সঠিক রায়ের সুযোগ নেই: খালেদা

Words
362
Reading
2 min
Listen
Play
9y

নিম্ন আদালত স্বাধীন নয় এমন দাবি করে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া তার দুর্নীতি মামলায় ‘ন্যায়বিচার’ পাওয়া নিয়ে আশঙ্কা করেছেন। তার আশঙ্কা আদালত সঠিক রায় দিতে পারবে না।

শনিবার বেলা ১২টার দিকে রাজধানীর লা মেরিডিয়ান হোটেলে দলের নির্বাহী কমিটির সভায় উদ্বোধনী বক্তব্যে এই আশঙ্কার কথা জানান বিএনপি প্রধান।

আগামী ৮ ফেব্রুয়ারি জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় রায় ঘোষণা হবে। বিএনপির পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হচ্ছে, আদালতকে ব্যবহার করে সাজা দিয়ে খালেদা জিয়াকে সাজা দিয়ে রাজনীতি থেকে সরানোর চেষ্টা করছে সরকার।

গত ২৫ জানুয়ারি রায়ের তারিখ ঘোষণার দুই দিন পর বিএনপির কৌশল নির্ধারণে দলের স্থায়ী কমিটির সঙ্গে বৈঠক করেন খালেদা জিয়া। পরদিন বৈঠক হয় শরিক দলগুলোর শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে।

স্থায়ী কমিটির বৈঠক থেকে খালেদা জিয়ার দুর্নীতি মামলার রায় নিয়ে সোচ্চার হতে দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে। আর শরিক দলগুলোর নেতারা এই রায়ে যাই হোক না কেন, খালেদা জিয়ার পাশে থাকার অঙ্গীকার করেন। এই দুই বৈঠকের পর দলটির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সভা ডাকা হয়।

নির্বাহী কমিটির উদ্বোধনী বক্তব্যে খালেদা জিয়া বলেন, ‘সর্বোচ্চ আদালত বলছে নিম্ন আদালত সরকারের কব্জায়। পত্রিকায় যা দেখছি তাতে বোঝা যাচ্ছে সঠিক রায় দেয়ার সুযোগ নেই। সঠিক রায় দিলে কি পরিণতি হয় তা তো দেখেছেন। তারেক রহমানের রায় দেয়ার পর বিচারককে দেশ ছাড়তে হয়েছে।’

এ সময় অস্ত্রের মুখে প্রধান বিচারপতিকে পদত্যাগে বাধ্য করা হয়েছে বলে দাবি করেন বিএনপি প্রধান। খালেদা বলেন, যারা নিজেদের গণতান্ত্রিক বলছেন, তারা অস্ত্রের মুখে জোর করে মিথ্যা তথ্য দিতে বাধ্য করছে। এদের মধ্যে আর মঈন-ফখরুদ্দিনের মধ্যে কোনো পার্থক্য নেই।

প্রশাসনকে দলীয়করণ করে ধ্বংস করা হচ্ছে দাবি করে বিএনপি চেয়ারপারসন বলেন, ‘প্রশাসনে নিজস্ব দলীয় লোকদের বসানো হচ্ছে। তারা মনে করে নির্বাচনী বৈতরণী পার করতে সহযোগিতা করবে। কিন্তু তারা যদি একটু নিরপেক্ষ ভূমিকা পালন করতে চায় তাহলে কারো কোন কথা শুনবে না। কারণ তারা এদেশের নাগরিক।’

এর আগে কোরআন তেলাওয়াতের মধ্যে দিয়ে নির্বাহী কমিটির বৈঠক শুরু হয়। এরপর গত দুই বছরে মৃত্যুবরণ করা আন্তর্জাতিক ও জাতীয় পর্যায়ের বিশিষ্ট ব্যক্তি ও প্রয়াত দলীয় নেতাসহ অন্তত ১৭৮ জনের নামে শোক প্রস্তাব গ্রহণ করা হয়। শোক প্রস্তাবের পর সাংগঠনিক প্রতিবেদন পেশ করেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

৫০২ সদস্য বিশিষ্ট জাতীয় নির্বাহী কমিটির অন্তত চার শ জন সদস্য উপস্থিত রয়েছেন সভায়। এ ছাড়া বিশেষ আমন্ত্রণে দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য ও চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা কাউন্সিলের অনন্ত ৪০ জন সদস্য সভায় উপস্থিত রয়েছেন।

ঢাকাটাইমস/৩ফেব্রুয়ারি/বিইউ/এমআর

সঠিক রায়ের সুযোগ নেই: খালেদা | Ecency