This content was muted by Hive Learners moderators for not following community guidelines.
একজন সন্তানের কাছে তার সবচেয়ে আপন মানুষ হল বাবা-মা। একজন সন্তানও ঠিক তার বাবা-মার কাছে প্রিয় পাত্র হিসেবে বিবেচিত হয়। ছোট থেকে বড় হতে সকল ক্ষেত্রেই আমরা বাবা-মার সাহায্য নেই।সন্তানদের পাশে থাকাটা বাবা-মায়ের কর্তব্যের মধ্যে পড়ে।সন্তানদের প্রতি বাবা মায়ের ভালোবাসা প্রায় নিঃস্বার্থই বলা চলে। কারণ সন্তান যতই খারাপ হোক না কেন বাবা মার কাছে পৃথিবীর সবচেয়ে প্রিয় মুখ হল তাদের সন্তান। ছোটবেলার পড়ালেখা থেকে শুরু করে নিত্য প্রয়োজনীয় সকল চাহিদার জোগান বাবা-মা ই দিয়ে থাকেন।যে কোন ছোট বড় বিপদ আপদে তারা সব সময় পাশে থাকেন।
খুব বড় ধরনের বিপদ আপদের যখন সবাই মুখ ফিরিয়ে নেয় তখন ত্রাতার ভূমিকায় অবতীর্ণ হয় একমাত্র বাবা-মা।ছোটবেলায় মুখের বুলি আওড়ানো থেকে শুরু করে হাটা চলা,পড়ালেখা,যত্ন নেওয়া সকল ক্ষেত্রেই বাবা-মার অবদান অনস্বীকার্য।তারা সব সময় ঢালের মতো আমাদের সঙ্গে লেগে থাকেন।বড় হওয়ার পর কোথায় কি করছি কোন ধরনের বন্ধুদের সঙ্গে মিশছি সকল বিষয়ে খোঁজ-খবর রাখেন তারা।বাবা-মারা সবসময় সন্তানের ভবিষ্যৎ নিয়েও চিন্তিত থাকেন যে তাদের সন্তান কি করবেন। অর্থাৎ একজন সন্তানকে সুসন্তান
বাবা মা যেমন তাদের সন্তানের যত্নের বিষয়ে কোনো ত্রুটি রাখেন না ঠিক তেমনি পরবর্তীতে গিয়ে সন্তানদেরও বাবা-মার প্রতি এমন মনোভাব আনতে হবে।বাবা মার প্রতি ও সন্তানকে স্নেহ মায়া-মমতার কোন প্রকার ত্রুটি রাখা যাবে না।বাবা-মার প্রতি সন্তানদের এমন ভালোবাসা তাদের জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত থাকতে হবে।
বৃদ্ধ বয়সে তাদের প্রতি কোন প্রকার অন্যায় কিংবা অবিচার যাতে না হয় সেদিকেও খেয়াল রাখতে হবে।সর্বোপরি,ওই বয়সে নিজের সন্তানকে যেমন খেয়াল রাখা হয় তেমনি বাবা-মার প্রতি মায়া-মমতা থাকতে হবে।তাহলেই কেবল দেশের প্রতিটি পরিবারে আদর্শ সমাজ ব্যবস্থা গড়ে উঠবে।পরিশেষে এটাই বলতে চাই যে, ভালো থাকুক পৃথিবীর সকল বাবা মা ও তাদের সন্তানরা। https://pixabay.com/images/id-2416718/