আমি যখন ৭ম শ্রেনীতে পড়ি; সেই সমায়ের কথা -ইস্কুল বন্ধ আর সামনে কুরবানির ঈদ। ঈদের ছুটিতে আমরা যাবো দাদার বাড়ি ঈদ করতে। আনন্দে আমার রাতে ঘুম আসছিল না। ক্যালেন্ডারের এক একটা দিন ও লাল কালি দিয়ে কেটে দেই আর গুনতে থাকি আজকের দিনটা পার হলে আর মাত্র এত দিন। আমার দাদার বাড়ি গ্রামটা আমার খুব প্রিয়। দাদাবাড়ির সামনে বড় চাচার সেই বিরাট পুকুরটা। কত গাছ-গাছরা, কত রকমের পাখি আর তাদের কত রকমের ডাক। সবুজ ধানক্ষেতের উপর দিয়ে বাতাস ঢেউ খেলে যায়। আমার এসব দেখতে ভীষণ ভালো লাগে। শহরে মধ্যে বড় হয়ে ওঠা বহু বাড়ি ঠাসা এই শহর টা আমার মোটেই ভাল লাগতনা কিন্তু কি করার...। তাই দাদাবাড়ি যাওয়ার নাম শুনলেই আমার মন চার দেওয়ালের মধ্যে আর বন্দী থাকতে চায় না।আমার মনে হয় যদি পাখির মত আমার ডানা থাকত তবে আমি কতবার যে উড়ে চলে যেতাম সেই গ্রামে হিসেব নেই।
তবে আমার গ্রামে যাওয়ার জন্য আমার এত আকর্ষণের পিছনে অবশ্যই অন্য একটা কারনও ছিলএবং সেটা হল শীউলি আমার বড়চাচার মেয়ে আর রতন আমার বন্ধু।আমরা তিনজন একই বয়সে প্রাই। আমার অতি প্রিয় দুই-বন্ধু। আমার মেঝো চাচার শুশুরবাড়ি পাশের গ্রা্মে -রতন সেখানে থাকে। রতন আমার মেঝো চাচার স্কুলে পড়ে। মেঝো চাচার কাছে প্রাইভেট পড়তে আসে। সেই সূত্রেই রতনের সাথে পরিচয় এবং গভীর বন্ধুত্ব। বন্ধুত্বের নিদর্শন হিসেবে রতন আমাকে দিয়েছিল কতগুলি মার্বেল, চাকা -সিক আর শীউলি দিয়েছিল দুটো পাকা কামরাঙ্গা ফল আর আমলক্কি। আমি সেদিন বলেছিলাম আমলক্কিকে এটা কি ফল? কোনদিন তো খাইনি, দেখিওনি এত কষ্টা। রতন হেসে পকেট থেকে একটা কাগজের পুটলি বের করে তা থেকে লবণ নিয়ে কামরাঙ্গার গায়ে মাখিয়ে দিল আর আমলক্কি খেতে দিয়েছিল। আমাকে একটা গুল্তিও উপহার দিয়েছিল সেদিন রতন। আর আমি শীউলিকে আর রতনকে দিয়েছিলাম অনেগুলি চকলেট। রতন চকলেট গুলি হাতে নিয়ে বলেছিল- আমি কোনদিন এমন চকলেট দেখিনি, খাইওনি ।তোমরা বুঝি খুব বড়লোক আমি হেসে বলেছিম ধুর বোকা ,বড় লোক হলে কি আর গ্রাম ছেড়ে বাইরে থাকতাম? আমি আবার হেসে বলেছি- খাও, আবার যখন আসব তখন আবার নানা রকমের চকলেট নিয়ে আসব।
শীউলি আর রতন আমাকে নিয়ে আমবাগান, কাঁঠালবাগান, নদীর ঘাট, পোড়া রাজার বাড়ি, কালীবাড়ি, সব ঘুরিয়ে নিয়ে আসে। গুলতি দিয়ে ধান ক্ষেতের পাখি উড়াই। এন্ডি গাছের ডাল ভেঙে তা দিয়ে রাজ ফড়িং ধরা। ফড়িংয়ের লেজে সুতো বেঁধে উড়িয়ে দিয়ে হেলিকপ্টার হেলিকপ্টার খেলে। একবার চারটে চড়াই পাখির বাচ্চা ধরে এনে রতন আমার হাতে দিয়েছিল। এসবে আমার ভারি মজা হয়। আমরা যে ক'দিন দাদাবাড়ি থাকি রতন সে কদিন ওর স্যারের বাড়িতে খাওয়া দাওয়া করে। দুপুরে আমার সাথে ঘুমায়। স্বাভাবিকভাবে সেই রতনের টানেও আমার দাদাবাড়ির প্রতি একটা বড় আকর্ষণ কাজ করে।
এবার আসি আসল গল্পে-আমরা ভোরবেলায় ট্রেন থেকে নেমে ভ্যান রিক্সায় মালপত্র উঠিয়ে আর একটা ভ্যান রিক্সায় আমি, ছোট বোন মনি আর বাবা-মা রওনা দিলাম দাদাবাড়ি উদ্দেশ্যে। খেজুরের রসে চিড়ে মুড়ি মেখে প্রাতরাশ সেরে আমি মেঝো চাচাকে জিজ্ঞাসা করলাম - রতন জানে যে আমি এসেছি? ও কখন আসবে? একটু পরে আমাকে ওদের বাড়ি নিয়ে যাবে? মেঝোচাচা হেসে বললো -বাবা সোনার কত প্রশ্ন! কোনটার উত্তর আগে দেবো তাই ভাবছি। আচ্ছা বেশ, আসল কথাটাই আগে বলি শোন, তোমার বন্ধু রতন এখন আর এখানে আসে না। আমি অবাক হয়ে জিজ্ঞাসা করলাম -কেন? চাচা বলল- সে কথাটাই তো বলছি।রতনের আমাদের বাড়ি আসতে হলে একটা দোলা মধ্যদিয়ে ছোট হাল্কা বনের মধ্য দিয়ে আসতে হয়। ওটা শর্টকাট রাস্তা, তা না হলে অনেকটা পথ ঘুরে আসতে হয়। ওদের গ্রামের সবাই আমাদের গ্রামে আসতে হলে ওই শর্টকাট রাস্তা ধরেই আসা-যাওয়া করত। আমার তর সইছিল না। আরো কাছে এসে বলল - তাই কি হয়েছে মেঝোআব্বু?
image source
মেঝোআব্বু ফোকলা দাঁতে এক ঝলক হাসি দিয়ে বলল- আরে বাবা বলছি তো! শোনো না মন দিয়ে। কিন্তু এখন আর কেউ ওই রাস্তায় যাতায়াত করে না। আসলে ওই বনে নাকি একটা প্রেতাত্মার আবির্ভাব হয়েছে। আমি প্রশ্ন করলাম- প্রেতাত্মা মানে স্পিরিট- গোস্ট? চাচা বললো- হ্যা! তারপর থেকে ওই গ্রামের কেউ আর ওই রাস্তা ব্যবহার করে না। দিনের বেলা কখনো দলবেঁধে যাতায়াত করলেও সন্ধ্যের পর থেকে কেউ আর ওই পথ ব্যবহার করে না। আমি মুচকি হেসে বল্লাম- ধ্যাৎ! গোস্ট বলে কিছু আছে নাকি! চাচা এবার একটু রাগত স্বরে বলল - ওঃ! তুমি কি শুনবে নাকি….! আমি বললাম- সরি সরি মেঝোআব্বু আর কথা বলব না। আসলে আমার খুব হাসি পাচ্ছে। মেঝোআব্বু বলে চলল - গত মার্চ মাসে আমাদের এখানে ভূমিকম্প হয়েছিল সেটা তো জানো। ওই বনে রাজ রাজাদের আমলে একটি বহু পুরনো মন্দির ছিল। মন্দিরটা ভাঙাচোরা অবস্থায় ছিল। তা ভূমিকম্পে একেবারে মাটির সঙ্গে মিশে গেছে। ওই সময় ওই মন্দিরে নাকি এক পুজারি পুজো করছিলেন। সে বড় বড় পাথরের টুকরোতে চাপা পড়ে মারা যায় বলে শোনা গেছে। তার আত্মা নাকি ওই মন্দির চত্বরে ঘুরে বেড়ায়। অনেকেই নাকি ঘন্টা বাজানোর শব্দ শুনতে পায়। অনেকে নাকি পুজরির মন্ত্র উচ্চারণ এর আওয়াজও শুনতে পায়। তাই সেই ভয়ে কেউ আর ওই পথে হাঁটে না।
ঘটনাটা শুনে আমার খুব চিন্তা হল।ভাবলাম, যেমন করেই হোক ভুত-প্রেত সম্বন্ধে ভুল ধারণাটি রতনের ভাঙাতেই হবে। আমি তার পরদিন নিজেই চলে গেলাম রতনের বাড়ি। আমাকে দেখে রতন তো অবাক! আমাকে জড়িয়ে ধরে বললো -্তুমি,তুমি তো সব শুনেছ। এইজন্য তো আর স্যারের বাড়ি যাও না। বাবা আমাদের গ্রামের বুলু মাস্টারের স্কুলে আমাকে ভর্তি করে দিয়েছে। আমি হেসে বললাম- রতন, তুমি বিশ্বাস করো ভুত-প্রেত বলে কিছুই নেই। আমার কথা রতন কিছুতেই বিশ্বাস করলো না। বলল- তাহলে আমার মা-বাবা -দাদা যে আমাকে কত ভূতের গল্প বলে! তাছাড়া বইতেও তো আমরা কত ভূতের গল্প পড়েছি সেগুলি কি তাহলে মিথ্যা? আমি বল্লাম- বেশ, তোমার যদি বিশ্বাস না হয় ভূত বলে কিছু নেই তাহলে তুমি আমার সঙ্গে চলো ওইখানে। তোমার কোন ভয় নেই। আমি তো ঐ রাস্তা দিয়েই এলাম! আমার একথা শুনে রতন আঁতকে উঠল। একটু থেমে বলল -তোমার কি মাথা খারাপ হয়েছে ওখানে আমি মরতে যাব নাকি? তুমি যাও,কিন্তু আমি যাব না। তাছাড়া মা বাবা জানতে পারলে আমাকে আর আস্ত রাখবে না। আমার খুব ভূতের ভয়। আমি রতনের কাঁধে হাত রেখে বলি -তুমি না আমার বন্ধু, আমি থাকতে তোমার কোন ভয় নেই। আমাকে বিশ্বাস করো। আমি অনেক এরকম রহস্যের বই পড়েছি এবং আমি সত্যটা জানি। চল আমার সাথে। রতন আর না করতে পারল না। বলল -দাঁড়াও! ঘরের থেকে একটা লোহার চাবি আর একটা শুকনো লঙ্কা নিয়ে আসি। আমি অবাক হয়ে জিজ্ঞাসা করলাম -এগুলো দিয়ে কি হবে? রতন বলল -এগুলো সঙ্গে রাখলে ভুত-প্রেত কেউ স্পর্শ করতে পারে না। আমার বুক ফেটে হাসি আসলেও ও চেপে গেল। মনে মনে ভাবলাম-বেশ তাও তো যাচ্ছে সঙ্গে।
image source
আমরা দুই বন্ধু সেই দোলাটির বনের পথে প্রবেশ করলাম। রতন ভয়ে আমাকে হাত চেপে ধরেছে। আর এক হাতের আঙ্গুলের সাত কর ধরে বিড়বিড় করে কি যেন মন্ত্র আওড়াচ্ছে। রতনের কান্ড দেখে আমার খুব হাসি পাচ্ছিল। অনেকদিন রাস্তাটা ব্যবহার না হওয়াতে পাশের জঙ্গলের ডালপালাগুলো রাস্তায় এসে পড়েছে। রাস্তাটাও ঘাসপাতায় প্রায় বুজেই গেছে। সূর্যের আলো পাতার ফাঁক-ফোকর দিয়ে গাছপালার উপর পড়েছে। শনশন করে জোড়ালো বাতাস বইছে। গাছের ডালপালায় সেই বাতাস বাধা পেয়ে একটা গা ছমছমে কেমন শব্দ সৃষ্টি করছে। একটানা ঝিঁঝিঁ পোকার ডাক, নাম-না-জানা পাখিদের কর্কশ ডাক সবকিছু মিলে একটা অদ্ভুদ ভৌতিক পরিবেশ সৃষ্টি করেছে।
আর এই পরিবেশে যে রতনের ভয়ে শরীর অবশ হয়ে আসছে তা বুঝেতে আমি মনে মনে বেশ মজাই পাচ্ছিল। মন্দিরের দিকে যে সরু পথটা মূল রাস্তা থেকে বাঁক নিয়েছে, সেই বাঁকে প্রবেশ করতেই রতন আমার হাত টেনে ধরে বললো - তুমি যাও, আমি আর যাব না। চলো ফিরে যাই। আমি বললাম - কেন? রতন কান্না ভেজা গলায় বলল- ওই যে শুনতে পাচ্ছ না ঘন্টার আওয়াজটা? আমি আগেই আওয়াজটা শুনতে পেয়েছি। যে দিক থেকে আওয়াজটা আসছিল সেদিকে কান টা ভালো করে পেতে আম শুনতে পেলাম সত্যিই একটা ঘন্টা বাজার আওয়াজ শোনা যাচ্ছে, কখনও তা আস্তে আবার কখনো তা বেশ জোরে জোরে হচ্ছে।
আবার কিছুক্ষণ শব্দটা শোনা যাচ্ছে না। এদিকে ভয়ে রতনের প্রায় মূর্ছা যাওয়ার অবস্থা হল। রতন আমাকে জাপটে ধরলো দুই হাত দিয়ে। এক মুহূর্তে রতনের চেহারাটা পাল্টে গেল। আমি রতনকে বুকের মধ্যে জড়িয়ে ধরে বললাম- রতন, এত ভয়ের কি আছে? আমিও শুনলাম শব্দটা। কই আমি কি তোমার মত করছি? দাঁড়াও! মনে সাহস রাখো। আমি আছি তো। আমাদের আগে দেখতে হবে শব্দটা কোথা থেকে আসছে এবং এর উৎসটাই বা কি। এই বলে রতন সেই শব্দ অনুসরণ করে এগিয়ে গেল। হঠাৎ একটা প্যাঁচা শব্দ করে ওদের মাথার উপর দিয়ে উড়ে গেল। একটা চালতা গাছের ডালে এক ঝাঁক বাদুর বসে ছিল। ওদের পায়ের পাতায় শাল শিমুলের শুকনো পাতা মাড়ানোর আওয়াজ শুনে সব একসাথে বীভৎস চিৎকার করে কোথায় উড়ে গেল। এবার রতন ভয়ে কেঁদেই ফেলল। আমি রতনকে সাহস দিয়ে বললাম- রতন, কোন ভয় করো না। শব্দটা একবার হতে দাও। আমি ঠিক এর রহস্য উদঘাটন করবোই করবো। এমন সময় আবার হঠাৎ জোরালো বাতাস শুরু হলো, আর ঘন্টার আওয়াজটা একেবারে ওদের কানের কাছে এসে যেন বাজতে লাগলো। কান খাড়া করে পরিষ্কার বুঝতে পারল শব্দটা ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকা মন্দিরের বড় বড় পাথরের ভেতর থেকে উঠে আসছে। রতন সেই শব্দ অনুসরণ করে একটা প্রকাণ্ড পাথরের চাঁইয়ের দিকে এগোতেই আনন্দে চিৎকার করে উঠলো -রতন, তোমার ভূত এবার আমার হাতের মুঠোয়! ইয়া! এই দেখো, আমার দিকে এসো। সাবধানে পাথরের উপর পা ফেল। বড্ড পিছলা হয়ে গেছে পাথরগুলি। এই বলে রতনের হাতটা ধরে ওই একটা প্রকাণ্ড পাথরের সামনে নিয়ে আসতেই রতনের ভয়টা এক মুহূর্তে কোথায় উড়ে গেল। দেখল একটা ঘন্টা অদ্ভুতভাবে ওই পাথরটায় আটকে ঝুলছে, আর জোরে বাতাস দিলেই তা দোল খাচ্ছে, আর তখনই আওয়াজটা হচ্ছে। আর সেই আওয়াজ ধ্বনি প্রতিধ্বনি হয়ে চারিদিকে ছড়িয়ে পড়ছে। হতবাক রতন আমাকে বলল -আমি তো বিশ্বাসই করতে পারছিলাম না তোমার কথা।
তুমি তো দেখছি অনেক সাহসি! হঠাৎ রতনের মুখটা আবার কেমন হয়ে গেল। আমি বুঝলাম রতন নিশ্চয়ই আবার অন্য কিছু চিন্তা করছে। আমার দিকে তাকাতেই রতন কাচুমাচু হয়ে বলল- তুমি, ঘন্টার ভৌতিক রহস্যের ব্যাপারটা তো বোঝা গেল, কিন্তু সবাই যে বলে পুজারির মন্ত্র নাকি মাঝে মাঝে শোনা যায়! আমি হো হো করে হেসে বললাম- রতন শোনো, মানুষের স্বভাব হলো সামান্য বিষয়কে বাড়িয়ে বলা। মন্ত্র-টন্ত্র কিছুই কেউ কোনোদিন শুনে নি। এই ঘন্টার ধ্বনির সাথে গুজব হিসেবে এগুলো ভীতু মানুষেরা রটনা করছে। ভূত বলে কিছু নেই। যে কোনো রহস্যের পেছনে কোনো না কোনো বৈজ্ঞানিক কারণ থাকে এবং যতক্ষণ আমরা সেই কারণ খুঁজে বের করতে না পারি ততক্ষণ সেটা রহস্য বা এরকম ভৌতিক ব্যাপার হিসেবে মানুষ মনে করে। তবে রতন, এর চাইতেও যে কঠিন কাজটা আছে তা কিন্তু তোমাকেই করতে হবে। রতন অবাক হয়ে বললো- কি কাজ? আমি রতনের কাঁধে হাত রেখে বল্লাম- বন্ধু এবার তোমার গ্রামে গিয়ে গ্রামের প্রতিটি মানুষকে ব্যাপারটা বলতে হবে, বুঝাতে হবে যে ভূত বলে কিছু নেই। বিজ্ঞানকে বিশ্বাস করাতে হবে। এরপর দুই বন্ধু মহানন্দে ফিরে এলাম আমার দাদারবাড়ি। ফিরে এসে সেই বনের গল্প করলাম আমার চাচিদের সামনে ,তারার প্রথমে আমার সেখানকার উপস্থিতি নিয়ে ঘাবরে গেছিল।মা তো শুনেই অবাক-মাকে বলেছিলাম বাবাকে যেন না বলে।সেই থেকে রতন আর ভুত বিশ্বাস করে না। বললাম ভূত -পেন্তি বলতে কিছু নেই এই পৃথিবীতে।
একটি প্রবাদ আছে" মানুষের ব্যবহারিক জ্ঞান, অভিজ্ঞতা বা উপলব্ধি থেকে জন্ম নেয়"।
আর কথাইয় আছে "ইচ্ছে থাকলে উপায় হয় আর -উদ্দেশ্য হাসিলের জন্য ইচ্ছাই যথেষ্ট, পরিবেশ যতই প্রতিকূল হোক না কেন কাজে নেমে পড়া, জানিতো ইচ্ছে থাকলে উপায় হয়।"