চন্দ্রমল্লিকারা হারিয়ে যায়! এইতো শীতের কয়েটা দিন। তারপর গ্রীষ্ম আসে, প্রকৃতি বিরূপ হতে শুরু করে; আর চন্দ্রমল্লিকারা হারিয়ে যায়।
অবাক হতাম, ঘ্রাণহীন এই ফুলটি নিয়ে বাঙালির মধ্যে এত কেন উদযাপন। চন্দ্রমল্লিকা নিয়ে কত শত গান, কবিতা। যখন চন্দ্রমল্লিকা কে কাছ থেকে দেখলাম তখন বুঝলাম এই উন্মাদনার কারণ।
সৌন্দর্য সবাইকেই টানে, আর চন্দ্রমল্লিকাই তার প্রমান!
এই শীতেই গিয়েছিলাম ঢাকার অদূরে এক রিসোর্টে অফিসের সব কলিগরা সহ। রিসোর্টটি নাম কাকন কনাট্রি ইয়ার্ড। এই ছবিগুলো সেখান থেকে তোলা। এই রিসোর্টের ছবিও শেয়ার করব সামনে।
তো যা বলছিলাম। চন্দ্রমল্লিকা।।
সেখানে অনেক চন্দ্রমল্লিকা দেখে আমি বিমোহিত হয়ে গিয়েছিলাম। ঝাঁকে ঝাঁকে, সারি সারি কত রংয়ের ফুল। সবচেয়ে দৃষ্টিনন্দন এর বিকাশ। নুইয়ে পরা নয়, উচ্চ মুখ করে সূর্যের দিকে সোজা তাকানো।
এ যেন সূর্যকে চ্যালেঞ্জ করা। সূর্যের সামনাসামনি দাড়িয়ে বলা, "দেখ আমায়, আমার সৌন্দর্য।"
কিন্তু, অবশেষে...চন্দ্রমল্লিকারা হারিয়ে যায়। হয়তো সে কারণেই এই ক্ষণিক সৌন্দর্যের জন্য আমরা এত উদগ্রীব হয়ে থাকি। কে জানে!
যারা এই চন্দ্রমল্লিকার মত তেজী, জ্যোতির্ময়, আপন সৌন্দর্যে অমলিন; তারা ফুটতে থাকুক। তারা ঝরে না যাক। চন্দ্রমল্লিকা হয়ত সল্প সময়ের জন্য আসে। কিন্তু এই সময়টাতেই সে হয়ে উঠে সবার প্রীয়। সে থাকে অমলিন বহুদিন।
চন্দ্রমল্লিকারা ফুল হয়ে ফুটুক, সৌন্দর্য্য বিলাক, আমাদের মনে করিয়ে দিক সল্প সময় নিয়ে এলেও আলো ছড়ানো যায়।
খুব হেঁয়ালি করে লিখলাম। জানিনা লেখাটা পড়তে আপনাদের কেমন লাগলো। জানাবেন।
স্থান: কাকণ কান্ট্রি ইয়ার্ড
লোকেশন লিংক: লিংক
ডিভাইস: শাওমি নোট 7 প্রো।
আমি জনি, বাংলাদেশ থেকে। একটু ঘরকুনো মানুষ। ভালোবাসি পরিবারের সাথে সময় কাটাতে। সময় পেলে মুভি, ডকুমেন্টারি বা খেলা দেখা হয়। মোবাইলে টুকটাক ছবি তুলি। ক্রিপ্টো নিয়েও আগ্রহ গড়ে উঠছে।