একঘেয়েমি জীবন থেকে বেরিয়ে এসে একটু
আনন্দ করার নামই হচ্ছে পিকনিক। পিকনিক মানে প্রিয়জনদের সঙ্গে কাটানো আনন্দময় কিছু মুহূর্ত। পিকনিকের মাধ্যমে খুব কাছের মানুষদের সঙ্গে ভালো একটা সময় কাটানো যায়। প্রিয়জনদের সঙ্গে নিজেদের সুখ দুঃখ শেয়ার করা যায়। প্রতিদিনের কর্মব্যস্তময় একঘেয়েমি জীবন থেকে কাটিয়ে এসে একটা দিন উপভোগ করা যায় পিকনিকের মাধ্যমে। জীবনকে উপভোগ করতে এবং নিজের মনকে চাঙ্গা করতে পিকনিক সবার জীবনে খুবই গুরুত্বপূর্ণ। সুতরাং প্রতিদিন কর্মব্যস্ততার জীবন না ঘাটিয়ে বছরে কয়েকবার পিকনিক করা জরুরি।
সাধারণত বিজ্ঞজনেরা বলে থাকেন-একটি নির্দিষ্ট দিন কিংবা একটি নির্দিষ্ট মুহূর্ত উপভোগ করতে চাও,তাহলে পিকনিকে যাও। অনেকদিন পর একটি দিন উপভোগ করার জন্য আমাদের আজকের এই পিকনিকের আয়োজন। করনা ভাইরাসের প্রকোপ বৃদ্ধি পাওয়ায় আমাদের আজকের পিকনিক টি ঘরোয়া ভাবে সম্পন্ন করা হয়েছে।
সেই করোনা ভাইরাস সংক্রমণ শুরুর আগে আমরা প্রধানত বাইরে শিক্ষা সফরে যাই। এরপর থেকে এমন একটা পিকনিকে যাওয়া হয়নি। টুকিটাকি কিছু পিকনিক এ অংশ গ্রহণ করলেও আপনাদের সঙ্গে কখনো শেয়ার করা হয় নি। আমার বন্ধুর বাসার ছাদে পিকনিক করা হচ্ছে। পিকনিক ঘরোয়া ভাবে করা হচ্ছে। বন্ধুর বাসার সব ফ্ল্যাট এর ছেলে পেলেরা এই পিকনিক এ অং শগ্রহণ করছে।আমি শুধু বাহিরের আছি।দুপুর ১২ টায় বাজার করা হয়েছিল।২ বেলার খাবারের আয়োজন করা হয়েছে।বিকাল আর রাত এর ।পিকনিক এ আমার বন্ধু শাকিল,রাতুল, আবির, লিমন,শাফিন সহ আরও অনেক এ ছিল।রাত এ অবশ্য বৃষ্টি হওয়ায় পরে ছাদ থেকে সব নিচে নেমে নিয়ে বন্ধুর বাসায় পিকনিক এর সব আয়জন করা হয়েছিল।
যাইহোক সব মিলে দিনটা অনেক ভালো কাটল।একত্রে সদলবলে নাচ গান এবং খাওয়া দাওয়ার মাধ্যমে দিনটা ভালো উপভোগ করলাম।