বন্ধুত্ত
আমাদের জীবনের বাবা মা বাদে সবচেয়ে বড় সম্পর্ক হয়তবা বন্ধুদের সাথেই হয়ে থাকে। এই সম্পর্কটা এই রকম যে সেটায় কোনো রকম স্বার্থপরতা থাকেনা। সবাই একে অন্যকে সাহায্যের জন্য হাত বাড়িয়ে দেয়। আর আমার জীবনে সেই বন্ধু গুলোই সব থেকে বড় পাওনা। কেউ হয়তোবা এই রকম বন্ধু খুঁজে পাবে না। আসলে কিছু কিছু বন্ধুত্বের সম্পর্কটা রক্তের সম্পর্কের থেকেও অনেক বড় হয় উঠে। কিন্তু আমার জীবনে দুর্ভাগ্য বসত সেই বন্ধু গুলোকে ছেড়ে এই একা শহরে বাস করতে হচ্ছে।
আমরা যে সমাজে বসবাস করি সে সমাজে সবাই আমরা মিলেমিশে বসবাস করা শিখেছে। আমাদের জীবনে ফ্রেন্ডএর অনেক প্রয়োজন আছে। আসলে একটা ফ্রেন্ড মানে একটা সঙ্গী। সে আপনার সাথে সুখ , দুঃখ সব সময় অংশীদার হবে। কিন্তু আজকের এই দিনটা কেমন জানি স্বার্থপর হয়ে যাচ্ছে। কেউ কারো ভালো চায় না। তাই আমাদের এই জগৎে একটা সত্যিকারের ফ্রেন্ড পাওয়া মুশকিল ।
অনেক মানুষ ভাবে যে বন্ধু দের সাথে মিশেল সে খারাপ হয়ে যাবে। আসলে অতিরিক্ত কোনো কিছু ভালো না। সব কিছুই একটা লিমিটেশনের মধ্যে রাখা উচিত। সারাদিন বাইরে থাকার পর আবার যদি রাতের বেলা ও বাইরে ঘুরতে বের হয় তাহলে স্বাভাবিক ভাবেই আমাদের বাবা মা তাদের সাথে চলতে মানা করবে।
আজ যদি বাড়িতে যাওয়ার নাম শুনে আমার তাহলে প্রায় প্রত্যেকটা দিন আমাকে কল দিয়ে খবর নিবে কত তারিখে বাড়িতে যাবো। কয়টায় গাড়িতে উঠবো। মানে ওরা আমাকে সব দিক দিয়ে খেয়াল রেখেছে। আসলে বন্ধুদের থেকে আমি এর থেকে বেশি চাই না। এটাই আমার জন্য অনেক কিছু। আমাকে তারা মিস করে। আমার খোঁজ খবর রাখে। এটাই হয়তোবা আপনার কোনো এক রক্তের সম্পর্কের কেউ একজন রাখে না। কিন্তু তারা আপন না হাওয়াতেও অনেক বড় আপন।
যদিও আজ তাদের মাঝে নেই কিন্তু অনেক মনে পরে তাদের সেই স্মৃতি গুলো। মাঝে মাঝেই তাদের কথা জানালার আকাশের দিকে থাকিয়ে ভাবতে থাকি যে এখন যদি বাড়িতে থাকতাম তাহলে কত মজা করতাম। আবার মাঝে মাঝে আকাশের অবস্থা দেখেও সেই কথা গুলো মনে পড়তো। কারণ সেই রকম একটা দিনেই আমরা সবাই একসাথে ছিলাম। কিন্তু এখন সবাই সবার থেকে বহু দূরে।