সিলভারকার্প মাছের পরিচিতি:
সিলভারকার্প বিদেশী কার্প জাতীয় মাছ। দেশী কার্প মাছের সঙ্গে একত্রে পুকুরে চায় করা হয়। সিলভারকার্প মাছ ১৯৬৯ সালে এ দেশে প্রথম আনা হয়। ১৯৭৬ সালে কৃত্রিম প্রজননের দ্বারা পোনা উৎপাদন করা হয়। মাথা ছোট, দেহের মাঝ অংশ চওড়া, সামনের ও পিছনের দিক সরু। আঁইশ ছোট ও রূপালী। দেহের নিচের দিক নৌকার মত। কাতলা মাছের মত পানির উপরের স্তরের খাবার খায়। ছোট অবস্থায় ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র শৈবালও খায়। মাছ বড় হলে উদ্ভিদকণা এবং পচাঁ জলজ উদ্ভিদ ও সম্পূরক খাদ্য খায়। কৃত্রিম উপায়ে প্রজনন করা হয়। বিদেশী কার্প মাছের মধ্যে সবচেয়ে দ্রুত বৃদ্ধিগুণ সম্পন্ন। ছোট অবস্থায় চাপিলা এবং মাঝারি অবস্থায় ইলিশ মাছের মত দেখায়।
গ্রাসকার্প মাছের পরিচিতি:
সিলভারকার্প মাছের মত দেশী কার্প জাতীয় মাছের সঙ্গে এদেশের পুকুরে চাষোপযোগী। ১৯৬৬ সালে প্রথম এদেশে আনা হয়। ১৯৮০ সালে কৃত্রিম প্রজননের দ্বারা প্রথম পোনা উৎপাদন করা হয়। এ মাছ দেখতে অনেকটা মৃগেলের মতো তবে রুই মাছের মত পুকুরের মধ্য স্তরের খাবার খায়। পিঠের রং তামাটে ও পাখনা ছোট, গায়ের রং ঈষৎ সবুজ। জলজ উদ্ভিদ এ মাছের প্রধান খাদ্য। সেজন্য পুকুরে জলজ উদ্ভিদ দমন করার জন্য অনেক সময় এ মাছ পুকুর ছাড়া হয়। প্রজনন পদ্ধতি সিলভারকার্প মাছের মত। এরা দ্রুত বৃদ্ধিগুণ সম্পন্ন মাছ।