ভয়ংকর ভূতের গল্প।

Words
502
Reading
3 min
Listen
Play
5y

আসালামুআলাইকুম,

20210701_022107.jpg
https://picsart.com/i/210775281003202
ভূতের অস্তিত্ব নিয়ে সবার মধ্যে বিতর্কে আছে।তবে ভুতেকে ভয় পাইনা বোধ হয় খুব কম মানুষ আছে। পৃথিবীর প্রায় সব দেশের মানুষের ভূত নিয়ে ভয় এবং বিভিন্ন রকমের গল্প রয়েছে।আর ভূতের গল্প সবার শুনতে ভালো লাগে যেমন তেমন খুব ভয়ও লাগে।

ঘরে নানী-দাদী আসলে আমরা রাতে ভূতে গল্প শুনতে বায়না ধরতাম।দাদী-নানী থেকে ভূতের গল্প শুনে রাতে ভয়ে ঘুমাতে পারতাম না। আমার মতো সবার এমন অভিজ্ঞতা হয়েছে তাই না। ভূতের গল্প শুনে রাতের ঘুম হারাম হয়ে গেছে এমন মানুষ কমই আছে।

একটা ছেলে তার বোনের শশুর বাড়িতে যাবে তাই বিকেলে রেডি হয়ে ঘর থেকে বের হচ্ছে।ঘর থেকে হতেই তার সাথে আজব আজব ঘটনা ঘটতে লাগল।
প্রথমে ছেলেটি যে রাস্তা দিয়ে যাবে, সেই রাস্তাটি ছিলো বাঁশঝারের ভিতর দিয়ে।ছেলেটি যখন আপন মনে রাস্তা দিয়ে হেঁটে বাঁশ ঝারের কাছাকাছি গেল। তখন হঠাৎ করে একটা বিশ্রী চেহারার একটা মহিলা ছেলেটির সামনে এসে দাঁড়িয়ে বলছে এই রাস্তাদিয়ে তুই যাবি না।ছেলেটি প্রথমে ভয় পেয়ে যাই,তারপর ছেলেটি বলে আমি আমার বোনের বাড়িতে যাচ্ছি এই রাস্তা দিয়ে যদি যাই আপনার সমস্যা কি?

এইকথা বলত্তে দেরি হলো মহিলাটি কোথায় যেনো মিলিয়ে গেলো।তখন ছেলেটি খুব ভয় পেয়ে গেল,তখন ছেলটি মনে মনে চিন্তা করতে লাগলো হয়তো আমি দুপুরে ঘুম থেকে উঠেছি ঘর থেকে বের হয়েছি তাই আবোল তাবোল দেখছি।ছেলেটি কিছুক্ষণ দাঁড়িয়ে আবার হাটতে শুরু করল।

ছেলেটি যে রাস্তা দিয়ে সবসময় যেত সে রাস্তাটা ছেলেটির কাছে অপরিচিত লাগছিল।আর ছেলেটি বোনের শশুর বাড়ি রাস্তা দিয়ে যাচ্ছে কিন্তুু কিছুক্ষণ হাটার পর দেখে আবার ঐ বাঁশের ঝার।এমন করে হাটতে হাটতে ক্লান্ত হয়ে গেল ছেলেটি। বাঁশঝাড়ের পাশে একটা কদম গাছ ছিল ছেলেটি সেই কদম গাছের নিচে অল্প কিছুক্ষণ বসে বিশ্রাম নিতে চেয়েছিল।

এরই মধ্যে সন্ধ্যা ঘনিয়ে আসতে লাগল। ছেলেটি যেখানে বসে ছিল সেখান থেকে অনেক দূরে একটি গ্রামে মসজিদে মাগরিবের আযানের আওয়াজ শোনা যাচ্ছিল।

তখন ছেলেটির মনে আস্তে আস্তে ভয় জন্মাতে লাগলো।বোনের বাড়িতে যেতে এক ঘন্টা সময় লাগে সে জায়গায় সন্ধ্যা হয়ে গেল। এখনো বোনের বাড়িতে যেতে পারছি না। হঠাৎ ছেলেটি শুনতে পাচ্ছিল 4-5 জন মানুষ একটা লাশ কাঁধে নিয়ে আসছিল। আর সবাই লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ লা,ইলাহা ইল্লাল্লাহ, বলে আসছিল তখন মানুষগুলো দেখে ছেলেটির মনে একটু সাহস জাগে।

মানুষগুলোর ছেলেটির সামনে দিয়ে লাশটা নিয়ে যাচ্ছিল আর ছেলেটি লাশর দিকে তাকিয়েছিল আর মানুষ গুলোর দিকে তাকিয়েছিল।ছেলেটিকে পার হয়ে যখন মানুষগুলো।বাঁশঝারের কাছাকাছি মানুষ গুলো লাশটা নিয়ে গেল। তখন হঠাৎ করে লাশ টা মনে হয় উপুড় হয়ে শুয়ে ছিল লাশটা উঠে বসে গেল খাটিয়ার উপরে।

আর ছেলেটার দিকে তাকিয়ে লাশটা ভয়ঙ্কর করে হাসি দিল।লাশটা মুখ দিয়ে রক্ত বের হচ্ছিল।আর লাশের সাথে থাকা মানুষ গুলো গায়ে রক্ত মাখানো ছিলো।তাদের চেহারা ছিলো ভয়ংকর। ছেলেটা এই ভয়ঙ্কর চেহারার হাসিটা দেখে এমন ভয় পেল। সাথে সাথে ছেলেটা অজ্ঞান হয়ে গেল।

এদিকে ছেলেটির খুজতে খুজতে তার বাবা-মা গ্রামের মানুষ বাঁশঝারের ঐ রাস্তা এসে দেখে ছেলেটি অজ্ঞান হয়ে পরে আছে।সবাই ছেলেটি কে একটা হুজুরের কাছে নিয়ে গেল।
হুজুর ছেলেটিকে দেখই বলে এবারের জন্য আপনার ছেলে
বেঁচে গেছে।

হুজুর ছেলেটির বাবাকে বলছে এই রাস্তা দিয়ে আমরা যেতে ভয় পায়।আপনার ছেলে কিভাবে এই রাস্তা দিয়ে গেল।এই রাস্তাটা অনেক খারাপ।এই রাস্তার বাঁশঝারে খারাপ জিন-ভূত থাকে।
ছেলেটির তিন দিন জ্বর ছিল।তিন দিন পর ছেলেটি সুস্থ হয়ে উঠলো।

ধন্যবাদ,

আমার এই ভয়ংকর ভুতের গল্প টি আপনাদের কেমন লাগল। আমাকে অবশ্যই কমেন্ট করে জানাবেন।