প্রিয়,
পাঠকগণ,
আশাকরি আপনারা সবাই ভালো আছেন।
আজকে আমি আপনাদের সাথে শেয়ার করবো আমার দেখা রাতের এক অন্য প্রকৃতির কথা। আসলে আমরা আমাদের প্রতিদিনের ব্যস্ততায় নিজেদের জন্যে সময় বের করতে পারিনা। তাই প্রকৃতির সৌন্দর্য্য দেখবার অবকাশ আমাদের প্রায় হয় না বললেই চলে।
আমিও আপনাদের মতই, রুটিনের জীবনে আমিও যেন ঘড়ির সাথে পাল্লা দিয়ে চলতে থাকি। কখোনো কখোনো সত্যিই ক্লান্ত লাগে, আর তখনই ছুটে যাই তাদের কাছে,যারা আমার আপনজন। কিছু সময় কাটিয়ে আসি। কারণ এটুকুই করতে পারি,এর বেশি হয়তো আমাদের কারোরই আর কিছু করার থাকে না। কারণ জীবন তো এমনই,আর তার সাথে তাল মিলিয়ে আমাদের চলতেই হবে।
সেদিন মামা বাড়ীতে রাতে খাওয়া দাওয়ার পর বোন বললো, চল দিদি বাইরে একটু হেটে আসি, সত্যি বলতে ইচ্ছে করছিল না, তবে খাওয়া একটু বেশি হওয়ায় ভাবলাম হেঁটেই আসি।
বাইরে বেরিয়ে দেখলাম লাইট জ্বলছে রাস্তায়, নির্ঝুম পরিবেশ, সবাই নিজেদের ঘরে কাজে ব্যস্ত, আমি আর বোন হাঁটছি। হটাৎ করেই আমার মনে হলো কিছু ছবি তো তুলতেই পারি।কারণ এমন পরিবেশকে এতো অন্যরকম ভাবে কোনোদিন দেখেছি বলেও মন পড়ছে না।
না,রাতে চারিপাশের কোনো পরিবর্তন হয়নি, তবে নিস্তব্ধতা,অন্ধকার, মৃদু আলো, হালকা হালকা বাতাস সব মিলিয়ে যেন অন্য প্রকৃতি। সেটা আমি সত্যিই ভাষায় ব্যক্ত করতে পারছি না। তবে রাতে তোলা কিছু ছবি আমি শেয়ার করছি, আশাকরি দেখে ভালো লাগবে আপনাদের।
এটা সাদা ফুল গাছ,আম্ফানের ঝড়ের সময় গাছটা পুরো উল্টে গিয়েছিল, পড়ে আবার বসানো হয়েছে এখন ভালোই ফুল ফোটে। গাছের নিচের ঘাস গুলো পরিষ্কার করে লেপে রেখেছে যাতে নিচের থেকে ফুল গুলো তুলতে পারে-
কুঁড়ি গুলো ফোঁটার অপেক্ষায় প্রহর গুনছে -
মামীর হাতে লাগানো দোপাটি ফুল, রঙটা ভীষণ সুন্দর-
এগুলো আমগাছের ছবি, মুকুলে পুরো গাছ ভর্তি, ছোট ছোট আমও হয়েছে -
এই ফুল গুলোর নাম জানিনা, সাদা রঙের হয়, সুন্দর গন্ধও আছে।বেলগাছের মাঝে গাছটা হয়েছে,কথায় আছে না, কখোনো কখোনো কাটার মধ্যেও সৌন্দর্য্য লুকিয়ে থাকে -
মামীদের যে বাড়ীর মালিক তার লাগানো গাঁদা ফুলের গাছ,শীতের সময় প্রচুর ফুল হতো, এখন নাকি প্রায় শেষের পথে -
নাম না জানা হলুদ ফুল,দেখতে ভীষণ সুন্দর -
ক্রিসমাস ট্রি,বাড়িতে ঢোকার মুখেই গেটের সামনে গাছটা লাগানো। বেশ অনেকটা বড় -