প্রতিদিন করণার থাবা ক্রমশ এগিয়ে আসছে ।

Words
315
Reading
2 min
Listen
Play
5y

IMG-20210329-WA0019.jpg

বন্ধুরা,
আগামীদিনে করোনা পরিস্থিতি কোথায় গিয়ে দাঁড়াবে জানা নেই।
প্রতিদিন খবর পাচ্ছি, আশেপাশে করোনা আক্রান্তের সংখ্যাটা দীর্ঘতর হয়েই চলেছে।

বর্তমান এ আমার এবং আমার পরিবারের সহাবস্থান প্রায় করোনার সাথে বলা যায়।

জানালা দিয়ে উঁকি দিলেই করোনা আক্রান্তের ঘর দেখা যাচ্ছে।

কি আশ্চর্য্য দিন উপস্থিত হলো মানব সমাজের জন্য।

মহামারী যে কোন জায়গাতে শেষ পর্যন্ত নিয়ে গিয়ে দাঁড় করবে কে জানে।

আজ পরিচিত মানুষ অপরিচিত হয়ে গেছে, নিজের বলে কিছু আর নেই, কারণ করণায় মৃত আপনকে মুখাগ্নি দেবার সুযোগটাও আজ পাচ্ছে না অনেকেই।

এমনকি আক্রান্তকে দূরে রাখার পরামর্শই দেওয়া হচ্ছে।

কি হলো এত আমি আর আমার করে, না আমি রইলো না আমার।

অর্থ আজ কোনো কাজেই সেই অর্থে আসছে না। যদিও কোনো দিন ই অর্থ দিয়ে জীবন কেনা যেত না, তবুও একশ্রেণীর মানুষ হয়তো আজ ও ভাবেন অর্থ দিয়ে নিজেদের জীবনকে কিনতে পারবেন।

IMG-20210227-WA0090.jpg

অথবা কিয়দাংশ নিজের আয়ুরেখা বৃদ্ধি করতে পারবেন; তাদের উদ্দেশ্যে বলতে চাই ভ্রান্ত ধারণা থেকে এই বার বেরিয়ে আসুন।

যে সময় এবং অদৃশ্য শত্রু এসে উপস্থিত হয়েছে, তাকে দমন আজ কেবল যথাযথ ঔষধ (যেটা সত্যি বলতে আজ ও আবিষ্কৃত হয়নি, সবটাই ভাওতা) এবং প্রার্থনা ই একমাত্র করতে পারে।

আমি যে নিয়ম মেনে চলি তার মধ্যে অন্যতম নিজেকে এবং নিজের বাড়িঘর এবং নিজের যথাসম্ভব চারপাশকে পরিচ্ছন্ন রাখা।

নিজের শরীরের রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি পাবে এমন সব খাদ্যাভ্যাস করা।

প্রচুর জল পান করা অবশ্যই দিনে দুবার উষ্ণ গরম জল। সাথে প্রচুর ভিটামিন সি যুক্ত খবর খাওয়া।

রাতে শোবার আগে উষ্ণ গরম জল এ গার্গল করতে পড়লে ভালো।

IMG-20210227-WA0075.jpg

নিজের বাড়িতে স্যানিটাইজ করা, এবং খুব প্রয়োজন হলেই বাইরে বেরোনো সাথে যথযুক্ত মাস্ক এর ব্যবহার।

বাইরের জামাকাপড় নিয়ে ফিরলে, বাথরুম এ গিয়ে প্রথমেই সেগুলোকে সাবান জল এ ভিজিয়ে দেওয়া, অবশ্যই জলটা যেনো হালকা হলেও গরম হয়।

তারপর স্নান করে ঘরে ধোঁকা, এবং যে জায়গা দিয়ে ঘরে প্রবেশ করলেন সেই স্থানকে পরিশুদ্ধ করা স্যানিটাইজার দিয়ে।

আশাকরি, এইবিষয় গুলো সবাই মেনে চলছেন, যারা এখনো বিষয়টি বিশেষ গায়ে মাখছেন না, তাদের উদ্দেশে ই আমার আজকের এই লেখা।

ভালো থাকবেন, সাবধানে থাকবেন সবাই।
নমস্কার।

প্রতিদিন করণার থাবা ক্রমশ এগিয়ে আসছে । | Ecency