রুপাদের চমকিয়ে দিয়ে হিমুরা আজ ছাতা নিয়ে বের হবে কিংবা রিকশা ভাড়া দেয়ার জন্য পকেট থেকে বিশ টাকার পুরনো নোট দিবে? হয়তোবা অভিজাত হোটেলে ডিনার করে কার্ড দিয়ে বিল পে করবে?
এই শহরে হিমুরা করোনা কালেও ঘুরে বেড়ায় কোন রকম স্বাস্থ্য সুরক্ষা ছাড়ায়। হিমুদের করোনা হয়না এমন বিশ্বাস নিয়ে রুপাদের হাত ধরে টিএসসি থেকে পলাশী অনায়াসে ঘুরে বেড়ায়।
রাত ১২.৪৫, হিমু হেঁটে চলছে মিন্টু রোডের ভিআইপি লেন ধরে৷ টহলকারী পুলিশ সদস্যরা তাকে থামায়, এতো রাতে কোথায় যান? খালুর বাসায় ভাবলেশহীন উত্তর দে হিমু। কী নাম? হিমালয়। হিমালয় কোন নাম? মুরগী ফারুক যদি নাম হয় হিমালয় নাম হবেনা কেন?
আচ্ছা ঠিক আছে। তো করোনার সময় এইভাবে মাস্ক ছাড়া তো ঘুড়া নিষেধ। হিমু বলে তা ঠিক আছে রাতে তো আবার আপনারা লকডাউন শিথিল করেদিছেন তাই ভাবলাম এখন মাস্ক ছাড়া একটু ঘুড়ে আসি। মাস্ক ছাড়া বের হয়ে মজা নেন অনেকটা হুমকি দিয়ে উঠে। শুনেন আপনি ত মাস্ক গালে ঝুলিয়ে রাখছেন, তা মাস্ক না পড়া আর মাস্ক না নিয়ে রাস্তায় বের হওয়ার ভিতর তো কো পার্থক্য দেখছিনা। যুক্তিতে না পেরে পুলিশের বস পালটা প্রশ্ন করে তোর খালুর নাম কী?
হিমু বুঝতে পেরে বলে সাহেদ আলী। পুলিশ নিজের ভুল বুঝতে পেরে বলে আগে বলবেন না। সরি স্যার ভুল হয়ে গেছে,যান স্যার। স্যার আপনার খালুকে কিছু বলবেন না। ঠিক আছে কুদ্দুস, এখন যাই, তো তোমার কাছে হেন্ড সেনিটাইজার আছে, জি আছে নরম সুরে বলে পুলিশ, তা দাও একটু হাতটা একটু...
একথা বলে চলে যায় হিমু।
মিসির আলীরা নিশ্চয় চশমার গ্লাস পরিষ্কার করতে করতে ভাববে হিমুর এই পরিবর্তনের সাথে জলবায়ু পরিবর্তনের কোন কারন আছে কিনা। হয়তো তিনি বের করবেন করোনার হাত থেকে বাঁচার নতুন আইডিয়া, নতুন ভ্যাকসিন।
এই দিকে মাজেদা খালারা খিচুড়ি রান্না করে বসে আছে আমাদের হিমুর জন্য
মাজেদা খালা আজ অনেক খুশি সে বাদলের বিয়ে দিয়েছে তার পছন্দের পাত্রীরর সাথে।
শুভ্র মিরাকে বিয়ে করে শিক্ষকতার চাকরি ছেড়ে তার বাবার পৈত্তিক ব্যবসা দেখাশুনা করছে....
হুমায়ুন আমাদেরকে প্রতিনিয়ত ভাবায়
যেখানে থাকো ভাল থাকো
কখনো হিমালায় হয়ে কখনো শুভ্র হয়ে কিংবা মিসির আলী হয়ে!!
saqthc.jpg