প্রতিটি ছাত্রের নিকট তাদের স্কুল,কলেজ কিংবা ভার্সিটির ক্যাম্পাসে অতি প্রিয়। দিনের বেশিরভাগ সময় ছেলেমেয়েরা তাদের প্রিয় ক্যাম্পাসে অতিবাহিত করে। প্রাইমারি, মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শ্রেণীর ক্যাম্পাসগুলো সাধারণত ছোট হয়ে থাকে। তবে স্নাতক শ্রেণীর ক্যাম্পাসগুলো সাধারণত বড় আকারের হয়। ক্লাস থেকে শুরু করে আড্ডা দেয়া পর্যন্ত সকল কর্মকান্ড তারা তাদের ক্যাম্পাসে সম্পন্ন করে থাকে। এই ক্যাম্পাসে তাদের জীবনের নিত্যদিনের সঙ্গী।
বর্তমানে করোনাভাইরাস মহামারী আকার ধারণ করেছে। ফলে দেশের সকল প্রতিষ্ঠানসমূহ থেকে শুরু করে যাবতীয় সকল কার্যক্রম স্থগিত রয়েছে। কিছু গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান সমূহ নির্দিষ্ট সময়ের জন্য খোলা থাকলেও অন্যান্য সকল কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও তার ব্যতিক্রম নয়। সেই করোনাভাইরাস এর শুরু থেকে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে,এখন পর্যন্ত তার খোলা সম্ভব হয়নি। ছেলেমেয়েরা বাসায় দীর্ঘদিন অবস্থান করায় তাদের মধ্যে একপ্রকার বিরক্তিকর ভাব চলে এসেছে। তারা তাদের প্রিয় ক্যাম্পাসের কাটানো দিন গুলোর কথা স্মৃতিচারণ করছে। ফলে তারা সুযোগ পেলেই ছুটে আসছে তাদের প্রিয় ক্যাম্পাসে প্রিয় মানুষদের সঙ্গে আড্ডা দিতে। বন্ধু-বান্ধব মিলে একত্রিত হয়ে আড্ডা দেয়ার সবচেয়ে উত্তম স্থান হল ক্যাম্পাস। এখানে বাঁধাধরা কোন নিয়ম নেই। যে যার মত গল্পগুজব, চা খাওয়া কিংবা অন্যান্য আড্ডা দিয়ে থাকে। তবে একটি ক্যাম্পাস যে শুধু ছাত্র-ছাত্রীদের আড্ডা দেওয়ার স্থান তা নয়, স্থানীয় বহিরাগতরা ও আলাপচারিতা, গল্পগুজব কিংবা আড্ডায় মেতে ওঠে।
সর্বোপরি আড্ডা দেওয়া কিংবা সাক্ষাৎ করার উত্তম স্থান হল ক্যাম্পাস। বন্ধু-বান্ধব মিলে নিজ নিজ ক্যাম্পাসে আড্ডা দেয়ার মজাই আলাদা। এতে করে ছাত্রছাত্রীদের মধ্যে ভালো বন্ডিং গড়ে ওঠে, প্রত্যেকে প্রত্যেকের খোঁজ খবর নিতে পারে। যা ভবিষ্যতে বিভিন্ন ক্ষেত্রে কাজে দেয়।