হ্যালো বন্ধুরা,,,
আশা করি সবাই ভাল আছেন। আমিও আল্লাহর রহমতে অনেক ভাল আছি। আজকে আমি beauty of creativity কমিউনিটি তে রক্তের পিএইচ নিয়ন্ত্রণ সম্পর্কে আলোচনা করব। আশা করি সবাইকে ভালো লাগবে। তো বন্ধুরা চলুন শুরু করা যাক।
পিএইচ (PH) হচ্ছে হাইড্রোজেন আয়ন ঘনত্বের একটি পরিমাপক। নিরপেক্ষ পিএইচ হচ্ছে 7.0, এসিটিএইচ হয় 7-এর নিচে, আর ক্ষারীয় পিএস হচ্ছে 7- এর উপরে । কিছু রাসায়নিক পদার্থ দ্রবণের পিএইচ (PH) এর পরিবর্তন কে প্রতিহত করতে সক্ষম। এসব পদার্থকে বলে বাফার। রক্তের প্লাজমার স্বাভাবিক পিএইচ 7.4 এর মাত্রা যথাসম্ভব বজায় না রাখলে মারাত্মক বিপর্যয় ঘটে যেতে পারে।
দেহে ঘারছে এসি বেশি উৎপন্ন হয়। অতএব এসিডিটি কমানোর বিষয়টি অন্তত জরুরি। এসিডিটি বেড়ে যাওয়ার একটি কারণ হচ্ছে কোষীয় শাসনের উৎপন্ন CO2. এটি দ্রবীভূত হয়ে H2CO3 (কার্বনিক এসিড) নামে একটি দুর্বল এসিড এ পরিনিত হয়। এটি ভেঙ্গে H+ ও HCO3 (হাইড্রোজেন কার্বনেট আয়ন) উৎপন্ন হয় । CO2 এর ঘনত্ব বেশি হয়ে গেলে পরিত্রাণ পেতে পরিবর্ত সাড়া হিসেবে শ্বাস-প্রশ্বাসের হার বেড়ে যায় । HCO3বাফার হিসেবে কাজ করতে পারে; কারণ , H+ এর ঘনত্ব বেশি হয়ে গেলে এগুলো H+ সাথে যুক্ত হয়ে H2CO3 গঠন করে।
রক্তে H2CO3 ও ফসফেট বাপার অতিরিক্ত H+ প্রতিরোধে সাহায্য করে । এ কারণে রক্তের ( পিএইচ) কমে না। প্লাজমার স্বাভাবিক (pH) এ যেন পরিবর্তন না ঘটে সে উদ্দেশ্যে নেফ্রনের প্রক্সিমাল ও ডিস্টাল পেঁচানো নালিকা এবং সংগ্রহে নালী নিম্নোক্ত দু'ভাবে কাজ করে।
ধন্যবাদ বন্ধুরা। আশা করি সবাইকে ভালো লাগবে। এবং আমার জন্য দোয়া করবেন আমি যেন পরবর্তীতে এরকম আরো কিছু বিষয় আপনাদের মাঝে শেয়ার করতে পারি করতে পারি।