সবার প্রথমে সকলকে জানাই "Happy New Year 2022"
দেখতে দেখতে আমাদের জীবন থেকে আরো একটি বছর শেষ হয়ে গেল। জীবন থেকে একটি বছর কমে গেল। বয়স বেড়ে গেল। সময় ফুরিয়ে যাচ্ছে। এটাই জীবন।
বাংলাদেশে প্রতিবছর শীতকালে বিভিন্ন স্থানে ছেলেমেয়েরা পিকনিক করে থাকে। এটা মূলত আনন্দের জন্য তারা করে থাকে।
পিকনিক বলতে বুঝায় ,তারা টাকা দিবে, বাজার করবে, একটু আনন্দ করবে ,তারা একসাথে খাওয়া-দাওয়া করবে ।
আমি আমার গ্রামে তেমন মানুষদের চিনি না। চিনলেও বেশি পরিচিত না এমনকি বেশি নিকটাত্মীয় ও না। আবার তাদের সাথে আমি পিকনিক করে মজা পাবো না তাই আমি তাদের সাথে পিকনিকে অংশগ্রহণ করি না।
তাই পহেলা জানুয়ারি উপলক্ষে আমি আমার পরিবারের সাথে আজকে একটি পিকনিকের আয়োজন করেছিলাম। আমরা আজকে কুড়িগ্রামের ধরলা নদীর পাড়ে গিয়েছিলাম। আমরা হঠাৎ প্লান করেছিলাম এটার। এটায় মূলত আমরা বাসা থেকে রান্না করে নিয়ে যাব এবং ওখানে বসে খাব এবং আশেপাশের প্রাকৃতিক দৃশ্য দেখব এবং আনন্দ করবো।
এটা হলো ধরলা ব্রিজ। আমাদের গন্তব্য ছিল আজকে আমরা দুপুরে সেখানে মধ্যহ্নভোজ করব এবং বিকেল পর্যন্ত একটু ঘোরাঘুরি করে বাসায় চলে আসব।
আমরা দুপুর একটার সময় রওনা দিয়েছিলাম। সেখানে পৌঁছাতে পৌঁছাতে ১.২৫ বেজে গিয়েছিলাম। এরপর আমরা একটি সুন্দর জায়গা নির্ধারণ করলাম যেখানে বসে আমরা খেতে পারব। এরপর আমরা সেখানে মধ্যহ্নভোজ করেছিলাম।
এই ছবিটি দেখতে পারতেছেন আমরা সে সময় খেতে বসেছিলাম।
আমরা ওয়ান টাইম প্লেট এ খেয়েছিলাম।হতে পারে আমরা কম মানুষ কিন্তু আমরা পিকনিকের আনন্দ উপভোগ করেছিলাম। এটার জন্য বর্তমানে ওয়ান টাইম প্লেট প্রচলিত। আমরা বাসা থেকে বিরানী রান্না করে নিয়ে গিয়েছিলাম। পাশাপাশি ডিম,সালাদ ছিল। সত্যি বলতে বিরানী টি অনেক অনেক অনেক সুস্বাদু ছিল।
এরপর খাওয়া শেষ এরপর আমরা আবার রওনা হলাম।উপরের ছবিতে দেখতে পাচ্ছেন, আমরা এই কয়জন ই গিয়েছিলাম।
আমি, আমার আম্মু, দুই জন আপা এবং তাদের সন্তান। অর্থাৎ আমার ভাগ্না ভাগ্নি। আমরা মোট ৯ জন ছিলাম।
আমরা ছবিও তুলেছিলাম ,কিন্তু আমি সেসব ছবি কোথাও শেয়ার করতে চাই না। আমি এমন ছবি শেয়ার করে,যেগুলো দিলে আশা করি কোনো রকম সমস্যা হবে না।
এই ছবিটি দেখুন সবাই ছবি তোলায় ব্যস্ত। সুন্দর পাথর ছিল সেখানে। পাথর, বাল ছিল মূলত এসব রাস্তা বানানোর জন্য এখানে রাখা হয়েছে।
সেসময় পড়ন্ত বিকেল ছিল ।
এটা হলাম আমি আমার ভাগ্নে সাবিলের সাথে।
এই ছবিতে আমি আমার ভাগনা ভাগ্নিদের দোল খাওয়াচ্ছি। আমি আমার ভাগনা ভাগ্নিদের সাথে খুবই আন্তরিক এবং নিকট। আমি তাদের সাথে অনেক বন্ধুসুলভ।
এটা মূলত দোলনা নদীর পাড়ে একটি নতুন স্থান। এটা খরকুটো নামে পরিচিত। এখানে বাঁশ দিয়ে ঘর তৈরি করা হয়েছে, পাশাপাশি কঠিন ব্যবস্থা রয়েছে। যারা এসব কখনও দেখেনি তাদের জন্যই জায়গাটা অনেক সুন্দর লাগে।
তো এটাই ছিল আজকে আমার ফ্যামিলি পিকনিক। আমরা সেখানে খাওয়া-দাওয়ার পর হাটা চলা করেছিলাম, ছবি তুলেছিলাম এবং নাস্তা ও করেছিলাম আসার আগে। এবং আমরা বাসায় পৌঁছে ছিলাম মাগরিবের নামাজের কিছুক্ষণ আগে।
শুভ সুন্দর ভাবে আমাদের আজকের দিন অতিবাহিত হয়েছে।
আলহামদুলিল্লাহ সব কিছুর জন্য।
ধন্যবাদ সবাইকে । আশা করি সবাই আমার ব্লগটি পড়বেন।