সারা পৃথিবী প্রায় অবরুদ্ধ। প্রতিটা মানুষের মনে নেই কোন সুখ, নেই কোন শান্তি। প্রতিটি মানুষ বেঁচে থাকার তাগিদে আজ গৃহবন্দি। আজ প্রতিটি মানুষ বেঁচে থাকতে প্রতিটি মুহূর্ত করছে কর্মের সাথে যুদ্ধ। মানুষের মনে ও প্রাণে রয়েছে ক্ষুধার । যন্ত্রণায় প্রচন্ড ভয় অপেক্ষা করে কেউ কেউ কাজে নেমে পড়েছে। কেউ নিজেকে মনকে সতেজ করতে ঘুরে বেড়াচ্ছে এখানে - সেখানে । আমি একজন মানুষ আমি নিজেকে সতেজ করতে গতকাল বিকেলে একটি জায়গাতে, ছোটখাটো একটা নদীর তীরে ঘুরতে বেরোলাম। নিজেকে একটু প্রকৃতির বাতাস সতেজ করতে ঘুরে- বেড়াবো চিন্তা করলাম । নিজের মোটর বাইক টা নিয়ে বেরিয়ে পড়লাম এক অজানার উদ্দেশ্যে। ঘুরতে ঘুরতে নদীর কিনারে এসে দাঁড়ালাম দেখতে পেলাম একজন ঝালমুড়ি বিক্রেতা কে। আমি তার সামনে দাঁড়ালাম । বললাম যে আমাকে কিছু ঝাল মুড়ি দেন ।তিনি খুব মজা করে বানিয়ে দিলেন খেয়ে দেখলাম খুব সুস্বাদু। ঝাল মুড়ির মজা দেখে কৌতুহল জেগে গেলো মনে । গল্প জুড়ে দিলাম সেজাল মেরি ওর সাথে অনেক কথা হয়ে গেল তার সাথে।
প্রতিটি মানুষ বেঁচে থাকার জন্য কতনা পেশা খুঁজে বেড়ায়। ঝালমুড়ি বিক্রেতা ঠিক তাই। ওর সাথে বিভিন্ন আইটেমের রয়েছে খাবার। যেগুলো খুব সুস্বাদু করে মুড়ি মাখিয়ে দেয় । আলাদা আলাদা বিভিন্ন টাইপের ছোলা বুট বিক্রি করে । আমাকে বলল দেখেন ছোলা বুট গুলো খুব মজা পাবেন। আমিও খেলাম । উনি আমাকে একটা চেয়ার দিলেন বসতে । বসলাম গল্প বললাম । তাই বললাম আমার হাতে ঝাল মুড়ি দেন । আমি নদীর পাড়ে ঘুরে ঘুরে খাবো । আর বাতাস থেকে অক্সিজেন গ্রহণ করব । এমন এক জায়গায় ঝাল মুড়ি বিক্রেতার দোকান অবস্থিত । নদীর প্রচন্ড বাতাস এসে লাগে তার এই দোকানের মধ্যে । মনমুগ্ধকর পরিবেশ । বিক্রেতাকে জিজ্ঞেস করলাম কতদিন যাবৎ আপনি এখানে ঝাল মুড়ি বিক্রি করছেন । সে বলল আজ থেকে প্রায় পাঁচ বছর । তবে কিছুদিন বন্ধ রেখেছিলাম ভাইরাসের কারণে।
প্রকৃতির বাতাস যখন গ্রহণ করছিলাম ।তখন ঝাল মুড়ি বিক্রেতা বলল মুড়ি খেলেন সাথে অক্সিজেন নিয়ে গেলে একেবারে ফ্রি। এখানে অনেকে অক্সিজেন নিতে আসে। তখন তার সাথে আরও অনেক আলোচনা করলাম । খুব ভালো একটা বিকেল কাটলো । নদীর বাতাস আর অক্সিজেন সাথে রয়েছে নদীর ঢেউ সব মিলিয়ে এক অন্যরকম পরিবেশ আমার মনটা অন্য জগতে ফিরে গেল। শরীরটা একদম সতেজ হয়ে গেল। খুব সুন্দর একটা মন নিয়ে রেস মুভি বাড়ি ফিরে আসলাম বাড়িতে।