Photo From:Pixabay
আকাশ সমান স্বপ্ন নিয়ে ইট কাঠের শহরে আগমন ঘটে শাওনের। যদিও আকাশ দেখা দায় গগনচুম্বী দালানের বাহাদুরিতে। শাওন বাবা মায়ের ছোট ছেলে। বাবা মায়ের অনেক আশা তাকে নিয়ে কারণ অন্য বড় ছেলেরা বলার মতো কিছুই করতে পারেনি অপরদিকে শাওন মেধাবী ছেলে ভালো মতো কলেজ পাস দিছে। তাই দিনরাত স্বপনের বীজ বুনে আবুল মিয়া।
আবুল মিয়া নামে আবুল হইলেও কাজকর্মে পাক্কা শয়তান। গ্রামের সহজ সরল মানুষদের ঠকিয়ে কিভাবে দুইটা টাকা বেশি কামানো যায় সব সময় এই চিন্তা নিয়ে ঘুরে।
আবুল মিয়ার ৫ ছেলে, ছোট ছেলে ছাড়া সবাই কম বেশি আয় রোজগার করে। সবারই একই পেশা, নিশি রাতের কাজ। চার ছেলে ভালোই ইনকাম করতেছে তাতেও আবুল মিয়ার মন ভরে না। আবুল মিয়ার মন ভরার চেয়ে হাতির পেট ভরানো ঢ়ের সহজ কাজ!
আবুল মিয়ার ছেলেরা রাতে মানুষের পকেট কাটে আর আবুল কাটে দিনে; উচ্চ সুদে টাকা লগ্নি করে।
আবুল মিয়ার বহুদিনের ইচ্ছে তার ছোট ছেলে গ্রামে এসে কাগজে কলমে সুদের ব্যাবসায় করুক। যাতে করে সমাজে তার একটু ইজ্জত বাড়ে এবং মানুষজনের ও আরেকটু বিশ্বাস দৃঢ় হয়।
শাওনও শহরে এসে শিখে যায় এমএলএম ব্যবসায় পাশাপাশি পড়াশোনা ও চালিয়ে যায়। পড়ালেখা শেষের পর বাপের কথা মতো গ্রামে চলে আসে শাওন।
কিছুদিন পর শাওন শুরু করে কাগজে কলমে সুদের ব্যবসা তথা মাল্টিপারপাস ব্যবসা। আবুল মিয়া আর তার ছেলেদের টাকার গরমে মাঘ মাসের শীতও ওদের গায়ে লাগেনা!
মাঘ মাসের শীত গায়ে না লাগলেও আবুল মিয়ার গা শীত শীত করা শুরু করলো গ্রীষ্মের দুপুরে। ডাক্তার ডাকার পর পরীক্ষা নিরীক্ষা করা জানা গেলো আবুল মিয়া কর্কট রোগে আক্রান্ত।