দুদিন কলকাতার গরম বুঝিয়ে দিচ্ছে প্রকৃতির মুড ভালো নেই।

Words
422
Reading
2 min
Listen
Play
5y

IMG-20210404-WA0008.jpg

বন্ধুরা,
কেমন আছেন সবাই? আশাকরি ভালো আছেন, সবরকম সাবধানতা অবলম্বন করছেন। বিগত দুদিন ধরে তাপমাত্রা এতোটাই ঊর্ধ্বমুখী যে প্রাণ বেরিয়ে যাবার উপক্রম।
বুঝতে পারছি না করোনা টেনে নিয়ে যাবে? নাকি গরম এর ফলে হিট স্ট্রোক? দুটো থেকে কোনক্রমে বেঁচে গেলেও; না খেতে পেয়ে শুকিয়ে শুকিয়ে চলে যাবোই!

কিন্তু এই মুহূর্তে ঘরে বসে লোডশেডিং এর প্রকোপ ঝেলতে ঝেলতে (না বাপু সইতে সইতে লিখতে পারলাম না, এতো কিছু আগে থেকেই সইছি)।
যাক গে যাক, যা বলছিলাম; হ্যাঁ ওই লোডশেডিং এর কথা।

আরে মশাই বলা নেই, কওয়া নেই ইচ্ছে মত আসছে আবার যখন খুশি কোনো অগ্রিম জানান না দিয়েই দুম করে হওয়া!

এদিকে মাসের বিল গুনতে গুনতে পকেট এর অবস্থা মা ভবানী।

গরমে শরীরের নানান জায়গা দিয়ে এহেন জল বেরোচ্ছে, ভাবছি আলাদা একটা ট্যাঙ্কি কিনে সেখানে জল জমা করবো, অন্তত গাড়িটা ধুতে কাজে লেগে যাবে।

কোনো কিছুই ফেলার নয় বুঝলেন, ঘাম ঝরিয়ে যখন অর্থ রোজগার করে গাড়ি কিনেছি তখন তাকেও একটু গন্ধ শুকিয়ে বোঝানো উচিত মানুষ হাওয়া মুখের কথা নয়।

IMG-20210329-WA0018.jpg

যাক বেশি একটা ঘেন্না ঘেন্না কথা হয়ে যাচ্ছে!

দুদিন ধরে যে গরম পড়েছে মনে হচ্ছে পৃথিবী বেশ রেগে গেছে; যেনো বলার চেষ্টা করছে মামদবাজি করে আর কতদিন চলবে?

ইচ্ছে মত নিজের মনের সুখে গাছ গাছালি কেটে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে ! সেটা কি বাপের সম্পত্তি মনে করে? বলি নিজের মাথায় চুল না থাকলে টাকে রোদ পড়লে কেমন লাগে?

আমার বুক থেকে গাছ গুলোকে উপড়ে নেবার পর আমার মাথা গরম হওয়াটা স্বাভাবিক।

কানাঘুষো শুনছি, সেইদিন মঙ্গল গ্রহের সাথে কথা চালাচালি হচ্ছিল, পৃথিবী বলছিলো, যদি তোর কাছে জল থাকে লুকিয়ে রাখবি, খবরদার মানুষগুলো টের না পায়।

টের পেলে আর রক্ষে নেই; সোজা সদলবলে এ এসে, সূঁচ হয়ে ঢুকবে আর ফাল হয়ে বেরোবে বলে দিলাম।

আমার অবস্থা দেখে শিক্ষা নিস, ডাইনোসর দের জায়গা দিয়েছিলাম; কিন্তু কিছু কিছু ডায়নোসর এমন গাছ গাছালি খাচ্ছিল, ভাবলাম বিদায় দিয়ে মানুষ আনি;

ডাইনোসর এর থেকে চেহারা পত্তর অনেক ছোট, কতই বা আর বেশি ক্ষতি করবে!

IMG_20210517_220331.jpg

কিন্তু তখন তো বুঝিনি যে আমার জায়গা থেকে আমার ছাউনী উচ্ছেদ করে সব ধ্বংস করবে।

যাক আমি ও কি ছাড়বার পাত্র! দিলাম সুনামি, শুধরালো না;
তারপর কত খরা, বন্যা, দুর্যোগ, এর আগেও বহুবার দিয়েছি।

কিন্তু কীকরে যেনো ফাঁক ফোকর দিয়ে বেরিয়ে গেছে সব কিছু থেকে বেঁচে।
দেখি যদি এইবার করোনা দিয়ে ব্যাটাদের বধ করতে পারি !

নয়তো, যে হারে আমার ছাউনী কাটছে নিজেরাই একদিন জল কষ্টে নিজেদের ভবলীলা সাঙ্গ করবে, ওই যে, মানুষগুলো কথায় কথায় কি যেনো বেশ বলে! "অতি চালাকের গলায় দড়ি!"

যাক আমিও মানুষ তাই কথা গুলো পেটে চেপে রাখতে পারলাম না, আপনাদের কাছে পেরেই ফেললাম।

আসি তাহলে, ওই! ওই! ওই! আবার গেলো! কি আবার কারেন্ট!
আসলাম আজ নমস্কার!
কই গো হাত পাখাটা দাও, তোমায় হওয়া করি।