রাস্তার পাশের বটগাছটি স্বগর্ভে দাঁড়িয়ে আছে, গ্রীষ্মের তপ্ত রোদের সময় মানুষকে ছায়া দেবার জন্য। আর ছায়া পাওয়া মানুষগুলোর ভালোবাসায় বট গাছটিও বেঁচে থাকুক বছরের পর বছর।
আর বাচ্চাদের খেলা দেখে মনে পড়ে গেলো বৃষ্টির দিনে ১১ বছর বয়সের প্রথম ফুটবল টুর্নামেন্ট খেলার কথা। কতো বাঁধা পেড়িয়ে এবং কতো শাসন হজম করে ছুটে বেড়াতাম প্রতিযোগিতার মাঠে। শৈশবের দিনগুলো সত্যি চমৎকার ছিলো।
আর বর্তমানে বানিজ্যের দিকে মানুষ এতোটাই অন্ধভাবে ছুটছে যে শিশুদের স্বাভাবিক জীবনের জন্য তাদের কোনো ভাবনা নেই বললেই চলে। আর এমনটা হবেই না কেনো বলতে পাড়েন? যেখানে অভিবাবকদের চিন্তা হয় না শিশুদের খেলাধুলার গুরুত্ব নিয়ে, সেখানে অবশ্য বানিজ্যকরদের দোষ দিয়ে বেড়ানোটা আমাদের জন্য ব্যতিক্রম কিছূ না। আমরা মানুষ হিসেবে একটু বেশি কেমন জানি!
তবে শিশুদের স্বাভাবিক জীবনে দুরন্তপনার মধ্য দিয়ে বেড়ে ওঠার জন্য উন্মুক্ত মাঠের অনেক প্রয়োজন। আর তার জন্য সকল অভিবাবকদের শিশুদের মাঠের বিষয়ে সচেতন হতে হবে।
Words
138
Reading
1 min
4y
RE: শৈশব, ফুটবল আর দূরন্তপনায়...