This content was muted by Hive Learners moderators for not following community guidelines.

কোরবানির পশুর হাট

Words
260
Reading
2 min
Listen
Play
5y

received_1460209470991796.jpeg

received_939996979839585.jpeg
মুসলমানদের প্রধান ধর্মীয় উৎসব গুলোর মধ্যে দুই ঈদ অন্যতম। দুই ঈদের মধ্যে আবার কুরবানীর ঈদ বেশি উত্তেজনাময়। কুরবানী ঈদ উৎসবের নতুন মাত্রা যুক্ত হয় গরুর হাটের মাধ্যমে। মুসলমানদের রীতি অনুযায়ী প্রতি কুরবানীর ঈদে গরু, খাসী, ভেড়া, মহিষ উট কিংবা দুম্বা কোরবানি দেওয়া হয়।

received_835339830464802.jpeg
সাধারনত উচ্চ বংশীয় পরিবারের লোকজন দুই বা ততোধিক গরু কিংবা খাসি কুরবানী দিয়ে থাকে। মধ্যবিত্ত পরিবারের লোকজন সাধারণত একটি গরু তিন বা ততোধিক ভাগে অথবা একটি খাসি কুরবানী দিয়ে থাকে। গ্রাম এলাকার দরিদ্র পরিবারের লোকজন সাধারণত ভেড়া কোরবানি দিয়ে থাকে। খুবই দরিদ্র পরিবারের লোকজন সাধারণত কুরবানী দেয় না। মহিষ উট কিংবা দুম্বা কুরবানী দেওয়ার প্রচলন আমাদের দেশে তেমন একটা নেই।

received_602465713990528.jpeg
মুসলমানদের দুই ঈদ উৎসবের মধ্যে তেমন একটা পার্থক্য না থাকলেও কুরবানীর ঈদ উৎসবের আলাদা মাত্রা যোগ করে এই গরু কিংবা খাসি কুরবানির প্রচলন। কুরবানীর এসব পশু বিক্রির প্রতিবছর কোরবানি ঈদের আগে বাজারগুলোতে এসব পশু কেনাবেচার ধুম পড়ে যায়। শহরের বিভিন্ন রাস্তা ঘাট এবং স্কুল-কলেজের খেলার মাঠ গুলোতে কোরবানির পশু বিক্রি হয় এবং গ্রাম গঞ্জের বাজার হাটগুলোতে এসব পশু বিক্রি হয়। ঈদের অন্তত ১০ দিন আগে থেকে হাটগুলোতে কোরবানির পশু উঠানো হয় কেনা বেচার জন্য। তখন এসব বাজারগুলোতে লোকজনের ভিড় জমে যায় কোরবানীর গরু,ছাগল ও ভেড়া কেনার জন্য। কোরবানির বাজারগুলোতে গরু ছাগল এবং ভেড়ার আলাদা আলাদা জায়গায় হাট বসে। পরিবারের ছোট বড় সবাই দল বেধে কোরবানির হাটে গিয়ে গরু কিনতে চায়। সবার একটি আশা নিজের চাহিদার কুরবানীর পশু যাতে অল্প দামে কেনা যায়। ছোট বাচ্চারা কোরবানির হাটে যাওয়ার জন্য বাবার কাছে জেদ ধরে।

মুসলমানদের উৎসব এবং অনুভূতির নাম কুরবানী। মুসলমানদের ধর্মীয় আবেগের অপর নাম হলো কুরবানী।কুরবানীর আমেজ লেগে থাকুক সবার মনে। কুরবানির হাট জমে উঠুক প্রতিটা মানুষের পদচারণায়।

received_530910691593025.jpeg