একজায়গায় গাছগুলো গায়ে গায়ে লাগোয়া অবস্থায় আরো কাছে সরে আসে। এখানটায় চাদের আলোও ঠিকমত পৌছায় না। গা শির শির করে রাসেলের। অনেকদিন গায়ে রাতের আধারে হাটা হয় না বলেই হয়ত। আর একটু পেরুলেই প্রিয়তমার বাড়িতে পৌছে যাবে সে। ঔষধগুলো আর চিরকুটটা ফেলে ছিড়ে ফেলে দেয় পাশের একটি ডোবায়।
ঠিক ঐ মুহুর্তেই দৃশ্যপটে আগমন ঘটে চার পাচটি লোকের। সবার মুখ কালো কাপড়ে ঢাকা। কিছু বোঝা বা বলার আগেই কয়টি লাঠির আঘাতে মাটিতে লুটিয়ে পরে আমাদের নায়ক। আর্তস্বরে কোন প্রকারে আকুতি জানায় পরিত্রানের। প্রিয়তমার চাদ মুখখানির পরিবর্তে চোখেমুখে ভেসে উঠে বিভীশিকার মৃত্যু।
এরিমধ্যে একজন ফিসফিসিয়ে বলতে শুনে, ওর বৌ ত ওরে মাইরা ফেলাইতে কয় নাই, কইছি শুধু এমুন মাইর দিতে যাতে মাসখানেক হাসপাতাল থাকতে হয়।
আমাদের নায়ক এবার আকুলভাবে শেষ শক্তিটুকু খরচ করে বলার চেষ্টা করে যে সে কারো স্বামী নয়, একজন প্রেমিক মাত্র।
এমনি সময়ে মাথায় লাঠির আঘাতে জ্ঞান হারাতে বসে আমাদের নায়ক। জ্ঞান হারাবার আগে তার কাছে সবকিছু ষ্পস্ট হয়ে যায়। তার প্রিয়তমা হ্যাপি স্বামী সফিককে মারতে গিয়ে মারতে বসেছে প্রানপ্রিয় প্রেমিকাকে। প্রেমের পথের কাটাটি সরাতে গিয়ে কাটা পড়তে বসেছে প্রেমের নায়কটি।