কখনো কখনো স্বার্থপর হওয়াটা নিজের জন্যই ভালো। কখনো পরিস্থিতি স্বার্থপর বানায় আবার কখনো নিজের চারিপাশের মানুষ গুলো বানায়। এই ছোট্ট জীবনে অনেক পথ অতিক্রম করতে হবে, অনেক মানুষদের সাথে দেখা হবে, অবহেলার স্বীকার থেকেই স্বার্থপরতার মনোভাব সৃষ্টি হয় বুঝতে দেরি নেই আমার।
আপনি তখনি নিজেকে ভালো রাখতে পারবেন যখন আপনি ছোট ছোট বিষয় গুলো উপেক্ষা করতে পারবেন এবং স্বার্থপর হবেন। আপনি ভালো নেই, এর কারন আপনি নিজেই, আপনি নিজেই নিজের সুখ দঃখের কারন। আমাদের চারিপাশের মানুষদের জন্যই আমরা খুশি থাকি আবার তাদের জন্যই ভালো থাকতে পারি না।
কেউ অবহেলা করেই যাচ্ছে, আপনার উপর স্বার্থের বোঝা চাপিয়ে দিয়েছে আর আপনি অবহেলিত হয়ে সেই স্বার্থের বোঝা বেয়ে বেড়াচ্ছেন। আপনি স্বার্থপর হতে পারছেন যখন আপনার নিজেকে ভালো রাখার জন্য স্বার্থপর হওয়া দরকার, তাদের অবহেলা উপেক্ষা করা দরকার।
যে আপনাকে অবহেলা করবে, আপনি এড়িয়ে চলুন। শুধু মাত্র নিজের ইচ্ছায় কারো কাছে ঘেষতে যাবেন না। কারন সে চাচ্ছে না আপনি তার কাছে যান। কাউকে কাছে পাবার আশায় যদি আপনি সমানে এগিয়ে যাম তাহলে শুধু কষ্টটাই ফিরেয়ে দিবে। এই ছোট্ট জীবনে কারও হাসির পাত্র হওয়ার চেয়ে একা থাকা অনেক ভালো। ব্যক্তিত্ব বড় মূল্যবান জিনিস।
আমরা 'না' করতে পারি না সচারাচর, একটা বিশেষ দূর্বলতা আমাদের। আমাদের কেউ কোন কাজ দিলে আমরা 'না' করতে পারি না। অথচ সেই কাজের জন্য আমাদের নিজেদের কাজ পরে থাকে। তাই নিজের কাজ গুলো ঠিক রেখে অন্যের কাজের বোঝা মাথায় নেওয়ার চিন্তা করতে হবে। আপনি যদি 'না' না বলে সব সময় সহ্য করে যান তাহলে এটা আপনার সব খুশি কেড়ে নিবে। মাঝেমধ্যে 'না' বলতে পারা যদিও কঠিন তবুও নিজেকে শক্ত করে স্বার্থপর হয়ে 'না' বলতে হয়। বোকা বোকা চেহারা নিয়ে অসহায়ত্ব দেখিয়ো না স্পষ্ট 'না' করে বলতে শেখো।
জীবন মানেই বাস্তবতা আর বাস্তবতা মানেই কঠিন তবুও আমাদের এই ছোট জীবন টাকে উপভোগ করতে শিখতে হবে। হাসিখুশি থাকাটা অনেক গুরুত্বপূর্ণ আমাদের প্রাত্যহিক জীবনে। হাসি দিয়ে জয় করুন মনের সব কষ্ট আর বাধা । যে কোন বিষয়ে পজিটিভ মনোভাব ব্যক্ত করার চেষ্টা করুন । মন খারাপের বিষয় ভুলে নিজে হাসি খুশি থাকুন, সাথে অন্যদের ও হাসি আর আনন্দে থাকার পরামর্শ দিন । প্রাণ খুলে হাসুন আর কষ্টকে দিন বিদায়।
নিজেকে একটু বেশিই সময় দিন। প্রতিদিন অন্তত এমন একটি কাজ করুন যা আপনার ভালো লাগে, সেই কাজে নিজের প্রশান্তি খুজে পান। পরিবার, বন্ধুদের থেকে একটু সময় বের করে নেয়ার চেষ্টা করুন একান্তই নিজের জন্য। নিজের যত্ন করুন,কি করতে ভালো লাগে আর কি করতে ভালো লাগে না, এগুলো আলাদা করুন। নিজেকে ব্যাস্ত রাখার চেষ্টা করুন। এতে আপনার শরীর ও মন দুটোই ভালো থাকবে।