হ্যালো বন্ধুরা
আশা করি সবাই ভাল আছেন। আমি আল্লাহর রহমতে অনেক ভাল আছি। আজকে আমি আপনাদের মাঝে শেয়ার করব যারা ধূমপান করে ও ধুমপান করেনা সেসব মানুষের ফুসফুসের এক্স-রে তুলনা । তো বন্ধুরা চলুন শুরু করা যাক।
ধূমপায়ী ও অধূমপায়ী মানুষের ফুসফুসের এক্স-রের তুলনা
ফুসফুসের এক্স-রে চিত্রের তুলনা এক্স-রে চিত্রের মাধ্যমে ধূমপায়ী ও অধূমপায়ী মানুষের ফুসফুসের মাধ্যমে পার্থক্য নির্ণয় :
Source
সাদা কালো দাগ:
অধূমপায়ীর ফুসফুসের এক্সেল চিত্রের কালো দাগ ও সাদা দাগ এর মাধ্যমে সুস্পষ্ট বিভেদন দেখা যায। অপরূপ ধূমপায়ী ফুসফুসের কালো দাগগুলো অস্পষ্ট হয়ে যায়।
প্রাচীর:
ধূমপায়ীদের ফুসফুস ও অ্যালভিওলাসের প্রাচীর পাতলা ও দুর্বল হয়ে যায় যা এক্স এর চিত্র পরিলক্ষিত হয়। অধূমপায়ীদের ফুসফুস ও অ্যালভিওলাসের প্রাচীন এক্সরে স্বাভাবিক ও সবল দেখায়।
এমফাইসিমা:
সিগারেটের ধোঁয়া ফুসফুসের অ্যালভিওলাই ধ্বংস করে ভেতরে ফাঁকা স্থান সৃষ্টি করে। এদের এমফাইসিমা বলে। ধূমপায়ীদের ফুসফুসের এক্সেল সূত্র এমফাইসিমা চিত্র দেখা যায়। অপরদিকে ধূমপায়ীদের ফুসফুসের এমফাইসিমা চিত্রা চিত্র দেখা যায় না।
টিউমার:
ধূমপায়ীদের ফুসফুসের এক্সএলএস চিত্রে অনেক সময় ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র টিউমার উপবৃদ্ধির চিহ্ন দেখা যায়। অধূমপায়ীদের ক্ষেত্রে কোন চিহ্ন দেখা যায় না।
তো বন্ধুরা সিগারেট একটি অস্বাস্থ্যকর দ্রব্য। যা খেলে মানব দেহের ক্ষতিকর। যার কিনা নিজের গায়ে নিজের দুর্নাম লেখা থাকে, তবুও আমরা না বুঝেশুনে খেয়ে থাকি। তো বন্ধুরা আমি আপনাদের সবার কাছে অনুরোধ করছি সিগারেট বা নেশা জাতীয় জিনিস খাবেন না। এতে শরীরের জন্য অনেক ক্ষতিকর।