গ্রাজুয়েশান শেষ করার আগেই আমাদের চোখে থাকে হরেক রকমের রঙ্গীন স্বপ্ন ,ক্যারিয়ারে কে কোথায় যাব, পরালেখা শেষ করে সপ্নের চাকুরিতে ঢুকব ইত্যাদি।কিন্তু আমরা বেশিরভাগ সময় পড়ালেখা আর অনলাইনে ঘোরাঘুরি করেই সময়গুলো পার করে দিই।কিন্তু এর বাইরেও অনেক কিছু করার আছে, জানার আছে! এই পৃথিবীটা অনেক বড়, পড়ালেখা , খেলা ধুলা ,অনলাইন এর বাইরেও বিশাল একটা জগত আছে, দেখার আছে অনেক কিছু, আছে অনেক কিছু জানার। তাই জীবনের গুরুত্বপূর্ণ পর্যায়ে পা রাখার আগেই করে ফেল এই পাঁচটি কাজ আর অন্যদের থেকে নিজেকে নিয়ে যাও আরও এক ধাপ এগিয়ে।
এখন প্রায় সবার ঘরেই কম্পিউটার আছে। আমরা কম্পিউটারে বসে সবসময় গেম খেলা ফেসবুকিং না করে ইউটিউবে টিউটোরিয়াল দেখে,পাওয়ারপয়েন্ট, এক্সেল, ভিডিও এডিটিং, গ্রাফিক্স ডিজাইনিং ইত্যাদি অনেক কিছু শিখে ফেলতে পারি।এটা আমাদের লেখাপড়া পরবর্তী চাকুরি জীবনে অনেক বেশি কাজে দিবে যা হয়তো আমরা এখন বুঝতে পারছি না।
অবসর সময়ে ইউটিউব দেখে অন্যান্য দেশের ভাষা শিখে নিতে পার। এক্ষেত্রে তুমি সবার আগে আন্তর্জাতিক ভাষা টা সবার আগে ভাল ভাবে রপ্ত করে নাও তারপর তোমার পাশের দেশের ভাষা শিখতে পার।তারপর বিভিন্ন বানিজ্যিক দেশের ভাষা শিখতে পার। বিশ্বাস কর অন্য দেশের ভাষা শিখার মজাটাই আলাদা।এটাও তোমার ভবিষ্যতে অনেক বেশি কাজে দিবে।
একটি ভাল বই মানুষের জীবনের মোড় ঘুরিয়ে দিতে পারে।একটি ভাল বই মানুষের জীবনে অনুপ্রেরণা হিসেবে কাজ করে।সবসময় নিজের পাঠ্যবয়ের মধ্যে নিজেকে ডুবিয়ে না রেখে অন্যান্য বই পড়ুন এতে আপনার জ্ঞানের পরিধি বৃদ্ধি পাবে।এক্ষেত্রে তুমি The Art of Ware, The Shawshank Redemption, Wings of fire, ইত্যাদি বই গুলো পড়তে পার।
মাতৃভুমি, জীবনের চেয়ে প্রিয় নিজের দেশ সম্পর্কে ঠিক কতটুকু জান তুমি? পৃথিবীর সবচেয়ে সুন্দরতম অনুভূতিটি হচ্ছে মাতৃভূমির প্রতি ভালোবাসা, সেই মাতৃভূমি সম্পর্কে আমাদের প্রত্যেকেরই বিশদ জানা জরুরী ।নিজের দেশের পাশাপাশি বাইরের জগত সম্পর্কে জানাটাও জরুরি। বিশ্বের কখন কোথাই কি হচ্ছে এ বিষয়ে ধারনা রাখাটা বুদ্ধিমানের কাজ।
স্কুল কলেজের ক্লাব বা গ্রুপে সবসময় আড্ডাবাজি হয় এই ধারনা থেকে বের হয়ে আস।স্কুল কলেজের বিভিন্ন অনুষ্ঠানে যোগদান করলে বা বিতর্ক প্রতিযোগিতাই অংশগ্রহন করলে অনেক অভিজ্ঞতা অর্জন হয় যা তোমার পরবর্তী জীবনে কাজে দিবে।