অন্ধকারে এদিক ওদিক
হাতড়ে কোথাও
দিয়াশলাইটা খুজে পেল
না বিষ্ণু । এটা নিশ্চই লক্ষীর
কাজ । প্রতিদিনই ওর ঘর
থেকে কিছু না কিছু উধাও করে দেবে মেয়েটা। তারপর
অদ্ভুদ সব আবদার
করে বসবে সেটা ফিরে চাইলে !
কে জানে আজ কোন
ঢেকি গিলতে হয় বিষ্ণুকে !
-আমারে কালীঘাটের
মন্দিরে পুঁজা দেখতে লইয়া
যাইবা? দরজায়
দাড়িয়ে ফিসফিস
করে জিগ্যেস করে লক্ষী ।
-এই রাইতের বেলা !
তোর মাথা নি খারাপ হইছে !
মাইনষে দেখলে কি কইব !
অন্ধকারে লক্ষীর
ছায়া কে উদ্দেশ্য
করে বলে বিষ্ণু
ভূত আর
পেত্নী পুঁজা দিতে আইছে...