তোমাকে ছেড়ে যেতে ইচ্ছে করে না।তোমাকে যতো দেখি ততো দেখতে মন চাই।তোমাকে না দেখে কিভাবে থাকবো সেটা ভাবতেই কষ্ট হয়।তোমার ঐ মুখে কি আছে কে জানে,শুধু তাকিয়ে থাকতে মন চায়।মনে হয় পৃথিবীর সব সৌন্দর্য তোমার মধ্যে এসে সীমাবদ্ধ হয়েছে।অন্য সব কাজ করতে করতে এক সময় বিরক্তি চলে আসলেও তোমার দিকে তাকিয়ে থাকতে কোনোদিন বিরক্ত লাগে না।মনে হয়,হাজার বছর তাকিয়ে থাকতে পারবো।
চাঁদের দিকে যখন তাকিয়ে থাকি,খুব ভালো লাগে।কিন্তু একটু পরই ঘাড় ব্যাথা করা শুরু করে আর থাকিয়ে থাকতে মন চাই না।কিন্তু তোমার দিকে তাকিয়ে থাকলে শারীরিক ব্যাথা তুচ্ছ হয়ে পড়ে মনের আনন্দের কাছে।বুঝিনা,তুমি ছাড়া কি পৃথিবীর আর কোনো মানুষের মুখ সুন্দর না?তাদের দিকেতো এভাবে তাকিয়ে থাকতে ইচ্ছা হয় না।
শুধু তাকিয়ে থাকা না,তোমার অস্তিত্বই আমাকে স্বর্গসুখ দেয়।তুমি যখন আশপাশে থাকো তখন যে সুখ পায় তা, একজন তৃষ্ণার্ত পথিক যখন পানির জন্য চটপট করতে থাকে তখন পানি পেলে যে সুখ পাবে তার ছেয়ে বেশি।তুমি আশেপাশে থাকলে তোমার দিকে তাকানোর দরকার হয় না এমনিতেই ভালো লাগে।তুমি যখন আমার চারদিকে কোথাও থাকো তাহলে এমন এক ঘ্রাণ আমি পায় যা আমার নাকে লাগে না সরাসরি হৃদয়ে লাগে।
তোমাকে ছাড়া সবি যেনো শুকনো খড়ের মধ্যে আগুন লাগিয়ে দেওয়ার মতো।সারাদিন যদি একবারও তোমাকে দেখতে না পায় সেই দিনটা মনে হয় বৈশাখের সবচেয়ে উত্তাপের দিন।যেই উত্তাপ শরীর পুড়ে না, পুড়ে হৃদয়।
তোমার জন্য আমার মনটা পাঠকাটির ভিতরের শোলার ছেয়েও নরম হালকা আঘাতেই ভেঙে যায়।তুমি যদি তিল পরিমান কষ্ট দাও, সেই কষ্ট আমার কাছে পাহাড় সমান মনে হয়।তাই তোমার বিচ্ছেদ, তোমাকে ছেড়ে থাকার ব্যথা, মরণ যন্ত্রণা কেমন জানি না,কিন্তু আমার কাছে তা মরণ যন্ত্রণার ছেয়ে কম হবে বলে মনে হয় না।তোমাকে ছেড়ে কিভাবে থাকবো বুঝতে পারছি না।কিন্তু মাঝেমধ্যে পরিস্থিতির কাছে হার মানতে হয় এবং যন্ত্রণা সহ্য করে হলেও পরিস্থিতি মেনে নিতে হয়।আজ হয়তো তাই হচ্ছে,পরিস্থিতির জন্য তোমাকে ছেড়ে যেতে হচ্ছে,কিন্তু কথা দিলাম,আবার দেখা হবে।সেইদিন আকাশে উঠবে বিশাল আকৃতির এক ঝকঝকে চাঁদ।যে চাঁদের আলোয় তোমার মুখটা ঝিকঝিক করবে আর আমি আবার সেই সুখ পাবো.....