গল্পটা ছিল এমন একটা মেয়েকে নিয়ে যে ছোট বেলা থেকেই অনাথ । কিন্তু তার টাকার কারণে দিনকাল ভালোই কাটছিলো। তার বাবা ছিল একজন বিসনেসম্যান। সেই আজ তার বাবার বিসনেস কন্টিনিউ করছে। সেই যেই ফেলতে থাকতো সেই ফল্ট ছিল তারা বাবার সম্পদ। কিন্তু এটা তো অনেক আগের। তাই সে বাড়িটির সাথে খাপ খাওয়াতে পারছিলোনা। তাই সে চিন্তা করলো এই বাড়িটিকে বিক্রি করেদিয়ে নতুন একটা ফল্ট কিনবে। অনেক দিন ধরেই তার চিন্তা ভবনে। কিন্তু তার বিসনেস এর কারণে সে আর ফ্যাল্ট খুঁজতে পারছিলোনা। ১ মাস পর তার আজকে ফ্রী ছিলো তাই সে চিন্তা করলো আজকের ভিতরেই ফ্যাল্ট খুঁজে বের করতে হবে।
কিন্তু সারাদিন ধরে খুজার পরে একটা ফ্যাল্ট ও তার মন মত হয়নি। হটাৎ করে একজন লোক এসে বলে এই ফ্ল্যাট তা দেখতে পারেন এটার ভাড়াও অনেক কম তেমনি এটা অনেক বড়। তখন মেয়েটি ফ্যাল্টটি দেখে পছন্দ করে। এবং তার ২ দিন পর এ সেই ফাল্টে উঠার প্রস্তাব দেয়। কিন্তু যেই দিন থেকে মেয়েটি ফ্যাল্ট দেখতে গিয়েছিলো সেই দিন থেকেই তার পুরোনো বাড়িতে কিছু আজব আজব জিনিস ঘটতে থাকে। সে যখনি তার বাড়িতে ফায়ার আসে তখন দেখে তার বাড়ির দরজা খোলা । কিন্তু সেই এই বেপারটাকে ইগনোর করে। ঘরের ভিতরে ঢুকার পরে দেখতে পারে তার ঘরের সব কিছু এলোমেলো হয়ে পরে রয়েছে।
কিন্তু তার মনে এমন কোনো চিন্তা ভাবনাই আসেনা। সে ভাবে ঘরের দরজা খুলে থাকায় বিড়াল হয়তোবা তার ঘরের এই অবস্থা করেছে। যখন সে ঘর পরিষ্কার করবে তখন হটাৎ করে তার চোখ তার আয়নার দিকে গেলে সে দেখে তার মুখ দিয়ে রক্ত পড়ছে। কিন্তু সে তার মুখে হাত দিতেই দেখে তার কোনো কিচ্ছুই নেই। এটা ছিল তার হেলোসিনেশন। হ্যা , হেলোসিনেশন হলো বাইরের কোনো উদ্দীপনা ছাড়াই মস্তিস্কে বাস্তবের মত অনুভূতি প্রত্যক্ষণের প্রক্রিয়া। সেই মেয়েটি এটার ই ফাঁদে পড়েছিল।
মেয়েটি ওই দিন আরো অনেক কিছু অনুভ করতে পেরেছিলো। এই সব কিছুর পিছনে হাত ছিল তার বয়ফ্রয়েন্ডের। হ্যা , এটা করার কারণ ছিল মেয়েটির সেই বাড়িটির দাম ছিল অনেক টাকা। মেয়েটির বয়ফ্রেইন্ড চেয়েছিলো তাকে ভুলিয়ে ভালিয়ে সেই সম্পত্তি তার নামে নিয়ে নিবে। কিন্তু মেয়েটি চালাক থাকায় সে আর তার ফাঁদে পা দেয়নি। তাই তার বয়ফ্রেইন্ডটি চেয়েছিলো কেন ভাবে ফেড ফেলিয়ে তার কাছ থেকে সেই বাড়িতে ধখল করতে পারে কিনা। পর দিন সকালে মেয়েটি অনেক ভয় পেয়ে ছিল।
এর পর দিন মেয়েটির বয়ফ্রেন্ড আসে তাকে জিজ্ঞেস করে এবং সে পরামর্শ দেয় এই বাড়িটাকে খুব শীঘ্রই ছেড়েদিতে। তারপর মেয়েটি বলে এই বাড়িটাকে না বেঁচেই ছেড়ে দিতে মানে কেউ এর রহস্যের কথা জানতে পারলে বাড়িটা আর বেচতে পারবেনা। তাই তার জন্য এটা না বেঁচে এভাবেই ফালিয়ে রাখতে বলে। কিন্তু মেয়েটি মানা করে। আর পরদিন সকাল থেকে মেয়েটির আর কোনো খুঁজে পাওয়া যায়নি। আবার সেই ছেলেটিকেও খুঁজে পাওয়া যায়নি। যদিও প্রায় ২০ বছর পরে তাদের এ বাগানে তাদের দুইজনের লাশ পাওয়া যায়। কিন্তু কে বা কিভাবে এইসব হয়েব্হে সেটা কেউ বলতে পারেনি ।
Image source :- Pexels