সেদিন সে এসেছিল আমাদের বাড়িতে , আম্মুর সাথে অনেক কথা বলেছে। তখন তাকে দেখে অনেক খুশি মনে হচ্ছিলো। কিন্ত হটাৎ করে একটা ফোন আসে , তারপর দেখলাম তার মনটা একটু খারাপ হয়েগিয়েছে। যাইহোক , আমি তেমন একটা গুরুত্ত দেয়নি। আর কাছে থাকলে হয়তো জিজ্ঞেস করতাম কিন্তু ছিল তো আম্মু সাথে তাই আর কিছু জিজ্ঞেস করিনি। যাইহোক , তার কিছুদিন পর শুনি যে ওর মা অসুস্থ , আর ওর মা বেশির ভাগ সময় অসুস্থই থাকতেন। ঐদিন , আম্মুকে ও এসে বললো যে ওর আম্মুনাকি আমার আম্মুকে যেতে বলেছে।
তারপর আম্মু বললো যে কালকে যাবে , আর যেহেতু আম্মু আমাকে নিয়েই যায় তাই আমাকে কিছু বলেনি , আর উনারা ভালো করেই জানে যে আম্মুকে যেতে বললে সাথে আমাকেই নিয়ে যাবে। যাইহোক , কালকে যখন আমরা যাই তাদের বাড়িতে তখন দেখি আসলে তার মা একটা বেশিই অসুস্থ। আর উনাদের বাড়িতে এখন ও এ আছে যে তার মাকে সাহায্য করে। আর সেই জন্য এখন সে একটা বেশিই ব্যস্ত থাকে।
আর সত্যি বলতে ওর জন্য এখন অনেক খারাপ লাগছে , ঘরের কাজ কর্ম সামলানোর পাশাপাশি পড়া শুনাও করতে হচ্ছে। আসলে , আমি অনেক খুশি এখন হয়তো সে একটু তার জীবন নিয়া মনোযোগী হবে। যাই হোক , তার কিছুদিন পরই আন্টি ও সুস্থ হয়ে গিয়েছিলো আর সত্যি বলতে আমি এই বেপারটা নিয়ে অনেক খুশি হয়েছিলাম যে এই কারণেও এখন একটু সিরিয়াস হয়েছে !
ওর আব্বু ঢাকায় , যদিও ওরা অনেক সচ্ছল পরিবার। কিন্তু সব সময় টাকা দিয়েতো সব কিছু করা যায়না। আসলে কি সবার ভাবে টাকাই সব। কিন্তু না , আপনার যখন টাকা হবে তখন আপনিই উপলব্ধি করতে পারবেন। আচ্ছা , যাই হোক , ঐদিন যাওয়ার পর , আম্মু প্রায় ৩ ঘন্টার মতো ওখানে কথাই বলেছিলো। আর সেই ৩ ঘন্টার মধ্যে একটু ও ওর সাথে কথা বলার সুযুগ পাইনি। ও তখন পুরো ঘরের কাজ সামলাচ্ছিলো। আসলে কি , ও কখনই এমন ভাবে কাজ করেনি , আমি যত দিন তার সাথে সময় কাটিয়েছি ততদিন ই দেখেছি , ও অনেক আলসেমি করে। কিন্তু ও এত পরিবর্তন হয়ে যাবে আমি ভাবতেও পারিনি !
আর সত্যি বলতে ওকে বিহার থেকে দেখলে অনেক অলস আর একটা রাগী রাগী মনে হবে , আসলে এমন না। ওর যে রাগ সেটা ওর একটা অভ্যাস। শুধু কোনো একটা অজুহাত দেখিয়া রাগ করে বসে। কিন্তু এখন এইসব আর তার মধ্যে লক্ষণীয় নেই। অনেকটা বদলে গিয়েছে। আর হয়তো এখন সে তার জীবনে মানে খুঁজে পারবে আর কিছুটা সিরিয়াস হবে !