এশিয়ার টি-টুয়ান্টি ক্রিকেটের নতুন রাজা এখন শ্রীলঙ্কা।

Words
368
Reading
2 min
Listen
Play
4y

এশিয়ার শ্রেষ্ঠত্বের লড়াইয়ে ফাইনালে আজ রাতে মাঠে নেমে ছিলো পাকিস্তান বনাম শ্রীলঙ্কা। শুরুতেই পাকিস্তান টস জেতার পর ব্যাটিংয়ে পাঠায় শ্রীলঙ্কাকে। শ্রীলঙ্কা ব্যাট করতে নেমে প্রথমেই পাকিস্তানের পেসার দের তুপের মুখে পরে যায়। নাসিম শাহ, রউফদের গতি মুখে প্রথমেই উইকেটের ধশ নামে শ্রীলঙ্কার ব্যাটিং শিবিরে।

৫০ রান পেরুতেই ৫ উইকেট পরে যায় শ্রীলঙ্কার। সেখান থেকেই ঘুরে দাড়াই শ্রীলঙ্কা। হাসারাঙ্গা আর রাজাপাকসার হাত ধরে ঘুরে দাড়াই শ্রীলঙ্কা। এভাবে একের পর এক উইকেট যাওয়ার পরেও হাসারাঙ্গা আর রাজাপাকসা ভয় ডরহীন ক্রিকেট টাই খেলে গেছেন। চাপের মুহুর্তেও উইকেট ধরে রেখে চমৎকার ব্যাটিং করে গেছেন এর সাথে রানের চাকাও বাড়িয়েছেন।

FB_IMG_1662924959246.jpg
IMG

হাসারাঙ্গা ২১ বলে ৩৬ রানের চমৎকার এক ইনিংস খেলেন তিনি। এরপর তিনি আউট হয়ে সাজ ঘরে ফিরলেও রাজাপাকসা শেষ পর্যন্ত দারুণ এক ইনিংস খেলে অপরাজিত থাকেন তিনি। ৪৫ বলে ৭১ রানের এক বিধ্বংসী মহাকাব্যিক ইনিংস খেলেন তিনি। যার উপর ভর করে শ্রীলঙ্কা ১৭১ রানের বিশাল এক টার্গেট দেন। জবাবে পাকিস্তান ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই বাবর আজমের উইকেট হারায়।

শূন্য রানে বাবর আজম সাজ ঘরে ফেরার পর ঠিক সেই এখই পথে হাঁটেন ফকর জামান। তিনিও রানের খাতা খোলার আগেই সাজ ঘরে ফিরে যান। তার পর রিজওয়ান মাঠে থাকলেও তার ৫৫ রানের ইনিংস টা পাকিস্তানকে তেমন সাপোর্ট দিতে পারেনি। বরং রানের চাপে ফেলেছে পাকিস্তান কে। শেষে তিনিও বড় শট খেলতে গিয়ে সাজ ঘরে ফিরে যান।

রিজওয়ান কে সঙ্গী করেই পাকিস্তানের এই ম্যাচে সবচেয়ে বড় জুটি ঘরেছিলো আহমেদ। রিজওয়ান আউট হওয়ার পর তিনিও সাজে ঘরে ফিরে যান। তিমি ৩১ বলে ৩২ রান করেন যা এই রান তাড়া করার জন্য খুবেই অ-মানানসই। এর পর এই দুইজন আউট হওয়ার পর আর কোনো ব্যাটসম্যানেই দাড়াতে পারেনি। সবাই আসছেন ক্রিজে আর সাজ ঘরে ফিরে গেছেন।

FB_IMG_1662925260804.jpg
IMG

শেষ পর্যন্ত পাকিস্তান ১৪৭ রানেই অলআউট হয়ে যায়। শ্রীলঙ্কার হয়ে প্রামোদ সর্বোচ্চ ৪ উইকেট নেন আর হাসারাঙ্গা ৩ উইকেট। এশিয়া কাপের এই জয়ে তারা ষষ্ঠ বারের শিরোপা ঘরে তুলেছেন। অথচ টুর্নামেন্ট শুরুর আগে এই দলটাকে নিয়ে কেউ বাজি ধরে নি। ক্রিকেট বিশ্লেষকরা ভারত পাকিস্তানকে এগিয়ে রাখলেও শ্রীলঙ্কাকে শূন্য পারসেন্ট সম্ভবনা দিয়েছিলো। অথচ এই শ্রীলঙ্কাই প্রথম ম্যাচ হারার পর আর কোনো ম্যাচেই হারেনি।

শেষ পর্যন্ত সবকিছুর জবাব শ্রীলঙ্কা মাঠেই দিয়েছে। পাকিস্তান কে কোনো পাত্তাই দেয়নি ফাইনালে শ্রীলঙ্কা। শ্রীলঙ্কার এই শিরোপা জয়ে আবারো প্রমান করেছে যে ক্রিকেট অনিশ্চয়তার খেলা কখন কি ঘটে বলা যায় না। এই জয়ে এখন থেকে এশিয়ার টি-টুয়ান্টি ক্রিকেটের রাজা এখন শ্রীলঙ্কা৷

এশিয়ার টি-টুয়ান্টি ক্রিকেটের নতুন রাজা এখন শ্রীলঙ্কা। | Ecency