পূজার সাজে চুলের সাজ

Words
422
Reading
2 min
Listen
Play
8y


source

শুরু হয়ে গেছে শারদীয় দুর্গোৎসব। চারদিকে সাজ সাজ রব। এই সময় নতুন পোশাকের সঙ্গে মিলিয়ে সাজটা জমকালো না হলে কি চলে? পূজার দিনে নতুন পোশাকের সঙ্গে মানিয়ে চুল বাঁধাতেও চাই নতুন ঢং। তবেই না সাজ পোশাকে আসবে উৎসবের আমেজ।

পারসোনার ব্যবস্থাপনা পরিচালক নুজহাত খান বলছিলেন, পূজা মানেই দিনভর ঘুরে বেড়ানোর একটা উৎসব। এই সময় তাই চুলের বাঁধন যেন ঘোরাফেরায় সমস্যা না করে, সেদিকটায় বিশেষ খেয়াল রাখতে হবে। আর চুলের সাজ পোশাকের সঙ্গে মানানসই হতে হবে। যেমন শাড়ির সঙ্গে সব ধরনের চুল বাঁধাই ভালো দেখায়। চুলে খোলাও থাকতে পারে শাড়ির সঙ্গে। এতে ট্রেন্ডি লুক আসবে।

ওদিকে সালোয়ার–কামিজ বা অন্য কোনো পোশাকের সঙ্গে টেনে খোঁপা না করাই ভালো। এর বদলে বেণি বা খোলা চুল ভালো দেখাবে। দিন বা রাতের সঙ্গে সঙ্গে চুল বাঁধাতেও আসবে পরিবর্তন। দিনে সাধারণত চুলের জমকালো সাজ এড়িয়ে যেতে পারেন। রাতের চুলের সাজে একটু পরীক্ষা–নিরীক্ষা করা যেতে পারে।

এরকম টপের সঙ্গে মানিয়ে যাবে খোপা করা ঢেউ খেলানো চুল
এরকম টপের সঙ্গে মানিয়ে যাবে খোপা করা ঢেউ খেলানো চুল
খোঁপাতেও খেলবে ঢেউ

ঘুরতে ঘুরতে গরমে যদি খোলা চুলে অস্বস্তিই আসে, তবে একদিকে এভাবে করে বাঁধতে পারেন চুল। এ জন্য সামনের চুলগুলো আগে থেকেই হালকা কোঁকড়া করে নিন। বাইরে যখন খোলা চুলে অস্বস্তি আসবে তখন এক পাশে বেঁধে নিতে পারেন এমন স্টাইলিশ খোঁপা।

এলোমেলো বেণিতেও দেখাবে স্নিগ্দ্ধ
ফাংকি বেণিতে সারা বেলা

পূজার সময় সারা দিন ঘুরে বেড়ানোর জন্য যাঁরা স্কার্ট, টপ, পালাজ্জো বা মিডি ফ্রকের মতো পোশাক পরবেন বলে ঠিক করেছেন, তাঁরা অনায়াসেই এভাবে বাঁধতে পারেন চুল। বাঁ দিকে সিঁথি করে নিন। এবার বাঁ দিক থেকে চিকন বেণি টেনে নিন। ডান দিকের বাকি চুলগুলোতে একটু এলোমেলো পেঁচিয়ে নিলেই হয়ে যাবে একটা নতুন বেণি। এ ধরনের ফাংকি বেণিতে খুব বেশি মেকআপ এবং গয়না না পরাই ভালো।

মিম ও তাঁর মা ছবি সাহা এবারের পূজায় সাজবেন সাবেকী ঢঙে
মিম ও তাঁর মা ছবি সাহা এবারের পূজায় সাজবেন সাবেকী ঢঙে
খোঁপার বাঁধনে চিরায়ত সাজ

টেনে বাঁধা চুলে খোঁপার বাঁধন পূজার চেনা সাজ। এর সঙ্গে সামনের দুই পাশে হালকা চুল কোঁকড়া করে নিন। চোখে টানা করে দেওয়া কাজল, ন্যুড লিপস্টিক আর ছোট একটা টিপ এনেছে স্নিগ্ধ আমেজ।

গরদের শাড়ীর সঙ্গে হাল ঢারার খোলা চুলও মানিয়ে যাবে
সাগরের ঢেউ খেলানো চুল

সমুদ্রের নোনা পানিতে চুল ভেজালে ঢেউ খেলানো একটা ভাব আসে। চুলের এই ঢেউ খেলানো ধরনই এখন জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে বিচ ওয়েভ নামে। নুজহাত খান বলছিলেন, বিচ ওয়েভে সাধারণত চুলটা কোঁকড়া হয়ে যায়। চুলের সাজে এই বিচওয়েভ আবহ আনতে হলে চুলকে কিছুটা রাফ করে নিতে হবে। এই জন্য ড্রাই শ্যাম্পু ব্যবহার করতে হবে। তারপর টং দিয়ে চুলটাকে কোঁকড়ানো করে হাত দিয়ে ছাড়িয়ে নিলেই আসবে বিচ ওয়েভের আবহ। ঐতিহ্যবাহী শাড়ির সঙ্গে এই চুলের স্টাইল চেহারায় আনবে ভিন্ন আবহ।

পূজার সাজে চুলের সাজ | Ecency