প্রিয়,
পাঠকগণ,
কেমন আছেন আপনারা সবাই।
আশাকরি আপনারা ভালোই আছেন।
আজ আমি আপনাদের সাথে শেয়ার করবো আমার আর শুভর শপিং করতে যাওয়ার গল্প। তেমন কোনো কিছু নয় আসলে সামনে পহেলা বৈশাখ আসছে, নতুন বছরে নতুন জামা পড়তে হয় এটা ছোটবেলা থেকেই শুনেছি, আর সত্যিই কোনো বছর বাদ যায়নি নতুন কিছু পড়তে, সেটা জামা হোক, বা শাড়ী।
আর তার থেকেও বড়ো ব্যাপার হলো ওই দিন শুভর জন্মদিন। সুতরাং তাকে তো নতুন কিছু দিতেই হবে। সেই জন্যই তাকে নিয়ে শপিং যাওয়া।
আসলে শপিং মলে যাওয়ার ক্ষেত্রে তার বড্ড অনীহা।কিছুতেই যেতে চায় না। অনেক বলে বলে নিয়ে গেলাম। ওর জন্য কিছু কিনে আনলে সেভাবে তার পছন্দ হয় না,আবার নিজেও যাবে না।এটা যে কি ভীষণ সমস্যা কি আর বলবো।
যাইহোক অফিস থেকে ফেরার পথে ফোন করে রেডী হতে বললো, আমি ও রেডি হয়ে নিলাম, এরপর ও এলো, অফিস ব্যাগ রেখেই আমরা বেরোলাম। বাইক নিয়ে বেশিক্ষণ লাগে না মিনিট ১০এর মধ্যে পৌঁছে গেলাম। বেরোনোর সময় পিকলু কি হাকডাক, সেও যাবে আমাদের সাথে।
যেহেতু একটু রাত হয়ে গিয়েছিল, একদমই ভিড় ছিলনা। তাই শুভর ও একটু শান্তি।ভিড় তার একদম পছন্দ নয়। ঘুড়ে ঘুড়ে দেখলো, পছন্দ অনুযায়ী ট্রায়াল দিলো, অনেক দেখে শুনে ২ টো শার্ট, ১টা টি শার্ট, ১টা জিন্স কিনলো। আমাকেও জোর করে দুটো কুর্তি কিনে দিলো।
আর কেনা হলো, আমার দিদির আর শুভর দিদির ছেলে মেয়ের জন্যে।বাচ্চা বলতে এই ৪ টি আছে। বেশ ভালোই কাটলো সন্ধ্যাটা। অনেকদিন বাদে একটু বেরোলাম।
জীবনের ব্যস্ততায় আমরা খুশী থাকতে ভুলে যাই। আমরা ছুটে চলি ঘড়ির সাথে সাথে, পিছনে পড়ে রয় আপনজন,নিজেদের খুশি আর আনন্দ। কাল যদি কিছু নাও কেনা হতো তবুও সময়টা থেকে যেত মনের ভেতর। যা একান্ত নিজের ভালোবাসার মানুষের সাথে কাটানো।
শুভ তখন ট্রায়াল রুমে, আমি বাইরে দাঁড়িয়ে -
আপনারও এমন সময় কাটান। সত্যি বলতে মানুষের জীবনের কোনো বিশ্বাস নেই, আজ আছি কাল নাও থাকতে পারি, তাই ভালোবেসে ভালোবাসার সাথে থেকে যাওয়া খুব দরকার।ভালো থাকবেন। দিনটা খুব ভালো কাটুক আপনাদের।