবার থেকে কিছু মেহমান আনতে। আর সেই জন্য আমি , আম্মু , আব্বু , মামা আর মামী , আমরা সবাই মাইল গিয়েছিলাম ওই পিকনিক না। আর সত্যি বলতে আমরাই ছিলাম যারা মাত্র ৫ জন একই পরিবার থেকে গিয়েছিলম আর সবাই প্রায় কমপক্ষে ৭-৮ করে নিজের সাথে গিয়েছিলো , আর সব মিলিয়ে প্রায় ১৫০ জন এর মতো হয়েছিল।
আর আমরা যে পিকনিক স্পট এ গিয়েছিলাম সেটা ছিল গাজীপুরে। আর সত্যি বলতে ওই জায়গাটা অনেক সুন্দর ছিল। আমরা প্রায় সকাল ৬ টারদিকে রওয়ানা হই যাওয়ার জন্য , কিন্তু সমস্যা হয় যখন আমাদের গাড়ি আসতে দেরি করে। আমরা। আমাদের প্রায় ৭ টার দিকে রওয়ানা দেয়ার কথা ছিল কিন্তু আমাদের গাড়ি আসতে আসতে প্রায় ৮টা বেজে গিয়েছিলো। আর সে জন্য আমাদের গন্তব্য স্থানে পৌঁছাতে একটু দেরি হয়েগিয়েছিল ।
আর আমরা যে পিকনিক স্পট এ গিয়েছিলাম সেটা ছিল গাজীপুরে। আর সত্যি বলতে ওই জায়গাটা অনেক সুন্দর ছিল। আমরা প্রায় সকাল ৬ টারদিকে রওয়ানা হই যাওয়ার জন্য , কিন্তু সমস্যা হয় যখন আমাদের গাড়ি আসতে দেরি করে। আমরা। আমাদের প্রায় ৭ টার দিকে রওয়ানা দেয়ার কথা ছিল কিন্তু আমাদের গাড়ি আসতে আসতে প্রায় ৮টা বেজে গিয়েছিলো। আর যাই হোক ঐখানে পৌঁছানোর পর আমরা আমাদের সব ক্লান্তিকে ভুলে আমরা আমাদের ভ্রমণ উপভোগ করতে লাগি।
আর সত্যি আমার জীবের সব থেকে সুন্দর মুহূর্ত ছিল এটি , আমি আজও সব স্মৃতি গুলা মনে রেখেছি। আর ওই জায়গাটা এত সুন্দর হবে সেটা আমি কল্পনাও করতে পারিনি , সত্যি বলতে জীবনের অন্যতম সুন্দর একটা দিন ছিল এটি ।