হোমিওপ্যাথিক একটি সনাতন চিকিৎসা শিক্ষা পদ্ধতি। এই চিকিৎসার জনক হচ্ছে স্যামুয়েল হ্যানিম্যান। তিনি হচ্ছেন জার্মানির একজন খ্যাতনামা উচ্চ পদবীধারী এলোপ্যাথিক ডাক্তার। উক্ত চিকিৎসক সর্বপ্রথমে অনুমান করে চিকিৎসা করতেন। কিন্তু কিছু কিছু রোগী অনেক সময় রোগী ঔষধে রোগের কাজ হইতো না। তাই তিনি ভাবিলেন অনুমানের ভিত্তিতে চিকিৎসা বিজ্ঞানে করতে পারেনা। একদিন মেটেরিয়া মেডিকা তরজমা করিবার সময় দেখিলেন যে সুস্থ হইলে সিঙ্কোনা সেবন করিলে কম্পন জ্বর সেরে যায় তাই তিনি সর্বপ্রথম কম্পন জ্বরের ঔষধ আবিষ্কার করলেন। সেটা হলো সিঙ্কোনাই। পরিশেষে তিনি নিজেই ভেষজ দ্রব্য সেবন করিয়া যে যে লক্ষণসমূহ উৎপাদিত হয় তাহা পরীক্ষা করিতে লাগিলেন এবং কোন রোগ হইলে বিভিন্ন ভেষজ দ্রব্য সেবন করিয়া জীবের মাধ্যমে রোগটি হয় সেই অনুসারে তিনি হোমিওপ্যাথি ওষুধের বই লিখতে শুরু করেন![20200716_094029.jpg](
কিছুদিন এসব চিকিৎসা করাতে লক্ষ্য করলেন যে এক রোগের জন্য ঔষধ দিলে অন্য আরেকটি রোগের উপসর্গ লক্ষ করা যায় তাই তিনি আবার চিন্তা করলেন এর পাশাপাশি অন্য আনুষঙ্গিক রোগের যে লক্ষণ প্রকাশ পায়। তার চিকিৎসাও যেন করা প্রয়োজন তাই তিনি পাশাপাশি অন্য ভেষজ দ্রব্য দাঁড়াও চিকিৎসার জন্য বিভিন্ন পরীক্ষা পরিচালনা করেন এবং সফল হন। তবে এই হোমিওপ্যাথের ওষুধের পরিমাণ ও মাত্রা যতদূর সম্ভব স্বল্প পরিমাণে থাকে আর উপকারও হয় ততোধিক এবং ক্রিয়া শক্তি অনেকদিন স্থায়ী হয়ে থাকে
হোমিওপ্যাথিক ঔষধ সেবন করিবার পর কোন রোগ যদি বৃদ্ধি হয় বা বেড়ে যায়, কেউ মনে করিবেন না যে ঔষধ নির্বাচনে ভুল হয়েছে তাহলে 3 অথবা 4 দিন ঔষধ সেবন বন্ধ রাখলে আপনা হইতে আস্তে আস্তে কমতে থাকব। তবে এই ঔষধ শিশুদের জন্য কার্যকরী বেশি। বয়স্কদের ক্ষেত্রে বেশি প্রযোজ্য হয় যদি বয়স্ক ব্যক্তিরা নেশাযুক্ত না হয় অথবা ধূমপান না করে। এত কার্যকরী চিকিৎসাশাস্ত্র থাকা সত্ত্বেও দিনদিন হোমিও চিকিৎসা শাস্ত্রে রোগীর সংখ্যা কমে যাচ্ছে। তারপরও হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা শাস্ত্রে কার্যকরী চিকিৎসা দিতে প্রত্যেকটা হোমিওপ্যাথিক ডাক্তার প্রতিজ্ঞাবদ্ধ।। হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা শাস্ত্রের একজন অভিজ্ঞ ডাক্তার তার কাছ থেকেই জানতে পারলাম প্রত্যেকটা রোগের স্বল্পমূল্যে এবং কার্যকরভাবে চিকিৎসা প্রদান করা তাদের প্রতিঙ্গা। হোমিও শাস্ত্রের বিজ্ঞানের সফল চিকিৎসা রয়েছে তারপরও কেন যেন দিনদিন হোমিও শাস্ত্রের চিকিৎসার ক্ষেত্রে বিশেষ করে বাংলাদেশের মানুষের মানসিকতা খুব নিম্ন মানের
এই পরিস্থিতি থেকে আমাদের সমাজকে, এই চিকিৎসা শাস্ত্রের জন্য উন্নত মনোবল ও বিশ্বাস স্থাপন করা উচিত। বর্তমানে সারা পৃথিবীতেই হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা বিজ্ঞান অন্যান্য চিকিৎসা শাস্ত্রের মতই সমান তালে এগিয়ে চলছে এবং
এখন থেকে ভবিষ্যতে আমরা সকলেই হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা দিকে অগ্রসর হলে এবং এই চিকিৎসার প্রতিস্থাপন করলেই আমরা এই চিকিৎসা বিজ্ঞানকে আরো উন্নত করতে পারব। ইনশাআল্লাহ,,,,।
Italic