"দিদি বাড়ি কাটানো বছরের শেষ দিন"

Words
309
Reading
2 min
6y

IMG_20210414_220707.jpg

প্রিয়,
পাঠকগণ,

কেমন আছেন সবাই? কি প্রচন্ড গরম পড়তে শুরু করেছে তাই না? যদিও কাল সারাটা দিনই মেঘলা ছিলো,ভেবেছিলাম বৃষ্টি আসবে। কিন্তু কোথায়! বৃষ্টি তো হলোই না বরং মেঘলা থাকার কারনে সারাটা দিন গুমোট গরম থাকলো।

যাইহোক, আসলে বছরের শুরুর দিনটা সবাই মোটামুটি ভালোমন্দ খাওয়া দাওয়া করেছেন, তাই কাল যদি বৃষ্টিটা হতো তাহলে নতুন বছরের শুরুটা জমে যেত। কিন্তু সে তো হলো না। আজ আবার সকল থেকেই রোদের তীব্রতা শুরু হয়ে গেছে।

যাইহোক আজ আসলে আমি আপনাদের সাথে শেয়ার করবো সেদিন তিতলিদের বাড়ি কি কি খাওয়া দাওয়া করেছিলাম সেই গল্প। যেহেতু পয়লা বৈশাখে দিদি বাড়ি থাকতে পারবো না, তাই দিদি আগের দিনই সব খাইয়ে দিলো😁।

সকালে আমি চা খাওয়ার কিছুক্ষন বাদে অল্প ম্যাগী খেয়ে নিয়েছিলাম। এরপর দাদা বাজারে গিয়েছিল। একটা বড়ো তরমুজ কিনে এনেছিলো আমাকে শরবত খাওয়াবে বলে। দাদা আসলে খুব সুন্দর শরবত বানাতে শিখেছে, আমিও সেদিন প্রথম খেলাম, সত্যিই দারুন।

আমি আশা করিনি শরবতটা অতটা ভালো হবে, দাদার সব থেকে যেটা ভালো গুন সবকিছু একদম perfectly করবে। নিজেই কাঁচের গ্লাস বের করেছে, আমরা যদিও বারণ করেছি, কিন্তু ওই যে বললাম ....
IMG_20210414_220625.jpg

শুধু গ্লাসেই ক্ষ্যান্ত হিয়নি আলাদা করে স্ট্র ও দিয়েছে, ভাবুন একবার, তবে খেতে সত্যিই ভালো হয়েছিল,কি কি দিয়েছিল আমি জানিনা, পরের বার সবটা দেখবো।
IMG_20210414_220648.jpg

এরপর দুপুরে রান্না হয়েছিল বিরিয়ানী। যদিও গরমটা ভালোই ছিলো, কিন্তু বাঙালীর গরমে কি বলুন? আর তিতলী - তাতান ভালো খায়, আমিও ছিলাম আর রাতে বাবাকেও আসতে বলেছিল। ভালো কিছু বাবাকে না দিয়ে খেতে ভালো লাগে না।
IMG_20210414_220727.jpg

আর সবশেষে মিষ্টি। এই মিষ্টির গল্প আমি অনেক শুনেছিলাম দিদির কাছে, ওদের ওখানের একটা দোকানের এটা বিখ্যাত মিষ্টি। যদিও দাম শুনে আমার প্রায় স্ট্রোক হবার জোগাড়। একটা একটা মিষ্টি ৪০ টাকা।😳
IMG_20210414_220540.jpg

ভেবেছিলাম হজম হবে না, তবে খেয়ে বুঝলাম, কেন ওতো দাম। সত্যিই দারুন খেতে।

আগের বছরের শেষ বলুন আর নতুন বছর শুরু দুদিনই ভালো কেটেছে,আশাকরি আগামী দিনগুলো এই ভাবেই ভালো কাটবে,আমার সাথে সাথে আপনাদেরও। ভালো থাকবেন। আর অবশ্যই সাবধানে থাকবেন।

সারাটা দিন ভালো কাটুক এই প্রার্থনা রইলো

"দিদি বাড়ি কাটানো বছরের শেষ দিন" | Ecency