This content was muted by Hive Learners moderators for not following community guidelines.

এডিস মশার প্রভাব ও ডেঙ্গু জ্বর

Words
256
Reading
2 min
Listen
Play
5y

mosquito-49141_640.webp
https://pixabay.com/photos/mosquito-insect-mosquito-bite-49141/

করোনাভাইরাস এর পাশাপাশি বর্তমান সময়ে যে বিষয়ে প্রাদুর্ভাব বৃদ্ধি পেয়েছে তা হলো ডেঙ্গু জ্বর। বর্তমানে দেশে প্রতিবছর এই জ্বরে অসংখ্য মানুষ আক্রান্ত হচ্ছে। সাধারণত এডিস মশার কামড়ে ডেঙ্গু জ্বর এ মানুষ আক্রান্ত হয়।

বর্তমানে বাংলাদেশের বড় বড় শহরগুলোর প্রধান সমস্যা হলো দূষিত পরিবেশ। আর দূষিত পরিবেশ সৃষ্টি হয় বজ্র ব্যবস্থাপনার ত্রুটি থাকার জন্য। দূষিত ও নোংরা পরিবেশে এডিস মশার লাভার জন্ম হয়। এসব নোংরা ও দূষিত পরিবেশে লার্ভা ধীরে ধীরে বড় হতে থাকে এবং একসময় এডিস মশার পরিণত হয়। আরে এডিস মশার কামরের ফলে একজন মানুষ ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়। সাধারণভাবে ডেঙ্গুর লক্ষণ হচ্ছে জ্বর। ১০১ ডিগ্রি থেকে ১০২ ডিগ্রি তাপমাত্রা থাকতে পারে। জ্বর একটানা থাকতে পারে, আবার ঘাম দিয়ে জ্বর ছেড়ে দেবার পর আবারো জ্বর আসতে পারে। এর সাথে শরীরে ব্যথা মাথাব্যথা, চেখের পেছনে ব্যথা এবং চামড়ায় লালচে দাগ (র‍্যাশ) হতে পারে। তবে এগুলো না থাকলেও ডেঙ্গু হতে পারে। ডেঙ্গু জ্বর হলে মানুষের মৃত্যু ঝুঁকি বেশি থাকে। সুতরাং আমাদের ডেঙ্গু জ্বর থেকে রক্ষা পেতে সর্বোচ্চ চেষ্টা করতে হবে। ডেঙ্গু জ্বরের সংক্রমণ যেহেতু এডিস মশার কামড়ের জন্য হয়, সুতরাং আমাদের সর্বপ্রথম যে কাজটি করতে হবে তা হল এডিস মশার নিধন।

ডেঙ্গু জ্বর থেকে রক্ষা পেতে হলে আমাদেরকেই পদক্ষেপ নিতে হবে। আরে ডেঙ্গু জ্বর থেকে রক্ষা পেতে সর্বপ্রথম যে কাজ করতে হবে তাহলো নিজ উদ্যোগে পরিবেশ পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখা। প্রত্যেককের উচিত নিজ নিজ বাড়ি ঘর এবং বাড়ির আশেপাশের স্থান গুলো পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখা। বাড়ির আশেপাশে কোন ময়লা জমতে দেওয়া যাবে না এবং নোংরা পানি যাতে না জমে সেদিকে খেয়াল রাখতে হয়। তাহলেই এডিস মশার বৃদ্ধি ব্যাহত হবে। এডিস মশা দূরীভূত হলে ডেঙ্গু জ্বর থেকে নিরাপদে থাকা যাবে।

fumigation-2772381_640.jpg
https://pixabay.com/photos/fumigation-street-pesticide-insect-2772381/

এডিস মশার প্রভাব ও ডেঙ্গু জ্বর | Ecency