গ্রাজুয়েশন শেষ হতে আর বছরখানেক বাকি।দিনগুলো কেমন করে যেনো দৌড়ে পালাচ্ছে।কয়দিন পর নামতে হবে চাকরীর বাজারে ।চাকরীর প্রস্তুতি নিচ্ছি কী আমি ?! আমি গ্রাজুয়েশন শেষে করবো কী ? নিজেকে কোথায় দেখতে চাই ? জানিনা ।
সুন্দর ক্যারিয়ার গড়তে হলে আমাদেরকে একটা কথা মাথায় ঠিক রাখতে হবে আর তা হলো আমরা কী চাই।অর্থাৎ Planning first.
একটা প্ল্যান রাখলেই কী হয়ে যাবে ? যদি ওই এক পরিকল্পনা বাস্তব না হয় ? তাই মাথায় রাখতে অল্টারনেটিভ জিনিসও। Master plan ,Action plan &Contingency plan .
Career plan বা objective set করে ফেলাটা খুব জরুরী।নিজে নিজে পরিকল্পনা করে ফেলতে পারলেও তা বাস্তবায়ন করতে হলে আমাদেরকে ওই সেক্টর সম্পর্কে জানতে হবে তো তাইনা ?এই সময়ে mentor select করাটা জরুরী ।মেন্টর অবশ্যই ওই সেক্টরের হবে যে সেক্টরে আমি নিজেকে দেখতে চাই ।মেন্টর তো হলো পথ প্রদর্শক । যে সেক্টরে প্রবেশ আমার লক্ষ্য , সেই সেক্টরের জন্য আমাদের কোচ সিলেক্ট করতে হবে ।যার দ্বারা আমি কাজ শিখতে পারবো ।
Networking জিনিসটা আজকাল খুব জরুরী। অনেক ক্ষেত্রে নেটওয়ার্কিং এর দ্বারাই নিয়োগ সম্পর্কে আগে ভাগেই জানা যায় ।এই ক্ষেত্রে faculty member দের সাথে নেটওয়ার্কিং শুরু করা উত্তম ।ডিপার্টমেন্ট বা ভার্সিটির সিনিয়রদের সাথে যোগাযোগ রাখাও নেটওয়ার্কিং এর অংশ।
Social media তে একজন মানুষের ব্যক্তিত্ব ফুটে উঠে ।যতটা সম্ভব হয় স্টুডেন্ট লাইফ থেকেই সোশ্যাল মিডিয়াকে professionally ইউস করতে হবে ।অন্যদের নজরে
এটা একটা পসিটিভ দিক ফেলে ।
Co curriculum activities,Extra curriculum activities এ যোগ দেওয়াও অনেক উপকার করে ।কোনো সংগঠনে ভলান্টিয়ার হিসেব কাজ করলে নেটওয়ার্কিংও বাড়ে আবার অনেক কাজও শিখতে পারা যায় ।আর সুযোগ পেলে ছোট খাটো Part time জব করতে পারলেও ভবিষ্যতে কর্মক্ষেত্রে অনেক উপকার হয় ।
আর যেহেতু বর্তমান যুগ হলো কম্পিউটার বেসড যুগ , তাই স্লাইড তৈরী ভালো টাইপিং স্কিল থাকাও ক্যারিয়ার জীবনে অনেক উপকার করে আবার লক্ষ্যে পৌছাতে সাহায্যও করে ।
চিন্তা যদি ইফেক্টিভ হয় তখন সেই চিন্তা থেকেই হতে পারে লক্ষ্য অর্জন ।আজকের মতন বিদায় নিচ্ছি , লেখাটি পড়ার জন্য ধন্যবাদ , নিরাপদ থাকবেন , আশা করছি ভালো থাকবেন৷