আমি দেখে চমকে গেলাম।একি রাত্রি তারমানে এই কলেজেই পরে।ওইজন্য কাল আমায় বল্ল আবার দেখা হবে।এইসব কথা ভাবছিলাম হটাৎ রাত্রি এসে বল্ল> কি মিস্টার বেপোরোয়া দেখে চমকে গেলেন না কি?(আমি ওর কথায় বাস্তবে ফিরলাম ও বল্লাম)
আমি-তুমি এই কলেজেই পরো আমাকে বলনি কেনো কাল
রাত্রি-বল্লে কি করতে।
আমি-কি আবার করতাম(আমি রাত্রির সাথে কথা বলছি কিছু স্টুডেন্ট দেখছে আর রেগে ফুলছে সেটা লক্ষ করলাম)
রাত্রি-পাশে বসতে পারি?
আমি-ইহা আপকর্স হোয়াই নট?
আমি জয়কে বল্লাম ভাই একটু অন্য সিটে বস না!(জয়কে কিছুক্ষনের মধ্যেই তুই করে বলতে বলেছিলাম কারন বন্ধুর ক্ষেত্রে তুমি মানায় না)জয় বল্ল হুম যাচ্ছি জয়ও অবাক হচ্ছে কারন রাত্রিকে দেখতে অনেক সুন্দর আর অনেকে হয়তো ওকে প্রপোজ করেছে কিন্তু ও আমার সাথে নিজে থেকেই কথা বলেছে তাই সবাই অবাক হচ্ছে।আমি আর রাত্রি বসে আছি স্যার ঢুকলো কিছুক্ষন পরেই।
স্যার-গুড মর্নিং স্টুডেন্ট
আমার একটু স্যারদের কাটি করা সভাব তাই বল্লাম স্যারকে।
আমি-ও স্যার এখন মর্নিং নেই নুন হয়েগেছে দেখুন ঘরিতে 12:02 বাজে আপনি আস্তে ঠিক 17 মিনিট লেট করেছে ম্যাডাম কি ছারতে চইনি আপনাকে?(আমার কথা শুনে সবাই হাসছে আর স্যার রেগে গেলো দেখলাম রাত্রিও হাসছে)
স্যার-কে তুমি ক্লাসে নতুন?এইসব কি?
আমি-না স্যার আপনার পেটটা তো ফ্যামেলি প্যাকের থেকেউ খারাপ অবস্থা তাই বল্লাম দেখে মনে হয় চারজন মানে চারজন মিলে খাইয়ে দাইয়ে পাটিয়েছে তাই বল্লাম ম্যাডাম হয়তো খাওয়াতে ভালোবাসে।(গোটা ক্লাস আরো জোরে হাসছে আমি রাত্রির দিখে মুখ করতেই দেখলাম ও আমার দিকে দেখতে দেখতে হাসছে। আমি ওর মুখটা দেখলাম হাসলে যেনো আরো সুন্দর লাগে এই মেয়েটিকে দেখেই কে কোনো ছেলে মায়ায় পরে যাবে।)
স্যার-জাস্ট সাট আপ! নাম কি তোমার?
আমি-স্যার সৌভ। আপনার?
স্যার-বুলা লাল শর্মা
আমি-কি স্যার এইটা নাম নাকি কোনো ফ্লপ সর্ট ফিল্ম
স্যার-আমি আর ক্লাস করাবো না।হয় তুমি চুপ করবে নয় আমি বেরিয়ে যাবো!
রাত্রি-প্লিজ সৌভ একটু চুপ করো(হাসতে হাসতে)
জয়-ওই ভাই তুই চুপ কর নাহলে আজকের ইনপর্টেন্ট ক্লাসটা হবে না।
আমি-ঠিক আছে স্যার আমি চুপ করছি
স্যার-গুড সো ক্লাস ওপেন ইউর বুক।
স্যার পরাচ্ছে কিন্তু আমি রাত্রি দিকে চেয়ে রইলাম আর তাকে দেখছি।জানালার পাশে বসেছিলাম তাই প্রকিতি তার খুসির জিনিসটা প্রবাহিত করছে আর সেইটা রাত্রির মুখে আসছে আর চুলটা তার আমার মুখে লাগছে আমি তার চুলের গন্ধে মুগ্ধ হয়ে তাকে দেখছি আর ওর ঠোটে যখন আল্ত করে জিহ্বা স্পর্স করে ঠোটটাকে মসৃন করছে সেটা খুব মনোযোগ দিয়ে দেখছি।হটাৎ রা্ত্রি বল্ল<
রাত্রি-এই কি দেখছো ক্লাসে মনোযোগ দাও নাহলে তো ফেল করবে একে তো লেটে ভর্তি হয়েছো
আমি-চমকে গিয়ে বল্লাম না আশলে কেনো জানি তোমার দিকে বার বার দেখতে ইচ্ছা করছে মনে হয় তোমায় দেখলে পৃৃথিবীটা আমার হারিয়ে যায়।
রাত্রি-মানে প্রেমে পরলে না কি?দেখো আমাকে কাল বাঁচিয়ে ছিলে বলে তোমায় এতো গুরুত্ব দিচ্ছি তাবলে অন্য কিছু ভাব্বে না।
আমি-শুধু কি সত্যিই সেটার জন্য গুরুত্ব দিচ্ছ?
রাত্রি-হ্যা তা নয়তো কি!
আমি-ওকে বলে আমি উঠে গেলাম আর জয়ের পাশে বসলাম।রাত্রি এইটা দেখে কেমন যেনো এন খারাপ করে ফেল্লো।
জয়-কিরে উঠে এলি?
আমি-মদ খাবি?
জয়-সালা এখন মদ কোথায় পাবি?
আমি-এই দেখ
জয়-এইটা তো থাম্সআপ(কোল্ড ড্রিন্কের একটা ব্রান্ড)
আমি-বাইরে থেকে ওইটা লাগবে ভিতরে মদ হেহে বলেই খেতে আরম্ব করলাম( স্যার তখন বোর্ডে কি যেনো লিখছিলো)
জয়-দে
বলেই খেতে আরম্ব করলো।কিছুক্ষন পর ক্লাস শেষ হলো আমি আর ক্লাস করবো না বলে জয় আর আমি বাইরে গিয়ে একটা গাছের নিচে বসলাম জয় আমার ব্যাপারে সব জানছে আর আমি ওর ব্যাপারে হটাৎ পিছনে একটি মেয়েলি কন্ঠ শুনলাম।আমি পিছনে তাকাতেই দেখলাম রাত্রি আর তার কিছু বন্ধু।
রাত্রি-ক্লাসে মদ খাচ্ছিলে কেনো ?
আমি-কোথায় ?কোল্ড ড্রিংক্স ছিলো ওইটা
জয়-এরা কি ভাবে কি জানি আরে ছেলেদের কে এখন কোল্ড ড্রিংক্সেও সন্দেহ করবে!
(আমি রাত্রি কাছে মুখ নিয়ে গিয়ে ফু মারলাম)
রাত্রি-ওই এইটা মদের গন্ধ আর একবার এইরকম করতে দেখলে তোর হাড্ডি গুরো করে দেবো(রেগে বল্ল)
আমি ওর হাতটা ধরে গাছের সাথে সেটে দিয়ে বল্লাম।
আমি-কেনো আমি খাবো আমি মরবো তাতে তোমার কি?(মুখের কাছাকাছি মুখ নিয়ে গিয়ে আস্তে করে বল্লাম।সেটা কিছু ছেলে আর রাত্রির বান্ধবি ও জয় দেখে হা হয়েগেলো)
রাত্রি-আমার একটু হলেও কিছু হবে(আমার চোখে চোখ রেখে ভয়ে ভয়ে আস্তে করে)
আমি-কি হবে?
রাত্রি-জানি না
আমি-একদিনে ভালোলাগা সৃষ্টি হতে পারে তাতে ভালোবাসা আর আমি জানি তোমার আমায় ভালো লাগে মিস।
রাত্রি-জানি না কিছুই বলে হাত ছেরে ছুটতে লাগলো আর তার বান্ধবিরা রাত্রির পিছন পিছন রাত্রি রাত্রি করে ডাকতে ডাকতে ছুটছে
জয়-কিরে মেয়েটালে কেউ একবছরে পটাতে পারলো না আর তুই একদিনে?
আমি-মদ খাবি?
জয়-তুই সালা আ্যন্টিক পিস কোথায় প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করছি আর তুই মদ খাবার কথা জিজ্ঞাসা করছিস
আমি-মদ খাবি?
জয়-ধ্যাৎ সালা
আমি-চল ক্লাসে যাই
জয়-চল
যেতে যাবো তখন কিছু ছেলে আটকালো।জয় জানে এরা রাত্রির পিছনে ঘুর ঘুর করে।
জয়-সুজয় ভাই(ওদের লিডারের নাম)আশলে রাত্রি সৌভকে ভালোবাসে সৌভ নয়
সুজয়-যেই বাসুক বাসে তো তাই কে** খেতেই হবে বলে সবাই মারতে লাগলো আমায় এরপর
আমি আস্তে আস্তে চোখ খুল্লাম দেখলাম হাসপাতালে পাশে জয় আর রাত্রি বসে।
রাত্রি-তুমি তো ওদের মারতে পারতে তাহলে মারলে না কেনো?(কাঁদতে কাঁদতে)
আমি ভালো করে বোঝার চেষ্টা করলাম মাথায় আমার ব্যান্ডেজ আর ঠোঁটের কাছে কাটা শরিরেও প্রচুর ব্যাথা হচ্ছে।
আমি-আমি বাবা মাকে কথা দিয়েছি কলেজে মারপিট করবো না।তবে ঠিক হলে বাইরে করবো হেহে।
রাত্রি রেগে গেলো আর জয় বল্লো
জয়- এ সালাকে শোধরানো মুশকিল রাত্রি তুই কিছু করে শধরা সালা তিন দিন পর চোখ খুলছে সেটাও জানে না মারপিটের কথা ভাবছে
রাত্রি-জয় না থকলে তোমার কি হতো জানো?তোমায় ও যা করে হাসপাতালে এনেছে
জয়-কি যে বলিস তুই তো রক্ত দিলি আর সারা রাত পাশে ছিলিস তোর মা বাবাকেও তো এ সালার জন্য মিথ্যা বলেছিস যে তুই মামাবাড়ি যাচ্ছিস।আর সারা দিন রাত এর কাছে পরে আছিস
আমি-জয়
জয়-কুি?
আমি-মদ খাবি?
জয়-ধ্যাৎ এ কত্তাকে সত্যিই কেও সধরাতে পারবে না তুই দেখ রাত্রি যদি পারিস
রাত্রি-হুমম আমি করবো বেপোরোয়া থেকে পোরোয়া(এইটা বলেই আমার যেই হাতে ব্যাথা ছিলো দিলো একটা ঘুশি)
আমি-ওরে কেউ বাঁচা এ বাঁচাতে এসেছে না মারতে যে মেরেছে ঠিক হল সালার গুস্টির সষ্টি পুজো করবো আআআআ বলে চেচাতে লাগলাম)তখনই রাত্রি তার নরম ঠোঁট আমার ঠোঁটে চেপে ধরলো।জয় সেটা দেখে মুখ ঘুরিয়ে নিলো আর আমি পরম সুখে ব্যাথা ভুলে গেলাম