রাত ০৯.৩০ , সায়দাবাদ থেকে সূএাপুর আসলাম এই চাচার রিক্সায় করে, কষ্ট করে থেমে থেমে চালাচ্ছিলেন , নেমে ভাড়া পেয়ে দেখলাম খুব যত্ন সহকারে গুনছে, পরে লক্ষ করলাম, এক ঠোঙা মুড়ি আর একটা পুড়ি খাচ্ছেন , সামনে যেয়ে জিজ্ঞেস করলাম
চাচা থাকেন কোথায়?
চাচা: জুড়াইন
আমি: মুড়ি খাচ্ছেন কেন? ভাত খান না রাতে?
চাচা: বাসা তো দূরে , সেই দুপুরে খেয়ে বের হইছি, ক্ষুদা লাগসে, (হাঁপাতে হাঁপাতে) কিছু না খাইলে আর চালাইতে ফারুম না।
আমি: তো ভাত খান না কেন?
চাচা: এত টেহা ফামু কই , ভাত খাইতে অনেক টেহা লাগে। ( মাথা নিচু করে)
আমি: চলেন তাহলে, ভাত খাবেন বলে পাশের হোটেল এ নিয়ে ভাত, ইলিশ মাছ, মুগডাল অর্ডার করলাম।
চাচা বার বার বলছিলেন, কম দামি জিনিস খামু।
বিল দিতে যেয়ে দেখি চাচা কান্না কান্না চোখে চেয়ে আছে খাওয়া বন্ধ করে।
সামনে যেয়ে চাচা দোয়া করবেন বলে বিদায় নিলাম , আড়াল হওয়ার শেষ পর্যন্ত উনি অপলক দৃষ্টিতে তাকয়ে ছিলেন ।
কথা গুলো শেয়ার করলাম কারন, একটু লক্ষ রাখবেন চারাদিকে, ২-৪-৫ টাকার জন্য এদের সাথে খারাপ ব্যবহার করবেন না , কত টাকাই তো এদিক সেদিক নষ্ট করেন। স্যালুট তাদের বয়সটাকে হার মানিয়ে ভিক্ষাবৃওি না করে নিরলস পরিশ্রম করে উপার্জন করছে,,।
সংগৃহিত পোষ্ট