এগুলো শীতকালীন সবজি হলেও আমাদের বাগানের সবজিগুলো একটু দেরি করেই ফলন দিচ্ছে,কারণ চারাগাছ এবং বীজ দেরি করেই লাগানো হয়েছিল।নিজের বাগানের রাসায়নিক এবং ভেজালমুক্ত সবজি খাওয়ার মজাই আলাদা।সালাদ বানানোর সময় যখন ঘরে টমেটো নেই তখন আম্মা বললো, যাও গাছ থেকে তুলে নিয়ে আসো।গাছ থেকে তুলে নিয়ে এসে টাটকা টমেটো দিয়ে সালাদ বানানোর অনুভূতি ভাষায় প্রকাশের মতো না।
সবচেয়ে ভালো ফলন হয়েছে টমেটো গাছের।টমেটো গুলো গোল না,একটু লম্বা আকৃতির।টমেটো গাছের ঘ্রাণ অনেক ভালো লাগে।
শীমের ধরেছে অনেক,দুইজাতের শীম।এক জাতের শীম গাঢ় সবুজ,আরেকজাতের শীম হালকা সবুজ।শীম গাছ লতা পাতা বেয়ে একটা আম গাছকে আঁকড়ে ধরে গাছের মগডাল পর্যন্ত উঠে গেছে।মনে হচ্ছে আম গাছের আগায় শীম ধরেছে।
লাউগাছের পাতাগুলো অনেক সুন্দর।লাউ এখন বড় হয়নি।তবে ফুল বের হয়েছে,ফুল থেকে ছোট ছোট কুড়ি বের হচ্ছে।
লালশাক,আর ডাটা শাকের গাছগুলোও অনেক সতেজ।
মুলা গাছগুলোও সুন্দর,মোটা মোটা মুলা হয়েছে নিচে।তবে এখনও নরম,আরো কয়েকদিন পর শক্ত হবে।
প্রতিদিন নিয়ম করে বিকাল বেলা পানি দেই।পানি নিয়মিত না দিলে গাছ নেতিয়ে পড়ে।
যেহেতু কোনো রাসায়নিক দেওয়া হয় না,তাই সবজি তেমন বড়সড় পুষ্ট হয় না,তারপরও নিজের করা বাগান থেকে টাটকা ভেজালমুক্ত সবজি খাওয়ার স্বাদ অতুলনীয়।