প্রিয়,
পাঠকগণ,
কেমন আছেন আপনারা সবাই?
আজকে আমি আপনাদের সাথে শেয়ার করবো সন্ধ্যা বেলা তৈরী করা টিফিনের গল্প। আপনাদের শুনে হয়তো ভালো লাগবে না, যে আমি রান্না করতে খুব একটা ভালো বাসি না। আসলে রোজকার ডাল, ভাত রান্না করতে ভালোলাগে না,তবে মাঝেমধ্যে একটু অন্য কিছু বানাতে খুব যে খারাপ লাগে তা কিন্তু নয়।
আজ অফিস থেকে ফিরে husband চাউমিন বানাতে বললো, আসলে শুভ রেস্টুরেন্টের চাউমিন এর থেকে বাড়ির তৈরী চাউমিন খেতে বেশী পছন্দ করে। তাই অগত্যা বানাতেই হলো, ভাবলাম একবার আপনদের সাথেও শেয়ার করি। আপনারা অনেকেই নিশ্চয় চাউমিন ভালো খান। শুভর জন্য আমি খুব simple ভাবে তৈরী করি। যেভাবে ও ভালো খায়, কিন্তু আমি যেকোনো ভাবে তৈরী করলেই ভালো খাই, কারণ চাউমিন আমার ভীষণ প্রিয়।
প্রথমে আমি পরিমাণ মতো জল নিয়ে তাতে অল্প লবন আর সাদা তেল দিয়ে চাউমিন গুলোকে সেদ্ধ করে নিয়েছি। এরপর জল ঝরার জন্য রেখেছিলাম। কড়াইতে অল্প তেল দিয়ে তাতে পেঁয়াজ কুঁচি আর লংকা কুচি দিয়ে দিলাম, একটু ভাঁজা ভাঁজা হয়ে গেলে ডিম দিয়ে একসাথে নেড়ে নিলাম। এরপর জল ঝরে যাওয়া চাউমিন দিয়ে দিলাম, পরিমাণ মতো সয়া সস আর টমেটো সস দিলাম। আর দিলাম অল্প পরিমাণ গোলমরিচ গুঁড়ো আর ম্যাগী মশলা। এরপর নেড়েচেড়ে নামিয়ে নিলাম। ব্যস আমার চাউমিন তৈরী।
খেতে দোকানের মতো হয়নি তবে খুব খারাপ ও লাগে নি। বাড়িতে খেলে এইভাবেই খাওয়া হয়, আমার অবশ্য একটু ক্যাপসিকাম, বিনস, গাজর এই সব দিলে বেশী ভালো লাগে, কিন্তু শুভ, ওর জন্য এইসব কিচ্ছু দেওয়া যায় না। তাহলে সে খাবেই না।
যাইহোক খাওয়া দাওয়া হলো, আমাদের পিকলু বাবু তাকিয়ে দেখছিল চাউমিন খাওয়া কিন্তু তাকে দেওয়া একদম বারণ তাই আমাদের খাওয়া হয়ে যাওয়ার পর তাকে ও ট্রিট দিতে হলো।
এই ছিলো আজ সন্ধ্যা বেলার কথা।শেয়ার করলাম আপনদের সাথে, আসলে জীবনের অনেক চাপের মধ্যে এই একটু একটু মুহূর্তই আমাদের বাঁচতে সাহায্য করে, বা বলা যায় এই মুহূর্ত গুলো পাওয়ার জন্যই আমরা জীবনে প্রতিনিয়ত এতো লড়াই করি।
আপনারাও সবাই আপনাদের পরিবারের সাথে এমন সুন্দর সময় কাটান, সবাই একসাথে খুব ভালো থাকুন এই কামনা রইল।