ঘুম আমাদের জীবনের একটি অতিব প্রয়োজনীয় জিনিষ। সারাদিনের ক্লান্ত পরিশ্রান্ত শরীর কে বিশ্রামের জন্য প্রয়োজন একটা ফ্রেশ ঘুমের। কিন্তু আধুনিক সভ্যতার এই যুগে আমরা সকলেই রাতজাগা প্রাণীদের মতোই রাত জাগতেই যেন বেশি পছন্দ করি। এমন কি এখন আমরা এমন এক পর্যায়ে চলে এসেছি যে , আমাদের কোন গুরুত্বপূর্ণ কাজ না থাকলেও আমরা রাত জেগে স্মার্টফোন অথবা ল্যাপ্টপের স্ক্রিনে অপ্রয়োজনীয় বিষয়ের তদারকি শুরু করি। এতে করে যেমন এটা আমাদের শরীরের উপর বিরুপ প্রভাব পড়ে তেমনি আমাদের মস্তিষ্কের উপরও বিরুপ প্রভাব ফেলে। তবে খুব সহজেই কিছু পন্থা অবলম্বন করে আমাদের রাতের রুটিনে পরিবর্তন এনে আমাদের লাইফ স্টাইল কে পরিবর্তন করতে পারি ।
রাতে ঘুমানোর আগে আমরা কিছু সময়ের জন্য বই কিংবা বিভিন্ন ব্লগ পড়ার অভ্যাসটি গড়ে তুলতে পারি।এটি আমাদের স্বাস্থ্যের জন্য খুবই কার্যকর এবং বৈজ্ঞানিক গবেষণায় তা প্রমাণিত।বিজ্ঞানীরা বলে থাকেন যে, আমাদের সারাদিনের ক্লান্তি অথবা অবসাদগ্রস্থ মনের জন্য যে মানসিক চাপ তৈরি হয় ঘুমানোর আগে কিছু সময় বই পড়াই পারে এই মানসিক চাপ অনেকাংশে কমাতে।এটা গবেষনাই প্রমানিত।তাই সারাদিনের ক্লান্ত মস্তিষ্ককে ফ্রি করতে ঘুমানোর আগে ফেসবুকিং না করে কিছু সময় বই অথবা বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ আর্টিকেল পড়ার আভ্যাস গড়ে তুলি। এতে আমাদের জ্ঞ্যানের ভান্ডার ও সমৃদ্ধ হবে। নিজের মন কে ঘুমানোর আগে মোটিভেট করতে প্রেরণা বা উৎসাহমূলক কোনো গল্প বা মহৎ ব্যক্তিদের জীবন নিয়ে লেখা কোনো ব্লগ বা বই পড়তে পার।
রাতে ঘুমানোর ৬ ঘণ্টা আগ পর্যন্ত কফি পান তোমার ‘দেহের নির্দিষ্ট গতিপথকে বেশ বাধাগ্রস্থ করে দিতে পারে এবং তোমার মানসিক চাপও বেড়ে যাতে পারে, এটার ফলে দেহের সেরোটনিন নামক হরমোনের মাত্রাও কমে যায় , যার ফলে খুব সামান্য কোনো কারণেই মানুষ ডিপ্রেশনে ভুগতে থাকে। তবে দিনের বেলায় নির্দিষ্ট মাত্রায় কফি পান করা ভাল।তাছাড়াও রাতের বেলা ক্যাফেইন যুক্ত পানীয় মানুষের স্বাভাবিক ঘুম কে ব্যহত করে। তাই এখন থেকে সন্ধ্যার পর থেকে কফি কে না বলি।