শরীর চর্চা

santo1(40)
Published in
#busy
Words
292
Reading
2 min
Listen
Play
8y

মেডিকেল সাইন্স ভিটামিনের যে সংজ্ঞা দিয়েছে, সেখানে বলা হয়েছে "vitamins must be supplied by diet". কিন্তু মাথার শ্যাম্পু ,নারিকেল তেল,গায়ে মাখার সাবানে ভিটামিন যোগ করে দিচ্ছে কোম্পানি গুলো। কিন্তু আমরা ভিটামিন মাথায় দেই, গায়ে মাখি। এটা কি মেডিকেল সাইন্স অনুমতি দেয়, সেটা নিয়া কেউ প্রশ্ন তুলে না।
জনসন বেবী লোশন বানাইছে রাইস ও মিল্ক দিয়ে। পোলাপান কেন দুধ আর সেরেলাক খাইতে চায় না, সেটা পরিষ্কার। গায়ে মাখার জিনিস কেম্নে খায় । পোলাপান বুঝে বাপ মা বুঝে না। সাবানের গায়ে লেখা মিল্ক প্রোটিন সমৃদ্ধ। খাইতে প্রোটিন পায় না, শরীরেও নাই প্রোটিন । কিন্তু সাবান মাখে প্রোটিন আর দুধ দিয়া।
আমরা- “সব বিশুদ্ধ খাবার জিনিস গায়ে মাখি, কিন্তু খাই সব ভেজাল জিনিস” । খাবার প্রোটিন এক্সটারনাল সারফেসে কিভাবে কাজ করে সেটা কেউ জানে না। টাফ স্কিনে তাদের এবসোরপশনই বা কেম্নে হয়। এমন আরো দুই একটা উদাহরণ দিচ্ছি-
১। শসা খুব উপকারী বস্তু। সেটা দিয়ে আমাদের ডায়েটারি ফাইবারের অভাব পূরন হয়। হাগু নরম করার উপাদান হিসেবে খ্যাত। কোলন ক্যান্সারও ফিরায় এটি । সেটা আজকাল খাবারের পরিবর্তে চোখের কালি দূর করতে লাগিয়ে রাখে মেয়েরা। রাতও জাগবে, শসাও খরচ করবে।
২। মুসুরির ডাল না খেয়ে মুখে লাগিয়ে রাখে প্রোটিন ব্যারিয়ার হিসেবে। অন্য কিছু খাবারেরও ভিন্ন ব্যবহার আছে। আর স্পা করার ক্ষেত্রে তো মনে হয় রেস্টুরেন্টে খাবারের মেনুর মত কোন খাবার দিয়া গা ঘষবেন, সেটার মেনু বানানো। সব ফুড সব যাচ্ছে নন ফুড ম্যাটেরিয়াল হিসেবে।
ডব্লিউ নিউটন এবং মুররে এর "Lonely Planet" থেকে প্রকাশ হওয়া "বাংলাদেশ" নামক ভ্রমন কাহিনীতে বলেছেন- বাংলাদেশে উৎপাদিত মধুর ৯০ ভাগ আসে সুন্দরবন থেকে। সাতক্ষীরার গরু গোয়ালিনী নামক স্থানে এই মধুর বাজার বসে। এই মধুর ৯০% কিনে নেয় এদেশের ফার্মেসী কোম্পানী গুলো বাচ্চাদের সিরাপ বানানোর জন্য । খাওয়ার মধু পাওয়া যায় না সহজে। যা পাওয়া যায়, তা ভেজাল গুলো। তেমনি উতপাদিত খাদ্য পন্যেরও মনে সিংহ ভাগ যায় রূপ চর্চা, চুল চর্চা, শরীর চর্চা করতে।

শরীর চর্চা | Ecency