আফ্রিকান মাগুর মাছের সংক্ষিপ্ত পরিচিতি সম্পর্কে নিম্নে উল্লেখ করা হলো-
এ প্রজাতির মাগুর থাইল্যান্ড থেকে আনা হয়। দেশী ও বিদেশী মাগুরের মাধ্যমে সংকরায়ণ পদ্ধতিতে পোনা উৎপাদন করা হয়। আফ্রিকান মাগুর দেখতে দেশী জাতের মাগুরের মতই। দেহের তুলনায় মাথা ছোট, মাংসল দেহ খেতে সুস্বাদু, আমিষের পরিমাণ বেশি, চর্বি কম। রোগ-প্রতিরোধ ক্ষমতা বেশি। স্বল্প সময়ে সহজেই পুকুর, খালে-বিলে চাষ করা যায় এবং দ্রুত বৃদ্ধি সম্পন্ন। এ মাছের অতিরিক্ত শ্বাসযন্ত আছে। তাই বাতাস থেকে অক্সিজেন নিয়ে বাঁচতে পারে।