হ্যালো,
আপনারা সবাই কেমন আছেন? সবার ভালো থাকাটাই সবসময় কাম্য। বর্তমান সময়ে আমাদের দেশের সবচেয়ে বড় যে সমস্যা তা হোলো সঠিক শিক্ষা ব্যবস্থার সমস্যা যতদূর জানি। আর শিক্ষা ব্যবস্থা এমন একটা গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম, যার মাধ্যমে দেশের মানুষ ও দেশ বাহিঃবিশ্বের সকল দেশের সাথে সম্পর্ক ভালো বা খারাপ রাখার প্রধান দায়িত্ব পালন করে। একইভাবে বলা যায় যেকোনো দেশ ও দেশের মানুষের ক্ষেত্রেও শিক্ষা পদ্ধতির গুরুত্ব শতভাগ বলা যায়। সেই হিসেবেই যে দেশের শিক্ষা ব্যবস্থা যতো ভালো তাদের জীবন ধারণ ব্যবস্থাও ততোটা উন্নত দেখতে পাওয়া যায়, আর এটাই স্বাভাবিক।
যেসব দেশগুলো প্রতিযোগিতার সাথে তাল মেলানোর জন্য এলোমেলো পরিবর্তনশীল শিক্ষা ব্যবস্থার মধ্যদিয়ে মরিচিকার মতো উদ্দেশ্যের দিকে ছুটতে হচ্ছে , তার প্রধান কারণহোলো- নিজ নিজ দেশের অবস্থা, মানুষের সক্ষমতা ও জ্ঞানঅভাব না বুঝে উন্নত দেশগুলোর মতো শিক্ষা ব্যবস্থায় দ্রুত সফল হওয়ার শিক্ষা পদ্ধতি বুঝে অথবা না বুঝে জোড় করে চাপিয়ে দেওয়ার চেষ্ঠাগুলো। যার ফলে একজন শিক্ষার্থী শিক্ষা নিতে যেয়েও সিদ্ধান্তহীন জীবনে প্রবেশ করে ও বেশিরভাগই অনিশ্চয়তার দিকে জেনে না জেনে পা বাড়াচ্ছে ও কি হচ্ছে তা শিক্ষার মানের দিকে তাকালেই বুঝা যায়।
আমরা মানুষ জীবন গঠন ও বাস্তবায়নের জন্য কোন শিক্ষা এবং বাস্তবায়িত করবো তার সিদ্ধান্ত সত্যিকারভাবে প্রত্যেক মানুষের নিজের উপর নির্ভর করে, যা হয়তো আমরা সময় গেলে বুঝতে পাড়ি দেখা যায়। আমাদের দেশের শিক্ষা ব্যবস্থা পদ্ধতি তৈরি করা হয় বহিঃবিশ্বের সাথে প্রতিযোগিত্মূলক অবস্থানকে কেন্দ্র করে, যা আমাদের দেশের মানুষের ধারাবাহিক শিক্ষার সাথে একটা বিশাল তুলনামূলক পার্থক্যের সৃষ্টি করে ও সঠিক শিক্ষাকে বাধাগ্রস্থ করে।
যদিও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা ব্যবস্থা পদ্ধতি নিয়ে কথা বলতে পাড়ার মতো আমি তেমন কেও না, তবুও একজন মানুষের শিক্ষার ধারাবাহিকতা কেমন হতে পাড়ে একটু বলার চেষ্ঠা করলাম। যেকোনো একজন শিশুর জন্ম নেয়ার পরে ঠিক মতো কথা বলা শেখা পর্যন্ত নিজ দেশের মাতৃভাষা ও প্রাথমিক ধর্মীয় শিক্ষা পাওয়া দরকার পরিবার থেকে। যখন ভালোভাবে কথা বলা শিখে যাবে তাকে প্রথমেই যার যার ধর্মীয় শিক্ষা দেয়া এবং পরিবার, সমাজ, দেশ ও মানুষ হিসেবে জীবনের নৈতিকতার শিক্ষার সঠিক ভিত্তি গড়ে দেয়া পরিবারের দায়িত্ব। তার পড়েই একজন শিশুকে বানিজ্যিক শিক্ষায় প্রবেশ করানো উচিত বলে মনে হয়।
এর ফলে একজন শিশু জন্যে বাহিরে দুনিয়ার দেয়া শিক্ষারে ভালো মন্দ বুঝে সঠিক শিক্ষার দিকে যেতে সহায়ক হবে বলে মনে হয়। আরও বলতে হয়, একজন মানুষ হিসেবে মানুষের জীবনের সত্যিকার লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য কি তার শিক্ষাও পরিবার থেকে নেয়াটাই উত্তম। তা না হলে প্রতিযোগিতামূলক বানিজ্যিক শিক্ষার মাধ্যমে জীবনের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য ঠিক করতে গেলে ধারাবাহিক পরিবর্তনের কারণে সিদ্ধান্তহীনভাবে মরিচিকাময় ভবিষ্যতের দিকে ছুটতে হবে। যার বাস্তবিক দৃশ্য বর্তমানে আমাদের দেশে সর্বজনীন দেখা যাচ্ছে।
আমাদের কিছু জিনিস জানা খুব দরকার, যেমন ধর্মীয় শিক্ষা হোলো সৃষ্টিকর্তার নিজের দেওয়া শিক্ষা ব্যবস্থা যার সাথে কখনোই মানুষের তৈরি করা শিক্ষা ব্যবস্থার তূলনা করা উচিত না। কিন্তু দূঃখজনক হলেও বর্তমানে আমাদের দেশে মানুষের তৈরি প্রতিযোগিতামূলক বানিজ্যিক শিক্ষার সাথে ধর্মীয় শিক্ষাকে তুলনামূলক শিক্ষা বানানোর চেষ্ঠা করা দেখতে হচ্ছে। আমাদের মনে রাখা দরকার সৃষ্টিকর্তার দেয়া শিক্ষা ব্যবস্থাকে বানিজ্যে রুপান্তর করা ঠিক হচ্ছে কিনা।
অনেকেই বলতে পাড়েন যে, তাহলে মানুষ ধর্ম নিয়ে তাহলে গবেষণা কিভাবে করবে? উত্তরটা আমি এভাবে দিতে চাই- দুনিয়াবি জিনিস পত্রের মতো সৃষ্টিকর্তার দেয়া সৃষ্টির গবেষনার ফলাফল পাওয়ার মতো সক্ষমতা মানুষের নেই বলা উচিত। তবে হ্যা মানুষ যখন সহজ ও সরল বিষয়ে সন্তুষ্ট হতে পাড়ে না তখন গবেষণার মাধ্যমে তা জটিল বানিয়ে নতুনত্ত দেখানোর চেষ্ঠা করে। তাই বলতে চাই, এলোমেলো চিন্তার মাধ্যমে মানুষ সঠিক শিক্ষা থেকে দূরে সরে যাচ্ছে।
আর সবচেয়ে দূঃখজনক বিষয় বলতে হয়, বেশিরভাগ মানুষ সঠিক শিক্ষা পাবার জন্য শিক্ষা ব্যবস্থাকে দোষানোর মাধ্যমে অভিভাবকদের না দিতে পাড়া শিক্ষার দায় থেকে মুক্তি খুঁজে। যাকে বলা যায় ছন্দের ভাষায় বেশিরভাগ পরিবারকেই শাখ দিয়ে মাছ ডাকার মাধ্যমে মুক্তির উপায় বেছে নিতে দেখা যায়। কিন্তু একবার যদি বুঝতে পাড়তো এভাবে ভবিষ্যতের প্রজন্মকে নিজেরাই নিজের পায়ে কুড়াল মারতে বাধ্য করছে সত্যিকার অর্থে কারা, তাহলে জীবনেও আমাদের দেশের মানুষের শিক্ষার এতো নাজেহাল অবস্থা দেখতে হতো না। দেশ ও দেশের মানুষের জীবনকে সুন্দর ও সমৃদ্ধশালী করার জন্য আমাদের সঠিক শিক্ষা নেওয়া প্রয়োজন।
Image Link
Image Link
Image Link
ধন্যবাদ।