সবুজ পাতার ঘোমটা খুলে, সূর্যি মামা উঁকি দিবেই একদিন, এই বিশ্বাসে মানুষ ঘোর অমানিশায় বেঁচে থাকার আশা খুঁজে পায়। করোনা পরবর্তী পৃথিবীতে ও মানুষ ঘুরে দঁড়াবেই, হঠাৎ আলোর ঝলকানিতে আলোকিত হবে আগামীর পৃথিবী।
বিশ্ব ব্যাংক, আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের, ভবিষ্যৎ বানী ভুল প্রমাণ করে চীন তার রপ্তানি প্রবৃদ্ধি ঠিক রাস্তায় চালিত করতে পারছে, প্রত্যাশিত সময়ের অনেক আগেই। আমেরিকায় বেকার বাতার জন্য নিবন্ধন কারীর সংখ্যা ও কমে গেছে। একথা ঠিক যে অনেক লোক চাকরি হারিয়েছে, আমদানি রপ্তানি বানিজ্য ব্যাপক ভাবে কমে গেছে। কিন্তু মানুষ ধীরে ধীরে নিউ নরমালের সাথে মানিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে সামনের দিকে।
এগিয়ে যাওয়ার গতি হয়তো কম, কিন্তু আশার কথা হলো এগুচ্ছে। গত দুই মাসে বাংলাদেশে আমদনি রপ্তানি বেড়েছে। বেড়েছে প্রবাসী আয়ও যার দরুন রেমিট্যান্স ভলিউমের হার ও বেড়েছে গতবছরের ছেয়ে প্রায় দেড়গুণ।
রাশিয়া ইতিমধ্যে করোনার ভ্যাকসিন তৈরি করে ফেলছে। যদিও এটা নিয়ে অনেক বিতর্ক আছে। আমেরিকা, চীন, যুক্তরাজ্য ও পিছিয়ে নেই। এই বছরের শেষ নাগাদ করোনার নির্ভরশীল ভ্যাকসিন পাওয়া যাবে বলে বিজ্ঞানীরা পুরোপুরি আশাবাদী।
করোনার সাথে লড়াই করতে করতে মানুষ এখন অনেক সহনশীল, মানুষ জানে কী করে মানিয়ে চলতে। আগে মানুষ খাবার খাওয়ার সময় ও ঠিক মতো হাত ধুতো না, আর এখন মানুষ কিছুক্ষণ পরপর সাবান দিয়ে হাত ধুতেছে। যে মানুষ আগে দিনে একবার গোসল করতোনা সেখানে এখন যতোবারই বাহিরে যায়, ফিরে এসে গোসল সেরে নিচ্ছে।
মানুষের আয় কমছে তা ঠিক, তবে মানুষ শিখে গেছে
কীভাবে সীমিত সম্পদ দিয়ে অসীম অভাব মিটাতে হয়। সৃষ্টির সেরা জীব মানুষ সভ্যতার শুরু থেকেই অনেক মহামারী, অনেক খারাপ পরিস্থিতি সামলে আজ একবিংশ শতাব্দীতে এসে মঙ্গল গ্রহে তার বিজয় কেতন উড়ালো।
করোনার সবচেয়ে বড়ো ধাক্কাটা লেগেছে আমদানি নির্ভর অর্থনীতির পর শিক্ষা খাতে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গুলো কবে গুলবে তার কোন নির্দিষ্ট সময়সীমা নেই।
এই সময়টাতে আমরা যদি আমাদের সন্তানদের নৈতিকতা শিক্ষাটা ভালো মতো দিতে পারি তাহলে করোনার মতো অন্যকোন মহামারী আমাদের এইরূপ ক্ষতি সাধন করতে পারবেনা, যেমনটা করোনার ধরুন সাধিত হয়েছে।
প্রতিটা দুর্যোগই এক-একটা শিক্ষা, এবং নতুন নতুন ক্ষেত্র সৃষ্টি করে, সৃষ্টি করে সম্ভাবনা ও। আমরা যদি নতুন সম্ভাবনা গুলোকে কাজে লাগাতে পারি তাহলে বলতেই পারি আলো আসবেই! হ্যা, আলো আসবেই।
Source Pixabay