কুয়েতে পাপুলের বিরুদ্ধে যে মামলা চলছে, তার রায় জানা যাবে ২৮ জানুয়ারি। সেখানে তার বিরুদ্ধে কী অভিযোগ, সে বিষয়ে দেশে সবাই জানেন। কুয়েতে তিনি গ্রেপ্তার হওয়ার পর এ নিয়ে সংসদে কথাও হয়েছে।
কিন্তু ‘আনুষ্ঠানিকভাবে’ কিছু জানানো হয়নি, এই যুক্তিতে পাপুলের বিষয়ে কোনো পদক্ষেপ এখনও নেয়নি জাতীয় সংসদ।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরীর বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “কোন সদস্য আটক হলে আটক হলে, দণ্ড হলে, জামিন হলে বা অন্য কোনভাবে মুক্তি পেলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ স্পিকারকে জানাবেন। স্পিকার বিষয়টি সংসদে জানাবেন। সংসদ অধিবেশনে না থাকলে চিঠি দিয়ে সংসদ সদস্যদের জানাবেন। এটা কার্যপ্রণালি বিধিতে স্পষ্ট বলা আছে।
”কিন্তু কোনো কর্তৃপক্ষ আমাকে কিছুই জানায়নি। জানালে নিয়ম অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেনও একই কথা বলেছেন।
“অফিসিয়ালি কিছু জানি না। আমরা পত্রিকা মারফত জানি। এর বেশি কিছু জানি না।”
জনশক্তি রপ্তানিকারক পাপুলকে গত ৬ জুন কুয়েতের মুশরিফ এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করে সে দেশের পুলিশ।
মানব ও অর্থপাচার এবং ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানের কর্মীদের শোষণের অভিযোগ আনা হয় বাংলাদেশের এই আইনপ্রণেতার বিরুদ্ধে।
গত ১৭ সেপ্টেম্বর কুয়েতের অপরাধ আদাল