বেগম রোকেয়ার বাড়ি সংলগ্ন প্রাচীন মসজিদ একটি প্রাচীন নিদর্শন । ধারণা করা হয় অষ্টাদশ শতাব্দির দিকে মসজিদটি নির্মাণ করা হয়েছিল । এটি বাংলাদেশ প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তর এর তালিকাভুক্ত একটি প্রাচীন প্রত্নতাত্ত্বিক স্থাপনা । এই মসজিদটি এখন পুনঃ নির্মাণ করা হয়েছে । মসজিদটির অবস্থান বেগম রোকেয়া স্মৃতিকেন্দ্রের সামনে । কিন্তু কেউ যদি প্রাচীন মসজিদ দেখতে চান তাহলে পারবেন না, কেননা এখানে শুধু প্রাচীন মসজিদের কিছু অংশ দাঁড়িয়ে আছে যা লোক চক্ষুর অন্তরালেই থেকে যায় ।
অবস্থান
রংপুর শহর থেকে ৮ কিঃ মিঃ দক্ষিণ পূর্বে অবস্থিত এই মসজিদ টি বেগম রোকেয়ার বাড়িটির খুব কাছেই দক্ষিণ পূর্বে অবস্থিত ।
বিবরন
বেগম রোকেয়ার বাড়ি সংলগ্ন প্রাচীন মসজিদটি বেগম রোকেয়ার পিতা জহিরউদ্দিন মোহাম্মদ আবু আলী হায়দার সাবের-এর সময়ে তৈরি যিনি পায়রাবন্দের জমিদারি বংশের সর্বশেষ উত্তরাধিকারী । বেগম রোকেয়ার মাতাও ছিলেন টাঙ্গাইলের বলিয়াদিও জমিদার পরিবারের কন্যা ।
বেগম রোকেয়ার বাড়ি সংলগ্ন প্রাচীন মসজিদটির এখন আর তেমন কিছুই অবশিষ্ট নাই । যা আছে তা হলো শুধু ভাঙ্গা দেয়াল যা অসংরক্ষিত অবস্থায় আছে ।
বেগম রোকেয়া স্মৃতিকেন্দ্র
নারী জাগরণের পথিকৃত বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেনের স্মৃতি রক্ষায় মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ঐকান্তিক ইচ্ছায় ৩,৫৩,০০,০০০/- টাকা ব্যয়ে ১ জুলাই ২০০১ সালে রংপুর জেলার মিঠাপুকুর উপজেলাধীন পায়রাবন্দ গ্রামে বেগম রোকেয়ার নিজ বাড়ি সংলগ্ন ও বেগম রোকেয়ার বাড়ি সংলগ্ন প্রাচীন মসজিদের সামনে ৩.১৫ একর ভূমিতে বেগম রোকেয়া স্মৃতিকেন্দ্র স্থাপন করা হয় । নির্মিত অবকাঠামোর মধ্যে রয়েছে মুলভবন - ১৪,৭১০ বর্গফুট, ২৫০ আসনের সুসজ্জিত মিলনায়তন , ১০০ আসনের সুসজ্জিত সেমিনার কক্ষ, ৫০ জন পাঠকের পাঠ সুবিধাসহ ১০ হাজার গ্রন্থের ধারণ ক্ষমতাসহ সুসজ্জিত গ্রন্থগার এবং প্রয়োজনীয় আসবাবপত্রসহ গবেষণা কক্ষ ।