প্রিয়,
পাঠকগণ,
প্রথমেই সকলকে জানাই good morning.
আজকের দিনটার শুরু আমার দারুণ হলো, কারণ কাল রাতে আমি এসেছি দিদি বাড়ি। মানে তিতলি - তাতানের কাছে। আর ওদের কাছে এলেই আমার মনটা খুশিতে ভোরে ওঠে।
রাতে এসে দেখি তিতলি বই পড়ছে -
অন্য জন (তাতান)ক্লান্ত-
সারা মুখে পড়াশোনার ছাপ -
যদিও আজ চলে যেতে হবে, কারণ আজ চৈত্র সংক্রান্তি। আজ অন্য কোথাও থাকতে নেই, এটা অনেক পুরোনো নিয়ম, যদিও এর যথাযথ কোনো কারণ নেই তবুও আমার শাশুড়ি মানে, মাকেও মানতে দেখছি, বলতে পারেন এই কারণেই মানাটা অভ্যাস হয়ে গেছে।যেহেতু কাল নতুন বছর শুরু, সেই কারনে বিশেষ কোনো কারণ ছাড়া কোথাও না থাকারই চেষ্টা করি।
আসলে আগে তো বলেছি ওদের জন্য জামা কিনেছিলাম, সেগুলোই দিতে এলাম, যেহেতু আগামীকাল পহেলা বৈশাখ তাই গতকালই এলাম। রাতে তো প্রচুর খেলাধুলা হলো। তারপর রুটি খেয়ে, ঘুমিয়ে পড়লাম তাড়াতাড়ি।
সকাল বেলা ঘুম থেকে উঠে ব্রাশ করিয়ে দিলাম ২জনকে। এবার বায়না তাড়া ম্যাগী খাবে, কাল রাতেই আমার কানে কানে বলেছে মিমি মা কে বলবে সকালে ম্যাগী দিতে।
আসলে, দিদি ওদের ম্যাগী খুব একটা দিতে চায় না। তাই মিমিকে দিয়ে যদি ইচ্ছেটা পূরণ হয় সেই চেষ্টা আর কি.....। তাই হলো দিদিকে বললাম ম্যাগী করে দিলো। মহা আনন্দে খেল। তিতলি যখন ম্যাগী খাচ্ছে, তাতান তখন ফোন নিয়ে ব্যস্ত।
তিতলির ম্যাম পড়াতে এসেছেন এই মাত্র। সে পড়তে বসলো। দিদি চা দিলো আমায়, আমি চা বিস্কুট খেলাম।আজকের দিনটা কেমন যেন তাড়াতাড়ি কেটে যাচ্ছে, ভালো সময় বোধহয় এই ভাবেই কেটে যায়। বিকালেই ফিরে যেতে হবে, অথচ বাড়ি গিয়ে সময় কাটতে চাইবে না একদমই।
বাচ্চাদের সাথে সময় কোথা দিয়ে কেটে যায় বোঝাই যায়না।দুষ্টুমি, কান্না,হাসি, আনন্দ সব মিলিয়ে ঘড়ির কাঁটার থেকেও তাড়াতাড়ি দৌড়ায় সময়।
দুষ্টুমির নমুনা দেখুন, আপনদের মাদুর লাগলে বলবেন, তাতান মাদুর বিক্রি করছে -