আজ হঠাৎ ভাবমূর্তি কথাটা কয়েক বার শুনলাম। মানে নেটে সাক্ষাৎকার শুনতে গিয়ে শুনা।ও আচ্ছা, আসল কথাটায় ভুলে গিয়েছি। আসলে ভাবমূর্তি কেউ বলেনি, বলেছেন ইমেইজ।আমি যেই লাউ সেই কদু মনে করে বাংলাটা বললাম। একজন বলছিলো ইমেইজ ঠিক রাখতে হবেতো।আরেক জন বলছিলো আসলে ইমেজ এর বাইরে তো কিছু করা যায় না।আমার শ্রবন শক্তি আটকে গেলো তখনই যখন একজন কে বলতে শুনলাম ওনি নাকি ওনার পোশাক সিলেক্ট করার আগে দেখে ওনার ইমেজ এর সাথে যায় কিনা।
আমার মন তখন ইমেজ নিয়ে ভাবতে বসে গেলো।আসলে ইমেজ কি এমন জিনিস যেটাকে ধরে বেঁধে নিজের সাথে রাখতে হয়।ওনারা না হয় ধরে বেঁধে রাখেন দেশের কর্তা ব্যাক্তিগণও আজকাল শুনা যায় জাতির উদ্দেশ্যে দেওয়া ভাষনে বলেন আমি এটা দমন করার চেষ্টা করেছিলাম কিন্তু আমার কিছু সীমাবদ্ধতা থাকে যেখানে দেশের ইমেজ এর প্রশ্ন।আমার মনে আবার প্রশ্ন জাগে ইমেজ কি এমন জিনিস যা মানুষের দায়িত্ব পালন থেকে বিরত রাখতে সক্ষম।আজকাল নায়ক নায়িকাদের ও বলতে শুনি, যে দেশের মানুষ আমার ইমেজ নষ্ট করে, সে দেশে থাকবো না।
যে ইমেজ কচু পাতার পানির মতো টলমল টলমল করে সেই ইমেজ এর কি কোনো প্রয়োজন আছে কিংবা সেটা কি আদৌ তোমার নিজের।আমার জানা মতে ইমেজ তো সেটাই যা মানুষের আচার-আচরণ, চলন বলন আর যোগত্যার সমন্বয়ে একটু একটু করে তৈরি হয়। এটা কোনো খোলস যে খসে পড়বে। এটা কোনো মুখোশ না যে খুলে গেলে মুখ দেখা যাবে।যা নিয়ে আপনাদের এতো ভয়ে থাকতে হয় সেটা আসলে আপনাদের কৃত্রিম সুরক্ষা বলয় যার ভিতর শত চেষ্টা করলেও খুব বেশিক্ষন আপনি থাকতে পারবেন না। কারণ কৃত্রিম জিনিস যতোই শক্তিশালী হোক না কেনো এর একটা মেয়াদোত্তীর্নের তারিখ থাকে আর এটাই বাস্তবতা।
তাই যারা ইমেজ রক্ষার ইমারত তৈরি করতে ব্যস্ত তাদের উচিত ইমারত তৈরি বাদ দিয়ে,
নিজেকে নিজের মতো গড়ে তুলুন,অবশ্যই সেটা নৈতিকতা এবং আইনকানুন মেনে।তারপর বাকি কে কিভাবে দেখবে,ইমেজ নামক খোলসের কি হবে না হবে এসব নিয়ে ভাবার তেমন কিছু নেই।