পরীক্ষার সময় আসলে আমাদের মাথায় কাজ করে না। শুধু একটা চিন্তাই মাথাই ঘুরপাক খেতে থাকে পড়া কমপ্লিট করতে হবে, পরীক্ষায় ভাল রেজাল্ট করতে হবে। সারাদিন মাথার ঘাম পায়ে ফেলে পড়ে যাচ্ছি, কিন্তু পরীক্ষায় গিয়ে দেখা যায় রেজাল্টটা আশানুরূপ আসছে না। কিভাবে পড়লে পড়া ঠিক ভাবে কাজে আসবে? কিভাবে পরীক্ষায় ভাল ফল পাওয়া যাবে? ঠিক এই কথাগুলোই জানতে ইচ্ছা করে।যখন hardly study করেও ভাল ফলাফল হচ্ছে না তখন study হয়ে যাক smartly।আর কিভাবে smartly study করা যাই তাই নিয়ে আলোচনা করব আজকের পাঠে।
দেখা যাচ্ছে কয়েক ঘণ্টা একনাগাড়ে পড়ছো, এর জন্য মাথাটা একটু ঝিম ধরে আছে। তো এখন তোমার মাথার ঝিম ধরটা কাটাতে তোমাকে একটা কাজ করতে হবে । কাজটা হল খানিকটা সময় ঘুমিয়ে নিয়া । ২০ - ৩০ মিনিটের ঘুম তোমার মস্তিষ্ক কে একটু বিশ্রাম পাবে। এর ফলে এতক্ষণ যা পড়েছো, তা তোমার মাথাই নিজে নিজেই আরেকবার ঘুরে আসবে। এতে দীর্ঘ সময় পর্যন্ত পড়াটা মনে থাকবে।
তাই পড়ার মাঝে একটু ঘুমিয়ে নাও।
পরীক্ষা আসলে আমাদের প্রত্যেকের মধ্যে একটা জিনিষ লক্ষ্য করা যায় যে, আমরা সকলেই রাত জেগে পড়ি। রাতে ঠিকভাবে ঘুমায় না। আবার কেউ কেউ তো ভোররাত পর্যন্ত জেগে থাকে। কিন্তু এটা একদমই উচিত না। রাতে আমাদের নিউরনের দরকার পর্যাপ্ত পরিমানে বিশ্রাম,অর্থাৎ পর্যাপ্ত পরিমান ঘুম। এমন কি সমীক্ষায় দেখা গেছে, যেসব স্টুডেন্ট রাত জেগে পড়ে তাদের থেকে দিনে পড়ুয়া ছেলেমেয়েদের রেজাল্ট বেশি ভালো হয় । তাই আজ থেকে আর রাত জেগে পড়া নয় এখন থেকে রাতে ঘুমানো চাই।
২ ঘণ্টা মনোযোগ সহকারে না পড়ার থেকে ২০ মিনিট সম্পূর্ণরুপে মনোযোগ দিয়ে পড়া বেশি কার্যকারী । পড়ার সময় মন অন্যদিকে চলে যাবে এটা খুব স্বাভাবিক ব্যাপার। কিন্তু ফাইন্ড আউট করতে হবে যে,ফোকাস টা কোন দিকে যাচ্ছে? এবং সেই জিনিষ থেকে দূরে থাকতে হবে। ধরো, পড়ার সময় বারবার ফোনের দিকে নজর গেলে ফোনটা অফই করে দাও। কোন কিছুর আওয়আজে যদি সমস্যা হয় তাহেলে স্থান পরিবর্তন করে নিরিবিলি কোথাও চলে যাও।
যখন আমাদের পড়তে ভাললাগে তখন আমরা সধারনতো সহজ বিষয় বা যেটা পড়তে ভাল লাগে সেটা পড়ি। আর কঠিন টপিকটি সবার শেষে রেখে দিই, কিন্তু এটা ভুল! আগে পড়তে হবে সবচে’ কঠিন বিষয়টি ।এতেকরে কঠিন বিষয়টি আগে পড়া হয়ে গেলে সহজ গুলো পড়তে ভাললাগবে।
Source
নিয়মিত মেডিটেশন করি। কেননা মেডিটেশন আমদের ধৈর্য্য শক্তি বৃদ্ধি করে।এবং মেডিটেশন নিউরনের কার্যক্ষমতা কে অনেকাংশে বৃদ্ধি করে দেই যার ফলে আমদের পড়ালেখার প্রতি মনযোগ বৃদ্ধি পাই এবং দীর্ঘ সময় মনে রাখতেও সাহায্য করে।